সিলেট ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দিরাইয়ে সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা করছে না তেল পাম্প: সিন্ডিকেট ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ!

পাম্পে তেলের জন মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন।



‎সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় জ্বালানি তেলের পাম্পে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তেল সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেলে ন্যূনতম ২ লিটার তেল দেওয়ার কথা থাকলেও, স্থানীয় তেল পাম্পগুলোতে তা মানা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ চালকদের মাত্র ১০০ টাকার তেল দিয়ে বাকি তেল কালোবাজারে ব্যবসায়ীদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

‎ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালকদের দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। সাধারণ চালকরা তেল নিতে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অথবা নামমাত্র তেল দেওয়া হচ্ছে। অথচ ড্রাম ভরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে, যা পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হবে বলে মোটরসাইকেল চালকরা অভিযোগ করছেন সাংবাদিকদের কাছে। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ ও পেশাদার মোটরসাইকেল চালকরা। তাদের আক্ষেপ—তেল না পেলে আমাদের গাড়ি চলবে কীভাবে, আর পরিবারই বা বাঁচবে কীভাবে?

‎সরেজমিনে এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাম্পের কর্মচারীরা সাধারণ গ্রাহকদের সাথে চরম ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন। তেলের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুললে বা সরকারি নিয়মের কথা বললে গালিগালাজ ও মারমুখী আচরণ করা হচ্ছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সাধারণ চালকদের মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎পাম্পে চলমান এই অনিয়মের চিত্র ধারণ করতে গেলে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছে পাম্প সংশ্লিষ্টরা। বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানান, অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে ইতোমধ্যে বেশ কিছু গ্রাহক পাম্পের কর্মচারীদের অসদাচরণ ও সিন্ডিকেটের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে।

‎এই পরিস্থিতি নিয়ে পাম্প প্রাঙ্গণে প্রতিনিয়ত চালক ও কর্মচারীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনের এখনই হস্তক্ষেপ করা উচিত। অন্যথায় এই তেল সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

দিরাইয়ে সরকারি নিয়ম তোয়াক্কা করছে না তেল পাম্প: সিন্ডিকেট ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ!

সময় ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
পাম্পে তেলের জন মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন।



‎সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় জ্বালানি তেলের পাম্পে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তেল সরবরাহ করার অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী মোটরসাইকেলে ন্যূনতম ২ লিটার তেল দেওয়ার কথা থাকলেও, স্থানীয় তেল পাম্পগুলোতে তা মানা হচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ চালকদের মাত্র ১০০ টাকার তেল দিয়ে বাকি তেল কালোবাজারে ব্যবসায়ীদের কাছে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

‎ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালকদের দাবি, পাম্প কর্তৃপক্ষ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। সাধারণ চালকরা তেল নিতে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অথবা নামমাত্র তেল দেওয়া হচ্ছে। অথচ ড্রাম ভরে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে, যা পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের কাছে উচ্চমূল্যে বিক্রি করা হবে বলে মোটরসাইকেল চালকরা অভিযোগ করছেন সাংবাদিকদের কাছে। এর ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ ও পেশাদার মোটরসাইকেল চালকরা। তাদের আক্ষেপ—তেল না পেলে আমাদের গাড়ি চলবে কীভাবে, আর পরিবারই বা বাঁচবে কীভাবে?

‎সরেজমিনে এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পাম্পের কর্মচারীরা সাধারণ গ্রাহকদের সাথে চরম ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন। তেলের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুললে বা সরকারি নিয়মের কথা বললে গালিগালাজ ও মারমুখী আচরণ করা হচ্ছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সাধারণ চালকদের মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

‎পাম্পে চলমান এই অনিয়মের চিত্র ধারণ করতে গেলে সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছে পাম্প সংশ্লিষ্টরা। বেশ কয়েকজন গ্রাহক জানান, অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে ইতোমধ্যে বেশ কিছু গ্রাহক পাম্পের কর্মচারীদের অসদাচরণ ও সিন্ডিকেটের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে।

‎এই পরিস্থিতি নিয়ে পাম্প প্রাঙ্গণে প্রতিনিয়ত চালক ও কর্মচারীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনের এখনই হস্তক্ষেপ করা উচিত। অন্যথায় এই তেল সিন্ডিকেট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে।