সিলেট ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন: মামলায় স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন ‎সিলেটে চাকরির প্রলোভনে ভারতে পাচারের চেষ্টা: দালাল চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার ‎জুড়ীতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচী বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু ‎শান্তিগঞ্জে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ‎টাঙ্গাইলে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ‎সংগ্রাম থেকে সংসদে—সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হচ্ছেন শাম্মী আক্তার ‎জামালপুরে তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও উদ্যোগ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ‎ মোগলাবাজারে অপহৃত স্কুলছাত্রী গাজীপুর থেকে উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার ‎সিলেটে র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান: কালীঘাটে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা‎

‎কারামুক্তির পরেই চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের ঘোষণা সামাদ বাবুর: উত্তাল মাধবপুরের রাজনীতি‎

উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু (ফাইল ছবি)




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক ও তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‎স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাদ বাবু জামিন পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক পোস্টে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি মাধবপুর উপজেলার ২নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সোহাগ-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারণার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যারিস্টার সুমনের ছবি ব্যবহার করাও নজর কাড়ছে।

‎ফেসবুকে তিনি লিখেছেন,’১৭ বছরের স্বপ্ন এই দিন দেখব, দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ’।তিনি ব্যারিস্টার সুমনের মুক্তির দাবিতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন।
‎জানা গেছে, আতাউস সামাদ বাবুর বাড়ি চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ-এর ছেলে।

‎নিউজ সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নই। মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা আমার আদর্শ। অপর দিকে উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তার এমন সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তারা মনে করেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত সংযত থাকা উচিত।

‎তবে এই ঘটনায় নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন: মামলায় স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন

‎কারামুক্তির পরেই চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের ঘোষণা সামাদ বাবুর: উত্তাল মাধবপুরের রাজনীতি‎

সময় ০৯:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু (ফাইল ছবি)




‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবু ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক ও তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‎স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাদ বাবু জামিন পাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক পোস্টে নিজের প্রার্থিতার বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি মাধবপুর উপজেলার ২নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুবুর রহমান সোহাগ-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারণার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যারিস্টার সুমনের ছবি ব্যবহার করাও নজর কাড়ছে।

‎ফেসবুকে তিনি লিখেছেন,’১৭ বছরের স্বপ্ন এই দিন দেখব, দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ’।তিনি ব্যারিস্টার সুমনের মুক্তির দাবিতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় রয়েছেন।
‎জানা গেছে, আতাউস সামাদ বাবুর বাড়ি চৌমুহনী ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ-এর ছেলে।

‎নিউজ সংক্রান্ত বিষয়ে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত নই। মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা আমার আদর্শ। অপর দিকে উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তার এমন সক্রিয় উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তারা মনে করেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত সংযত থাকা উচিত।

‎তবে এই ঘটনায় নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।