সিলেট ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব। হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত কয়েকজন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা পাতন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন ‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি

‎শিক্ষার আয়নায় এক নিঃশব্দ সত্য:

  • মতামত
  • সময় ১০:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • 361

রুহুল আমিন



এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট শিটটা হয়তো অনেকে দেখেছেন — কারো কলেজে পাশের হার ৮৬%, কারো ১৪%, কারো ২৭%…

‎সংখ্যাগুলো আলাদা, কিন্তু এর ভেতরের বাস্তবতা একটাই — আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে “বোঝা” নয়, “নম্বর তোলা”য় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।


‎আমি নিশ্চিতভাবে বলি — যদি শিক্ষকরা প্রতিটা লাইন পড়ে, বুঝে, যথাযথভাবে নম্বর দেন, তাহলে পাশের হার ৩০% এর বেশি হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

‎এটা কোনো তত্ত্ব নয়, আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা।


‎অনেক শিক্ষার্থী এখন লেখে ‘পাশ করার জন্য’, শেখার জন্য নয়। উত্তরপত্রের প্রতিটি লাইন যদি মনোযোগ দিয়ে বিচার করা হয়, তাহলে আমরা সত্যিকারের চিত্রটা দেখতে পাব — এবং হয়তো সেই চিত্র খুব সুন্দর নাও হতে পারে।


‎আমরা সংখ্যার খেলায় জিতছি, কিন্তু মানের যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি।

‎পাশের হার যতই বাড়ুক, শিক্ষার মান ততই কমছে — এটিই আজকের নির্মম বাস্তবতা।


‎একদিন যদি শিক্ষকরা বিবেক দিয়ে, নিয়ম মেনে মূল্যায়ন করেন, আর শিক্ষার্থীরা শেখার আনন্দে ফিরে আসে—

‎তাহলে হয়তো পাশের হার কমবে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়বে।

‎আর সেদিনই আমরা সত্যিকারের ‘শিক্ষিত সমাজ’-এর দিকে এগোবো।

লেখক- শিক্ষক ও সমাজকর্মী

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

‎শিক্ষার আয়নায় এক নিঃশব্দ সত্য:

সময় ১০:৪২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

রুহুল আমিন



এইচএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট শিটটা হয়তো অনেকে দেখেছেন — কারো কলেজে পাশের হার ৮৬%, কারো ১৪%, কারো ২৭%…

‎সংখ্যাগুলো আলাদা, কিন্তু এর ভেতরের বাস্তবতা একটাই — আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা ধীরে ধীরে “বোঝা” নয়, “নম্বর তোলা”য় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।


‎আমি নিশ্চিতভাবে বলি — যদি শিক্ষকরা প্রতিটা লাইন পড়ে, বুঝে, যথাযথভাবে নম্বর দেন, তাহলে পাশের হার ৩০% এর বেশি হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

‎এটা কোনো তত্ত্ব নয়, আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা।


‎অনেক শিক্ষার্থী এখন লেখে ‘পাশ করার জন্য’, শেখার জন্য নয়। উত্তরপত্রের প্রতিটি লাইন যদি মনোযোগ দিয়ে বিচার করা হয়, তাহলে আমরা সত্যিকারের চিত্রটা দেখতে পাব — এবং হয়তো সেই চিত্র খুব সুন্দর নাও হতে পারে।


‎আমরা সংখ্যার খেলায় জিতছি, কিন্তু মানের যুদ্ধে হেরে যাচ্ছি।

‎পাশের হার যতই বাড়ুক, শিক্ষার মান ততই কমছে — এটিই আজকের নির্মম বাস্তবতা।


‎একদিন যদি শিক্ষকরা বিবেক দিয়ে, নিয়ম মেনে মূল্যায়ন করেন, আর শিক্ষার্থীরা শেখার আনন্দে ফিরে আসে—

‎তাহলে হয়তো পাশের হার কমবে, কিন্তু শিক্ষার মান বাড়বে।

‎আর সেদিনই আমরা সত্যিকারের ‘শিক্ষিত সমাজ’-এর দিকে এগোবো।

লেখক- শিক্ষক ও সমাজকর্মী