সিলেট ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি ‎শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় সভার অনুষ্ঠিত ‎সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক দগ্ধ নবীগঞ্জে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বসার জায়গা নিশ্চিত করলেন পৌর প্রশাসক মো. রুহুল আমিন চুনারুঘাটে ১৫ কিলোমিটার ধাওয়া শেষে জনতার হাতে আটক ডাকাতি মামলার অভিযুক্ত, উদ্ধার প্রাইভেটকার মাদক দমনে পুলিশের বিশেষ উইং চান এমপি নাসের রহমান, তদবিরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজি
ঈদের আনন্দ ফিকে....

‎টাঙ্গাইলে তীব্র তেল সংকট: বিপাকে মোটরসাইকেল ও পরিবহন চালকরা

তেলের জন্য বাইক চালকদের দীর্ঘ লাইন।






‎সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা-এর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা যেন কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলো মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশে। ২৩ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ সকাল থেকে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে শতশত মোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আশানুরূপ জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে আবার কেউ জরুরি কাজেও যেতে পারছেন না।ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ করেননি। ডিপো থেকে সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় দ্রুতই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

‎তবে সরবরাহ পাওয়া মাত্রই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর সমন্বয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দফায় দফায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অতি শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও যেখানে পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল কোলাহলপূর্ণ ও উৎসবমুখর, সেখানে এখন বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা।


‎সরেজমিনে ময়মনসিংহ থেকে মধুপুর ও ধনবাড়ী পর্যন্ত কোন পাম্পে তেল নেই। সব পাম্প বন্ধ। তবে মুক্তাগাছা ও ধনবাড়ী একটি পাম্পে সীমিত আকারে তেল দেয়া হয়। তার প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে তেল ছাড়াই ফেরত চলে যাচ্ছেন। অনেক

‎মোটরসাইকেল চালক প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না। অনেকেই মোটরসাইকেলের চলন্ত অবস্থায় তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ভ্যানগাড়ী দিয়ে নিতে দেখা গেছে। এতে চরম ভোগান্তি শিকার মোটরসাইকেল চালকেরা। তেলের অভাবে ঈদের আনন্দ অনেকের ফিকে হয়ে গেছে।


‎সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, তবুও মাঠপর্যায়ের এই চিত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করছে হতাশা ও ক্ষোভ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে যখন মানুষের মধ্যে থাকার কথা আনন্দ ও উৎসবের আমেজ তখন জ্বালানি সংকটের এই বাস্তবতা অনেকের জন্য সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে। হাজারো মানুষ পড়েছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে—দেখার যেন কেউ নেই, বলারও নেই দেশ যেন চোখের সামনে জ্বালানি সংকটে সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাচ্ছে এই দায়ভার কার কে নিবে জানতে চায় দেশের জনগণ!!

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা

ঈদের আনন্দ ফিকে....

‎টাঙ্গাইলে তীব্র তেল সংকট: বিপাকে মোটরসাইকেল ও পরিবহন চালকরা

সময় ০৯:৫৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

তেলের জন্য বাইক চালকদের দীর্ঘ লাইন।






‎সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলা-এর ফিলিং স্টেশনগুলোতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা যেন কোলাহলপূর্ণ স্থানগুলো মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশে। ২৩ মার্চ ২০২৬ ইং তারিখ সকাল থেকে বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে শতশত মোটরসাইকেল চালক ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও আশানুরূপ জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পাওয়ায় তাদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে আবার কেউ জরুরি কাজেও যেতে পারছেন না।ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা কোনো ধরনের জ্বালানি মজুদ করেননি। ডিপো থেকে সীমিত সরবরাহ পাওয়ায় দ্রুতই তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

‎তবে সরবরাহ পাওয়া মাত্রই গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তারা জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর-এর সমন্বয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে দফায় দফায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, অতি শীঘ্রই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেও যেখানে পেট্রোল পাম্পগুলো ছিল কোলাহলপূর্ণ ও উৎসবমুখর, সেখানে এখন বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা।


‎সরেজমিনে ময়মনসিংহ থেকে মধুপুর ও ধনবাড়ী পর্যন্ত কোন পাম্পে তেল নেই। সব পাম্প বন্ধ। তবে মুক্তাগাছা ও ধনবাড়ী একটি পাম্পে সীমিত আকারে তেল দেয়া হয়। তার প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে তেল ছাড়াই ফেরত চলে যাচ্ছেন। অনেক

‎মোটরসাইকেল চালক প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না। অনেকেই মোটরসাইকেলের চলন্ত অবস্থায় তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ভ্যানগাড়ী দিয়ে নিতে দেখা গেছে। এতে চরম ভোগান্তি শিকার মোটরসাইকেল চালকেরা। তেলের অভাবে ঈদের আনন্দ অনেকের ফিকে হয়ে গেছে।


‎সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, তবুও মাঠপর্যায়ের এই চিত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃষ্টি করছে হতাশা ও ক্ষোভ। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে যখন মানুষের মধ্যে থাকার কথা আনন্দ ও উৎসবের আমেজ তখন জ্বালানি সংকটের এই বাস্তবতা অনেকের জন্য সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে। হাজারো মানুষ পড়েছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে—দেখার যেন কেউ নেই, বলারও নেই দেশ যেন চোখের সামনে জ্বালানি সংকটে সম্পূর্ণ অচল হয়ে যাচ্ছে এই দায়ভার কার কে নিবে জানতে চায় দেশের জনগণ!!