
হবিগঞ্জ শহরের পোদ্দার বাড়ি ফিলিং স্টেশন থেকে ড্রাইভারকে মারধোর করে বানিয়াচং উপজেলা সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মুসা মিয়ার মালিকানাধীন সিএনজি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
সিএনজি ছিনতাইয়ের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো উদ্ধার হয়নি সিএনজি অটোরিক্সাটি। এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় হবিগঞ্জ ছোট বহুলা এলাকার সাহিদ মিয়া,আব্দুস সালাম ও আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই শ্রমিক নেতা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,২০২৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বানিয়াচং আথুকুড়া এলাকায় মৌলভীবাজার (থ ১১-১৪৫৬) নং রেজিষ্ট্রেশনভূক্ত একটি সিএনজি অটোরিকশার সাথে একটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ছোট বহুলা গ্রামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়ে প্রাণ হারান।
নিহতের ঘটনায় পক্ষ-বিপক্ষের মাঝে মামলা মোকদ্দমা চলছিল। পরবর্তীতে ঘটনাটি আপোষ-মিমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। মীমাংসার স্বার্থে উভয় এলাকার লোকজনের সাথে শ্রমিক নেতা মুুসা মিয়া ও অংশগ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু পরিশেষে বিষয়টি আর মীমাংসা হয়নি।
অমীমাংসিত বিষয়ের সূত্র ধরে গত ১৩ এপ্রিল (সোমবার) বিকেলে শ্রমিক নেতা মুসা মিয়ার মালিকানাধীন হবিগঞ্জ (থ-১১-৭৩৭৬) নং গাড়িটি পোদ্দার বাড়ি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে গাড়িটির চালক গ্যাস রিফিল করতে গেলে,সেখান থেকে ড্রাইভারকে মারধোর করে গাড়িটি ছিনতাই করে নিয়ে যায় উপরে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। এতে শ্রমিকদের মাঝে এক ক্ষোভের সঞ্চার হয়।
এদিকে এই ঘটনায় অন্যান্য শ্রমিক নেতারা বলছেন,সিএনজি এবং মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত হওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে অন্য একটি গাড়ির সাথে। এবং বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আদালতে মামলাও চলমান আছে।
এখানে শ্রমিক নেতা মুসা মিয়ার মালিকানাধীন গাড়ি ছিনতাই করাটা মোটেও ঠিক হয়নি। তারা দ্রুত গাড়িটি উদ্ধার করতে পুলিশের সুদৃষ্টি কামনা চেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। অন্যথায় গাড়ি ছিনতাইয়ের বিষয়ে তারা মানববন্ধন সহ বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলা হবে বলেও জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এস.আই জাহাঙ্গীর আলম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান
অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই সিএনজি অটোরিকশাটি গাড়িটি উদ্ধার করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে গাড়িটি শীঘ্রই উদ্ধার করার আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
এ আর রুমন, বানিয়াচং। 

















