সিলেট ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে পাঁচ বন্ধুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে বদলাচ্ছে এলাকা‎ বড়লেখায় মাত্র ৯০ টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটি, রডের আঘাতে প্রাণ গেল দর্জির‎ কমরেড সুমন ও কমরেড সুইটের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত: সমাধিতে বাসদ নেতৃবৃন্দের শ্রদ্ধা‎ এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন!  ‎করাব ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা মাহবুব আলম মালু বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ মৌলভীবাজারে পিকআপসহ চারজন আটক, চুরি হওয়া দুই গাভী উদ্ধার ‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান পদ্ম হাতে “তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর” প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা‎ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সম্পাদক কে.এম. লিমনকে গ্রাম পুলিশের সংবর্ধনা

‎বানিয়াচঙ্গের বলাকীপুর গ্রামের সাদেক হত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার‎



‎
‎বানিয়াচংয়ের বলাকীপুর গ্রামের সাদেকুজ্জামান সাদেক হত্যার ঘটনায় বানিয়াচং থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২জনকে গ্রেফতার করেছে।
‎
‎বুধবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) প্রভাষ কুমার সিংহ, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান, সেকেন্ড অফিসার এসআই আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের একটি টীম বিশেষ অভিযান চালিয়ে বলাকীপুর গ্রাম থেকে পালিয়ে যাবার পথে আলালীপুর সুনামপুর কালভার্টের উপর থেকে একই গ্রামের সারাজ মিয়ার স্ত্রী নাঈমা আক্তার এবং মৃত আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়াকে আটক করা হয়।
‎অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
‎
‎উল্লেখ্য, গত বুধবার আপন বড় ভাই পুলিশ কনস্টেবল পালিয়ে বিয়ে করলে মেয়ে পক্ষের লোকজনের আঘাতে প্রাণ যায় ছোট ভাই সাদেকুজ্জামান সাদেক (১৮) এর। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যায় বানিয়াচং উপজেলার বলাকীপুর গ্রামে। জানা যায়, ওই গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিরত এনায়েত আহমেদ এর সাথে একই গ্রামের শারাজ মিয়ার কলেজ পড়ুয়া কন্যা মোছাঃ তাছনিয়া সাথে প্রেম চলছিল।
‎
‎প্রায় দু-মাস পর ছুটি কাটিয়ে যাওয়ার সময় তার সাথে তাছনিয়াও পালিয়ে যায়। তাদের পালিয়ে বিয়ে করার কারনে এনায়েত ও তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তাছনিয়ার পরিবার।
‎
‎বুধবার সন্ধ্যায় এনায়েতের ছোট ভাই কলেজ পড়ুয়া সাদেকুজ্জামান সাদেককে একা পেয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে তাছনিয়ার পরিবারের লোকজন।
‎দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা এনায়েত আহমেদ ও সাদেকুজ্জামান সাদেক।
‎
‎বড় ভাই এনায়েত আহমেদ পুলিশের চাকুরি নেয় ২ বছর আগে। সংসারের টানাপোড়েন দূর হলে সদ্য এসএসসি পাস ছোট ভাই সাদেক স্বপ্ন দেখে ইউরোপ যাওয়ার। ইউরোপের নর্থ মেসোডেনিয়া যাওয়ার কথাবার্তা ও কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে।
‎এরই মধ্যে বড় ভাই পুলিশ সদস্য পালিয়ে বিয়ে করলে ঘাতকদের দৃষ্টি পরে ছোট ভাই সাদেকের উপর। শেষ পর্যন্ত ঘাতকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে শেষ করে দেয় সাদেকুজ্জামান সাদেক এর স্বপ্ন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে পাঁচ বন্ধুর ব্যতিক্রমী উদ্যোগে বদলাচ্ছে এলাকা‎

‎বানিয়াচঙ্গের বলাকীপুর গ্রামের সাদেক হত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রেফতার‎

সময় ০৯:৫৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫



‎
‎বানিয়াচংয়ের বলাকীপুর গ্রামের সাদেকুজ্জামান সাদেক হত্যার ঘটনায় বানিয়াচং থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২জনকে গ্রেফতার করেছে।
‎
‎বুধবার রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বানিয়াচং সার্কেল) প্রভাষ কুমার সিংহ, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান, সেকেন্ড অফিসার এসআই আমিনুল ইসলামসহ পুলিশের একটি টীম বিশেষ অভিযান চালিয়ে বলাকীপুর গ্রাম থেকে পালিয়ে যাবার পথে আলালীপুর সুনামপুর কালভার্টের উপর থেকে একই গ্রামের সারাজ মিয়ার স্ত্রী নাঈমা আক্তার এবং মৃত আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে মোঃ জুয়েল মিয়াকে আটক করা হয়।
‎অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।
‎
‎উল্লেখ্য, গত বুধবার আপন বড় ভাই পুলিশ কনস্টেবল পালিয়ে বিয়ে করলে মেয়ে পক্ষের লোকজনের আঘাতে প্রাণ যায় ছোট ভাই সাদেকুজ্জামান সাদেক (১৮) এর। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যায় বানিয়াচং উপজেলার বলাকীপুর গ্রামে। জানা যায়, ওই গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরিরত এনায়েত আহমেদ এর সাথে একই গ্রামের শারাজ মিয়ার কলেজ পড়ুয়া কন্যা মোছাঃ তাছনিয়া সাথে প্রেম চলছিল।
‎
‎প্রায় দু-মাস পর ছুটি কাটিয়ে যাওয়ার সময় তার সাথে তাছনিয়াও পালিয়ে যায়। তাদের পালিয়ে বিয়ে করার কারনে এনায়েত ও তার পরিবারের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তাছনিয়ার পরিবার।
‎
‎বুধবার সন্ধ্যায় এনায়েতের ছোট ভাই কলেজ পড়ুয়া সাদেকুজ্জামান সাদেককে একা পেয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে তাছনিয়ার পরিবারের লোকজন।
‎দরিদ্র পরিবার থেকে বেড়ে উঠা এনায়েত আহমেদ ও সাদেকুজ্জামান সাদেক।
‎
‎বড় ভাই এনায়েত আহমেদ পুলিশের চাকুরি নেয় ২ বছর আগে। সংসারের টানাপোড়েন দূর হলে সদ্য এসএসসি পাস ছোট ভাই সাদেক স্বপ্ন দেখে ইউরোপ যাওয়ার। ইউরোপের নর্থ মেসোডেনিয়া যাওয়ার কথাবার্তা ও কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে।
‎এরই মধ্যে বড় ভাই পুলিশ সদস্য পালিয়ে বিয়ে করলে ঘাতকদের দৃষ্টি পরে ছোট ভাই সাদেকের উপর। শেষ পর্যন্ত ঘাতকরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে শেষ করে দেয় সাদেকুজ্জামান সাদেক এর স্বপ্ন।