সিলেট ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় সভার অনুষ্ঠিত ‎সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক দগ্ধ নবীগঞ্জে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বসার জায়গা নিশ্চিত করলেন পৌর প্রশাসক মো. রুহুল আমিন চুনারুঘাটে ১৫ কিলোমিটার ধাওয়া শেষে জনতার হাতে আটক ডাকাতি মামলার অভিযুক্ত, উদ্ধার প্রাইভেটকার মাদক দমনে পুলিশের বিশেষ উইং চান এমপি নাসের রহমান, তদবিরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি ডিআইজি ‎কনজিউমার রাইটস-ভোক্তা অধিকার (সিআরবি) সিলেট বিভাগীয় কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন‎‎ হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক সুবিপ্রবির উপ উপাচার্য পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার ‎জামালপুরের নবাব রেস্টুরেন্টে মোবাইল কোর্টের অভিযান, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ‎অপপ্রচার ঠেকাতে শান্তিগঞ্জে প্রশাসনের উদ্যোগ, তথ্য যাচাইয়ে জোর
মানুষ মানুষের জন্য.....

মানবিক আবেদন: জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খান

সাংবাদিক বাছিত,পাশে ছবি আহত হওয়ার সময়।



‎কলম ছিল তার একমাত্র শক্তি অন্যায়-
‎অত্যাচারের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশই ছিল তার পেশা ও নেশা। কিন্তু সেই সত্য উচ্চারণের দায়ই আজ তাকে ঠেলে দিয়েছে অসহায় জীবনের কঠিন বাস্তবতায়। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে শারীরিকভাবে অক্ষম সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খান এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

‎মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বাছিত খান দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। ২০২২ সালের ১৩ আগস্ট সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন তিনি।
‎গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পরও স্বাভাবিক জীবনে আর ফেরা হয়নি তার।
‎বর্তমানে তার ডান হাত প্রায় অচল। বাম পায়ে রড এবং বাম হাতে প্লেট সংযোজিত রয়েছে।
‎শারীরিক যন্ত্রণা যেন তার নিত্যসঙ্গী। চিকিৎসকদের মতে, আরও একটি জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার জন্য প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে।
‎কিন্তু ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় করে পরিবারটি নিঃস্বপ্রায়। ধার-দেনা ও মানুষের সহায়তায় এতদিন চিকিৎসা চালানো হলেও এখন আর সেই সামর্থ্য নেই।
‎পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আজ শয্যাশায়ী। মা, ভাই-বোন, স্ত্রী ও সন্তানের মুখে দু’বেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে ব্যয়বহুল চিকিৎসা যেন দুঃস্বপ্ন।
‎সংসারে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা। ছোট সন্তানদের চোখে বাবার সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষা—আর স্ত্রীর চোখে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভয়।

এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকলেও চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের প্রশ্নে এখনই প্রয়োজন মানবিক সহায়তা। সহকর্মী সাংবাদিক ও স্থানীয়রা সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
‎মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একজন নির্যাতিত সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু একটি পরিবারকে বাঁচানো নয়—এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রতীক।
‎সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ:
‎আব্দুল বাছিত খান
‎মোবাইল (বিকাশ/নগদ): ০১৭১৬৪৬১২৭৬
‎মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাসেই হয়তো আবার আলো ফিরতে পারে বাছিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে অভিভাবকদের সাথে মত বিনিময় সভার অনুষ্ঠিত

মানুষ মানুষের জন্য.....

মানবিক আবেদন: জীবনযুদ্ধে লড়ছেন সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খান

সময় ০৩:৪২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সাংবাদিক বাছিত,পাশে ছবি আহত হওয়ার সময়।



‎কলম ছিল তার একমাত্র শক্তি অন্যায়-
‎অত্যাচারের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশই ছিল তার পেশা ও নেশা। কিন্তু সেই সত্য উচ্চারণের দায়ই আজ তাকে ঠেলে দিয়েছে অসহায় জীবনের কঠিন বাস্তবতায়। সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়ে শারীরিকভাবে অক্ষম সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খান এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

‎মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বাছিত খান দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন। ২০২২ সালের ১৩ আগস্ট সন্ত্রাস ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন তিনি।
‎গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসাধীন থাকার পরও স্বাভাবিক জীবনে আর ফেরা হয়নি তার।
‎বর্তমানে তার ডান হাত প্রায় অচল। বাম পায়ে রড এবং বাম হাতে প্লেট সংযোজিত রয়েছে।
‎শারীরিক যন্ত্রণা যেন তার নিত্যসঙ্গী। চিকিৎসকদের মতে, আরও একটি জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন, যার জন্য প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হবে।
‎কিন্তু ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় করে পরিবারটি নিঃস্বপ্রায়। ধার-দেনা ও মানুষের সহায়তায় এতদিন চিকিৎসা চালানো হলেও এখন আর সেই সামর্থ্য নেই।
‎পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আজ শয্যাশায়ী। মা, ভাই-বোন, স্ত্রী ও সন্তানের মুখে দু’বেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে ব্যয়বহুল চিকিৎসা যেন দুঃস্বপ্ন।
‎সংসারে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা। ছোট সন্তানদের চোখে বাবার সুস্থ হয়ে ওঠার অপেক্ষা—আর স্ত্রীর চোখে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের ভয়।

এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকলেও চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের প্রশ্নে এখনই প্রয়োজন মানবিক সহায়তা। সহকর্মী সাংবাদিক ও স্থানীয়রা সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
‎মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একজন নির্যাতিত সাংবাদিকের পাশে দাঁড়ানো মানে শুধু একটি পরিবারকে বাঁচানো নয়—এটি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রতীক।
‎সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ:
‎আব্দুল বাছিত খান
‎মোবাইল (বিকাশ/নগদ): ০১৭১৬৪৬১২৭৬
‎মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাসেই হয়তো আবার আলো ফিরতে পারে বাছিত।