সিলেট ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
লাখাইয়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও ৬ লাখ টাকা জব্দ, আটক ১ হবিগঞ্জে ‎ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক বিয়ানীবাজারে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ‎শান্তিগঞ্জে কাভার ভ্যানের চাপায় পিষ্ট হয়ে শিশু নিহত ‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ‎মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে ভিডিও ধারণ নিয়ে  সংঘর্ষ, আহত ৩০ বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

‎শিক্ষার আয়নায় এক নিঃশব্দ সত্য:

  • মতামত
  • সময় ১০:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 341

রুহুল আমিন



এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট শিটটা হয়তো অনেকে দেখেছেন — কারো কলেজে পাশের হার ৮৬%, কারো ১৪%, কারো ২৭%…

‎সংখ্যাগুলো আলাদা, কিন্তু এর ভেতরের বাস্তবতা একটাই — আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে “বোঝা” নয়, “নম্বর তোলা”য় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।


‎আমি নিশ্চিতভাবে বলি — যদি শিক্ষকরা প্রতিটা লাইন পড়ে, বুঝে, যথাযথভাবে নম্বর দেন, তাহলে পাশের হার ৩০% এর বেশি হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

‎এটা কোনো তত্ত্ব নয়, আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা।


‎অনেক শিক্ষার্থী এখন লেখে ‘পাশ করার জন্য’, শেখার জন্য নয়। উত্তরপত্রের প্রতিটি লাইন যদি মনোযোগ দিয়ে বিচার করা হয়, তাহলে আমরা সত্যিকারের চিত্রটা দেখতে পাব — এবং হয়তো সেই চিত্র খুব সুন্দর নাও হতে পারে।


‎আমরা সংখ্যার খেলায় জিতছি, কিন্তু মানের যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি।

‎পাশের হার যতই বাড়ুক, শিক্ষার মান ততই কমছে — এটিই আজকের নির্মম বাস্তবতা।


‎একদিন যদি শিক্ষকরা বিবেক দিয়ে, নিয়ম মেনে মূল্যায়ন করেন, আর শিক্ষার্থীরা শেখার আনন্দে ফিরে আসে—

‎তাহলে হয়তো পাশের হার কমবে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়বে।

‎আর সেদিনই আমরা সত্যিকারের ‘শিক্ষিত সমাজ’-এর দিকে এগোবো।

লেখক- শিক্ষক ও সমাজকর্মী

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ও ৬ লাখ টাকা জব্দ, আটক ১

‎শিক্ষার আয়নায় এক নিঃশব্দ সত্য:

সময় ১০:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

রুহুল আমিন



এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট শিটটা হয়তো অনেকে দেখেছেন — কারো কলেজে পাশের হার ৮৬%, কারো ১৪%, কারো ২৭%…

‎সংখ্যাগুলো আলাদা, কিন্তু এর ভেতরের বাস্তবতা একটাই — আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে “বোঝা” নয়, “নম্বর তোলা”য় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।


‎আমি নিশ্চিতভাবে বলি — যদি শিক্ষকরা প্রতিটা লাইন পড়ে, বুঝে, যথাযথভাবে নম্বর দেন, তাহলে পাশের হার ৩০% এর বেশি হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

‎এটা কোনো তত্ত্ব নয়, আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা।


‎অনেক শিক্ষার্থী এখন লেখে ‘পাশ করার জন্য’, শেখার জন্য নয়। উত্তরপত্রের প্রতিটি লাইন যদি মনোযোগ দিয়ে বিচার করা হয়, তাহলে আমরা সত্যিকারের চিত্রটা দেখতে পাব — এবং হয়তো সেই চিত্র খুব সুন্দর নাও হতে পারে।


‎আমরা সংখ্যার খেলায় জিতছি, কিন্তু মানের যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি।

‎পাশের হার যতই বাড়ুক, শিক্ষার মান ততই কমছে — এটিই আজকের নির্মম বাস্তবতা।


‎একদিন যদি শিক্ষকরা বিবেক দিয়ে, নিয়ম মেনে মূল্যায়ন করেন, আর শিক্ষার্থীরা শেখার আনন্দে ফিরে আসে—

‎তাহলে হয়তো পাশের হার কমবে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়বে।

‎আর সেদিনই আমরা সত্যিকারের ‘শিক্ষিত সমাজ’-এর দিকে এগোবো।

লেখক- শিক্ষক ও সমাজকর্মী