সিলেট ০১:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ: রণক্ষেত্র, হামলা-ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ‎


‎টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বিএনপি’র দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যাপক হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
‎এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
‎সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করায় মধুপুরের পরিস্থিতি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষ। বিএনপি কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন-কে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী-র সমর্থকরা প্রতিদিন মিছিল-মিটিং করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন।

‎স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বুধবার এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর পূর্ব নির্ধারিত মিছিলে ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের সমর্থকরা আওয়ামী দালালদের সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, দা, লাঠি-সোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।



‎উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে মুহূর্তেই মধুপুর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ সরে যান।
‎ মধুপুর বিএনপি নেতাদের দাবি অনুযায়ী, তাদের পক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং চারজনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
‎আহতদের অন্যান্য স্থানেও চিকিৎসা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

‎হামলার ঘটনার পর এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা মধুপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। এর ফলে সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে।
‎বিক্ষোভকারীরা এসময় বেশ কিছু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এর মধ্যে এশিয়া হাসপাতাল ও কয়েকটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরদিকে ধনবাড়ীতে রাতেই উপজেলা বিএনপি সভাপতি প্রিন্সিপাল এম. আজিজুর রহমানে সভাপতিত্বে একটি প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি সহ অঙ্গ সংগঠনে নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।



‎সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পরপরই সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
‎সংঘর্ষ শেষে এডভোকেট মোহাম্মদ আলী সমর্থকেরা এবং স্থানীয় জনগণ একত্রিত হয়ে ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের লোকজনকে মধুপুর থেকে ধাওয়া দিয়ে বিতাড়িত করেন বলে তারা দাবী করেন।

‎পরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মধুপুরের স্থানীয় জনগণ স্লোগান তুলে দাবি করেন যে, তারা স্থানীয় সন্তান এডভোকেট মোহাম্মদ আলী-কেই তাদের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দেখতে চান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ: রণক্ষেত্র, হামলা-ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ‎

সময় ০৯:০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫


‎টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বিএনপি’র দুই সম্ভাব্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ব্যাপক হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
‎এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
‎সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করায় মধুপুরের পরিস্থিতি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষ। বিএনপি কেন্দ্র থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন-কে সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই স্থানীয় নেতা এডভোকেট মোহাম্মদ আলী-র সমর্থকরা প্রতিদিন মিছিল-মিটিং করে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিলেন।

‎স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বুধবার এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর পূর্ব নির্ধারিত মিছিলে ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের সমর্থকরা আওয়ামী দালালদের সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র, দা, লাঠি-সোটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।



‎উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে মুহূর্তেই মধুপুর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ সরে যান।
‎ মধুপুর বিএনপি নেতাদের দাবি অনুযায়ী, তাদের পক্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং চারজনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
‎আহতদের অন্যান্য স্থানেও চিকিৎসা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

‎হামলার ঘটনার পর এডভোকেট মোহাম্মদ আলীর বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা মধুপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন। এর ফলে সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে।
‎বিক্ষোভকারীরা এসময় বেশ কিছু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এর মধ্যে এশিয়া হাসপাতাল ও কয়েকটি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরদিকে ধনবাড়ীতে রাতেই উপজেলা বিএনপি সভাপতি প্রিন্সিপাল এম. আজিজুর রহমানে সভাপতিত্বে একটি প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি সহ অঙ্গ সংগঠনে নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।



‎সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পরপরই সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
‎সংঘর্ষ শেষে এডভোকেট মোহাম্মদ আলী সমর্থকেরা এবং স্থানীয় জনগণ একত্রিত হয়ে ফকির মাহবুব আনাম স্বপনের লোকজনকে মধুপুর থেকে ধাওয়া দিয়ে বিতাড়িত করেন বলে তারা দাবী করেন।

‎পরে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া মধুপুরের স্থানীয় জনগণ স্লোগান তুলে দাবি করেন যে, তারা স্থানীয় সন্তান এডভোকেট মোহাম্মদ আলী-কেই তাদের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে দেখতে চান।