সিলেট ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎মৌলভীবাজারে বিজয় দিবসের ক্রেস্টে বানান বিভ্রাট, দায়িত্বহীনতার চরম অবহেলা!‎



‎
‎মহান বিজয় দিবস-যে দিনটি বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ, রক্ত আর গৌরবের সর্বোচ্চ প্রতীক। সেই দিবসকে ঘিরে আয়োজিত কুচকাওয়াজের প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রেস্টে ধরা পড়েছে চরম দায়িত্বহীনতার দৃষ্টান্ত! রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের স্মারকে এমন বানান বিভ্রাট কেবল লজ্জাজনকই নয়, বরং সংশ্লিষ্টদের পেশাগত অযোগ্যতার প্রশ্নকে সামনে এনে দিয়েছে?
‎
‎ক্রেস্টের নিচের অংশে যেখানে স্পষ্টভাবে “জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার” লেখা থাকার কথা, সেখানে লেখা হয়েছে “জেলা প্রপাসন”-যা কোনো অজানা শব্দ নয়, বরং দায়িত্বপ্রাপ্তদের গাফিলতি ও যাচাইহীনতার সরাসরি প্রমাণ।
‎
‎প্রশ্ন উঠছে-একটি রাষ্ট্রীয় ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে ব্যবহৃত ক্রেস্ট কীভাবে ভাষাগত যাচাই ছাড়াই চূড়ান্ত অনুমোদন পেল? ডিজাইন অনুমোদন, মুদ্রণ ও বিতরণের একাধিক ধাপ থাকার পরও এই ভুল কীভাবে চোখ এড়িয়ে গেল? তবে কি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ভাষা ও মান নিয়ন্ত্রণ বলতে কিছুই নেই?
‎
‎সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই ত্রুটিপূর্ণ ক্রেস্টই প্রদান করা হয়েছে কুচকাওয়াজের প্রথম পুরস্কার হিসেবে। অর্থাৎ এটি কেবল একটি প্রদর্শনযোগ্য সামগ্রী নয়! এটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রদত্ত সম্মাননা। সেখানে এমন ভুল মানে বিজয় দিবসের মর্যাদাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা।
‎
‎এ ভুলকে কি ‘মানবিক ত্রুটি’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে? নাকি এটি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
‎-কর্মচারীদের অবহেলা, উদাসীনতা কিংবা দায়িত্ব পালনে চরম অব্যবস্থাপনার ফল? যদি এমন ত্রুটি একটি জাতীয় দিবসের স্মারকে হয়, তবে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ভুলের মাত্রা কতটা—সে প্রশ্নও স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে।
‎
‎সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি কেবল দুঃখপ্রকাশে সীমাবদ্ধ না রেখে দায় নির্ধারণ জরুরি। কার দায়িত্বে ছিল নকশা অনুমোদন,কে তদারকি করেছেন মুদ্রণ কার্যক্রম, এবং চূড়ান্তভাবে কার স্বাক্ষরে এটি বিতরণ হয়েছে,তা প্রকাশ্যে আনা উচিত।
‎
‎বিজয় দিবস কোনো আনুষ্ঠানিক প্রদর্শন নয়,এটি জাতির চেতনার প্রতীক। সেই চেতনার স্মারকে এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই,দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎মৌলভীবাজারে বিজয় দিবসের ক্রেস্টে বানান বিভ্রাট, দায়িত্বহীনতার চরম অবহেলা!‎

সময় ০৬:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫



‎
‎মহান বিজয় দিবস-যে দিনটি বাঙালি জাতির আত্মত্যাগ, রক্ত আর গৌরবের সর্বোচ্চ প্রতীক। সেই দিবসকে ঘিরে আয়োজিত কুচকাওয়াজের প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রেস্টে ধরা পড়েছে চরম দায়িত্বহীনতার দৃষ্টান্ত! রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের স্মারকে এমন বানান বিভ্রাট কেবল লজ্জাজনকই নয়, বরং সংশ্লিষ্টদের পেশাগত অযোগ্যতার প্রশ্নকে সামনে এনে দিয়েছে?
‎
‎ক্রেস্টের নিচের অংশে যেখানে স্পষ্টভাবে “জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার” লেখা থাকার কথা, সেখানে লেখা হয়েছে “জেলা প্রপাসন”-যা কোনো অজানা শব্দ নয়, বরং দায়িত্বপ্রাপ্তদের গাফিলতি ও যাচাইহীনতার সরাসরি প্রমাণ।
‎
‎প্রশ্ন উঠছে-একটি রাষ্ট্রীয় ও মর্যাদাপূর্ণ আয়োজনে ব্যবহৃত ক্রেস্ট কীভাবে ভাষাগত যাচাই ছাড়াই চূড়ান্ত অনুমোদন পেল? ডিজাইন অনুমোদন, মুদ্রণ ও বিতরণের একাধিক ধাপ থাকার পরও এই ভুল কীভাবে চোখ এড়িয়ে গেল? তবে কি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ভাষা ও মান নিয়ন্ত্রণ বলতে কিছুই নেই?
‎
‎সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই ত্রুটিপূর্ণ ক্রেস্টই প্রদান করা হয়েছে কুচকাওয়াজের প্রথম পুরস্কার হিসেবে। অর্থাৎ এটি কেবল একটি প্রদর্শনযোগ্য সামগ্রী নয়! এটি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রদত্ত সম্মাননা। সেখানে এমন ভুল মানে বিজয় দিবসের মর্যাদাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করা।
‎
‎এ ভুলকে কি ‘মানবিক ত্রুটি’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে? নাকি এটি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
‎-কর্মচারীদের অবহেলা, উদাসীনতা কিংবা দায়িত্ব পালনে চরম অব্যবস্থাপনার ফল? যদি এমন ত্রুটি একটি জাতীয় দিবসের স্মারকে হয়, তবে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজে ভুলের মাত্রা কতটা—সে প্রশ্নও স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে।
‎
‎সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি কেবল দুঃখপ্রকাশে সীমাবদ্ধ না রেখে দায় নির্ধারণ জরুরি। কার দায়িত্বে ছিল নকশা অনুমোদন,কে তদারকি করেছেন মুদ্রণ কার্যক্রম, এবং চূড়ান্তভাবে কার স্বাক্ষরে এটি বিতরণ হয়েছে,তা প্রকাশ্যে আনা উচিত।
‎
‎বিজয় দিবস কোনো আনুষ্ঠানিক প্রদর্শন নয়,এটি জাতির চেতনার প্রতীক। সেই চেতনার স্মারকে এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই,দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।