সিলেট ০৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎নবীগঞ্জে শাশুড়ি শ্বাসরোধে হত্যা:১২ ঘণ্টার মধ্যে পুত্রবধূ গ্রেপ্তার‎




‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শাশুড়ি ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫০) কে শ্বাসরোধে হত্যা করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের পুত্রবধূ তামান্না আক্তার (২২) কে র‌্যাব–৯ ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার ভোরে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত এলাকায় তাকে আটক করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৮টার দিকে মধ্যসমত এলাকার একটি বসতঘর থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ আটকানো ফেরদৌসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহের অবস্থার কারণে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

‎র‌্যাব–৯ মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, শাশুড়ি ও তামান্নার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণালংকারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। বিয়ের সময় তামান্নার জন্য দেওয়া ৫ ভরি স্বর্ণ শাশুড়ির কাছে থাকায় পারিবারিক মনোমালিন্য বৃদ্ধি পেত।


‎তামান্না টিকটক পরিচয়ের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের শিপন মিয়া নামের যুবকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। শিপনের প্রভাব এবং স্বর্ণালংকারকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে তামান্না শাশুড়িকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শিপনসহ আরও কয়েকজনকে যুক্ত করা হয়।

‎র‌্যাব জানায়, গত রোববার রাত ১১টার দিকে শিপন ও সহযোগীরা ঘরের পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে। তামান্না নিজেই দরজা খুলে দেন। তারা ঘুমন্ত ফেরদৌসীর মুখ চেপে ধরলে চিৎকার করলে হাত-পা বাঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগায়। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করা হয়।

‎পরদিন ভোরে নিহতের ভাই খবর দিলে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। র‌্যাব–৯ ও পুলিশের যৌথ তদন্তের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান এখনও চলমান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎নবীগঞ্জে শাশুড়ি শ্বাসরোধে হত্যা:১২ ঘণ্টার মধ্যে পুত্রবধূ গ্রেপ্তার‎

সময় ১১:৩২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬




‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শাশুড়ি ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫০) কে শ্বাসরোধে হত্যা করার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের পুত্রবধূ তামান্না আক্তার (২২) কে র‌্যাব–৯ ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার ভোরে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসমত এলাকায় তাকে আটক করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল ৮টার দিকে মধ্যসমত এলাকার একটি বসতঘর থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ আটকানো ফেরদৌসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহের অবস্থার কারণে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

‎র‌্যাব–৯ মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, শাশুড়ি ও তামান্নার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণালংকারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। বিয়ের সময় তামান্নার জন্য দেওয়া ৫ ভরি স্বর্ণ শাশুড়ির কাছে থাকায় পারিবারিক মনোমালিন্য বৃদ্ধি পেত।


‎তামান্না টিকটক পরিচয়ের মাধ্যমে সুনামগঞ্জের শিপন মিয়া নামের যুবকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। শিপনের প্রভাব এবং স্বর্ণালংকারকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে তামান্না শাশুড়িকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে শিপনসহ আরও কয়েকজনকে যুক্ত করা হয়।

‎র‌্যাব জানায়, গত রোববার রাত ১১টার দিকে শিপন ও সহযোগীরা ঘরের পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করে। তামান্না নিজেই দরজা খুলে দেন। তারা ঘুমন্ত ফেরদৌসীর মুখ চেপে ধরলে চিৎকার করলে হাত-পা বাঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগায়। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করা হয়।

‎পরদিন ভোরে নিহতের ভাই খবর দিলে নবীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। র‌্যাব–৯ ও পুলিশের যৌথ তদন্তের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান এখনও চলমান।