সিলেট ১০:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
সুকান্তের জন্মশতবর্ষে কুলাউড়ায় ‘সুকান্ত সাহিত্য আড্ডা’ ‎জেসমিন প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত জনতা ব্যাংক কুলাউড়া শাখায় ১০০ কোটি টাকার আমানতের মাইলফলক ‎চুনারুঘাটে ধানখেত থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরের হাজিপুরে ব্র্যাকের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প শায়েস্তাগঞ্জের জেমির আন্তর্জাতিক সাফল্য: ৭৫ লাখ টাকার বৃত্তি পেয়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে ভর্তি কুয়েতে ১৬ বছর ধরে নিখোঁজ এক বাংলাদেশী আটক। জুড়ীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর সমাপনী‎ বিশ্বকে চমকে দিয়ে কি গিনেস বুকে বাংলাদেশের নারী বান্ধব ‘পিংক বাস’? ‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত





‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।

‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।

‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।



‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।

‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুকান্তের জন্মশতবর্ষে কুলাউড়ায় ‘সুকান্ত সাহিত্য আড্ডা’

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

সময় ০৮:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬





‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।

‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।

‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।



‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।

‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।

‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।