
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১০নং নাজিরাবাদ ইউনিয়নের বরইউরি গ্রামে নববধূ প্রিয়া বেগমের (২২) মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত প্রিয়ার স্বামী ইব্রাহিম মিয়া ও শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার (১ নভেম্বর) রাতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে।।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি মারা যান।
পরে তার স্বামী ইব্রাহিম মিয়া, শাশুড়ি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মরদেহ ফেলে রেখে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান!
নিহত প্রিয়া বেগম সদর উপজেলার বরইউরি গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার স্ত্রী এবং বর্ষিজুড়া এলাকার শাহিন মিয়ার কন্যা। সম্প্রতি তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ চলছিল বলে জানা গেছে।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে প্রিয়া নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন এক হৃদয়স্পর্শী স্ট্যাটাস:“দুনিয়ার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ হলো বিয়ে। ভাগ্য করে সঠিক জীবনসঙ্গী পেলে সব ঠিক, আর না হলে কবর পর্যন্ত সবকিছু মানিয়ে নিতে হয়।”এই স্ট্যাটাসের কিছু সময় পরই ঘটে তার মৃত্যু।
নিহতের বড় ভাই মামুন আহমদ অভিযোগ করে বলেন,আমার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা আগে থেকেই প্রিয়াকে নির্যাতন করতো। এখন হত্যা করে মরদেহ ফেলে পালিয়ে গেছে।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন,এটি হত্যা না আত্মহত্যা—তা ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
আব্দুস সামাদ আজাদ, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি 



















