সিলেট ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎দক্ষিণ সুরমায় অনলাইন জুয়া চক্রের প্রধান এজেন্ট করিমসহ আটক ২ ‎ছাতকের আনুজানীতে একের পর এক অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। ‎বিয়ানীবাজারে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে ৪ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ৪! ‎লাখাই মোড়াকুরি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী এম এ কাদের। এতিম শিশুদের সঙ্গে আসক সিলেট জেলা কমিটির মানবিক আয়োজন‎ মাধবপুরে আগুনে দুই ভাইয়ের বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতির দাবি ৫০ লাখ টাকা নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত


‎

‎
‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
‎
‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।
‎
‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।
‎
‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


‎
‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
‎
‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।
‎
‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎দক্ষিণ সুরমায় অনলাইন জুয়া চক্রের প্রধান এজেন্ট করিমসহ আটক ২

‎লস্করপুর থেকে উদ্ধার তক্ষক সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত

সময় ০৮:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬


‎

‎
‎হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা একটি তক্ষক (গেকো) সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করেছে বন বিভাগ। উদ্ধার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ শেষে প্রাণীটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
‎
‎বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুন) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা সদর উপজেলার লস্করপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তক্ষকটি উদ্ধার করেন। পরে প্রাণীটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রেখে স্বাস্থ্যগত অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করা হয়।
‎
‎পরদিন শনিবার (২০ জুন) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের আওতাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে তক্ষকটি অবমুক্ত করা হয়। অবমুক্তির পর প্রাণীটি দ্রুত বনের ভেতরে চলে যায়।
‎
‎অবমুক্তি কার্যক্রমে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাতছড়ি সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।


‎
‎হবিগঞ্জের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন বলেন, উদ্ধার করা তক্ষকটি পর্যবেক্ষণে সুস্থ পাওয়া যাওয়ায় সেটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় উদ্ধারকৃত প্রাণীদের উপযুক্ত আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
‎
‎বন বিভাগ জানায়, তক্ষক গেকোনিডি গোত্রের একটি সরীসৃপ প্রজাতি। এটি সাধারণত বনাঞ্চল, গাছের কোটর, ভবনের ছাদ ও বিভিন্ন ফাঁকফোকরে বসবাস করে। কীটপতঙ্গ, ছোট সরীসৃপ ও ক্ষুদ্র প্রাণী এদের প্রধান খাদ্য।
‎
‎সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অবৈধ বাণিজ্য, শিকার এবং বিভিন্ন কুসংস্কারের কারণে দেশে তক্ষকের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রাণীটিকে ঘিরে প্রচলিত ভুল তথ্য ও গুজবও এর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্য প্রাণী সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বন বিভাগের কর্মকর্তারা।