সিলেট ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২ ‎কোম্পানীগঞ্জে ৬৮ বোতল বিদেশী মদ ও এসকাফ সিরাপ সহ গ্রেফতার ২ ‎টাঙ্গাইলের মধুপুরে বসতঘর থেকে প্রায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার ‎সুন্দর, মানবিক ও আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেইঃ ভিসি প্রফেসর ড. জহিরুল হক‎ মাধবপুরে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫‎ ‘বীরাঙ্গনা মা’ ও ‘যুদ্ধ শিশু’ মেয়ের বাড়িঘর দখল চেষ্টার অভিযোগ চুনারুঘাটে মদ্যপান করে মাকে মারধর করার অভিযোগ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান উপলক্ষে আলোচনা সভা‎ সিলেটে উদ্ধার হওয়া ৫২টি হারানো মোবাইল গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিল এসএমপি ‎সাতছড়ি চাকলাপুঞ্জিতে সিএনজি দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

‎লাখাইয়ে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা: বাড়ছে যানজট ও জনদুর্ভোগ, প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্ন!‎




‎লাখাই উপজেলার কালাউক বাজারে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ নির্মাণের ফলে এলাকায় নিত্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও, বাস্তব চিত্র ভিন্ন—পুরোনো স্থাপনা উচ্ছেদ না করে বরং নতুন করে আরও দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে, যা জনমনে প্রশ্ন তুলেছে।


‎সরেজমিনে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের সড়ক সংলগ্ন সরকারি জমিতে একটি নতুন টিনশেড ঘর বানাচ্ছেন। শুধু এই একটি ঘটনা নয়, এর আশেপাশেও অনেকে একই কায়দায় টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকি টেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত এলাকায় যানজট এখন দৈনন্দিন ঘটনা। বিশেষ করে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে রিকশা, অটোরিকশা এবং টমটমের মতো যানবাহনের কারণে প্রায়ই তীব্র যানজট লেগে থাকে।
‎এর ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা খালের ওপর নির্মাণ করায় বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে চরম অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

‎সংবাদ প্রকাশের পরও সরকারি জায়গা দখল করে নতুন করে আরও একটি দোকান তৈরি করা হয়েছে ভাদিকরা রাস্তার মুখে, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।

‎অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে লাখাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী শারমিন নেওয়াজ জানিয়েছিলেন যে তিনি ট্রেনিং থেকে ফিরে সরেজমিনে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
‎অপরদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস বলেছিলেন, আমি সরজমিনে গিয়ে দেখব। যদি সরকারি জায়গায় হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তা ভেঙে ফেলা হবে।

প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এমন কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস সত্ত্বেও, বাস্তবে অবৈধ স্থাপনাগুলো এখনো উচ্ছেদ করা হয়নি। বরং, অভিযোগ উঠেছে, সরকারি জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের ভূমিকা নেই বললেই চলে যার সুযোগ নিয়ে দখলদাররা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং আরও নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে।

‎জনগণের প্রশ্ন, প্রশাসন কর্তৃক এই বিষয়ে কেন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলো না? একদিকে দুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি সম্পত্তি ক্রমাগত বেদখল হচ্ছে; দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে জনদুর্ভোগ কমানোর দাবি জানিয়েছে লাখাইয়ের সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২

‎লাখাইয়ে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা: বাড়ছে যানজট ও জনদুর্ভোগ, প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্ন!‎

সময় ১০:৩২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫




‎লাখাই উপজেলার কালাউক বাজারে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ নির্মাণের ফলে এলাকায় নিত্য যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেও, বাস্তব চিত্র ভিন্ন—পুরোনো স্থাপনা উচ্ছেদ না করে বরং নতুন করে আরও দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে, যা জনমনে প্রশ্ন তুলেছে।


‎সরেজমিনে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের সড়ক সংলগ্ন সরকারি জমিতে একটি নতুন টিনশেড ঘর বানাচ্ছেন। শুধু এই একটি ঘটনা নয়, এর আশেপাশেও অনেকে একই কায়দায় টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকি টেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত এলাকায় যানজট এখন দৈনন্দিন ঘটনা। বিশেষ করে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে রিকশা, অটোরিকশা এবং টমটমের মতো যানবাহনের কারণে প্রায়ই তীব্র যানজট লেগে থাকে।
‎এর ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা খালের ওপর নির্মাণ করায় বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনে চরম অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

‎সংবাদ প্রকাশের পরও সরকারি জায়গা দখল করে নতুন করে আরও একটি দোকান তৈরি করা হয়েছে ভাদিকরা রাস্তার মুখে, যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।

‎অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে লাখাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী শারমিন নেওয়াজ জানিয়েছিলেন যে তিনি ট্রেনিং থেকে ফিরে সরেজমিনে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
‎অপরদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস বলেছিলেন, আমি সরজমিনে গিয়ে দেখব। যদি সরকারি জায়গায় হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই তা ভেঙে ফেলা হবে।

প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এমন কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস সত্ত্বেও, বাস্তবে অবৈধ স্থাপনাগুলো এখনো উচ্ছেদ করা হয়নি। বরং, অভিযোগ উঠেছে, সরকারি জায়গা উদ্ধারে প্রশাসনের ভূমিকা নেই বললেই চলে যার সুযোগ নিয়ে দখলদাররা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং আরও নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে।

‎জনগণের প্রশ্ন, প্রশাসন কর্তৃক এই বিষয়ে কেন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলো না? একদিকে দুর্ভোগ বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারি সম্পত্তি ক্রমাগত বেদখল হচ্ছে; দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে জনদুর্ভোগ কমানোর দাবি জানিয়েছে লাখাইয়ের সাধারণ মানুষ।