সিলেট ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব। হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ, সারজিসসহ আহত কয়েকজন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দলিল নেই, তবুও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমিদাতা পাতন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সম্মাননা ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন ‎সিলেটে হাইড্রোলিক হর্ন ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনে ১০ গাড়ির মালিককে জরিমানা নবীগঞ্জে আম গাছে থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার‎ ‘নেলসন ম্যান্ডেলা পিস অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেলেন কাজী মোহাম্মদ জমিরুল ইসলাম মমতাজ‎ ‎৪৫০ শিক্ষার্থীর একমাত্র ভরসা গুচ্ছগ্রাম বিদ্যালয়; পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস গ্রাম পুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও চাকরি জাতীয়করণের দাবি

‎বৈষম্যের শিকার হচ্ছি অভিযোগ এনসিপি নেত্রীর‎

ছবি- এনসিপি নেত্রী ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া।



‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রম থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেত্রী ও উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আছমা আক্তার চৌধুরীকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

‎১৩ অক্টোবর সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আছমা আক্তার চৌধুরী লেখেন, “সরকারি বেসরকারি সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত মাধবপুর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি! কার হাতে বন্দি উপজেলা প্রশাসন!”

‎এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকে মন্তব্যে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মত দেন।

‎এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টির হবিগঞ্জ জেলা কমিটি থেকেও ইউএনওকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমাদের কমিটিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও উপজেলা পর্যায়ে আমাদের কেউ কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় ডাকা হয় না। এটি রাজনৈতিক বৈষম্যের শামিল।”

‎তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করার এবং বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে। আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “আমরা যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নতুন সরকার এনেছি, আজ নিজেদেরই বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। এটা শুধু আমার প্রতি নয়, পুরো দলের প্রতি অবিচার।”

‎এ প্রসঙ্গে মাধবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) জাহিদ বিন কাসেম জানান,“এনসিপির প্রতিনিধিরা সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। কাউকে বাদ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা বা উদ্দেশ্য প্রশাসনের নেই। যদি কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তা যাচাই করে সমাধান করা হবে।”

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের সহযোগী দলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কখনও কখনও তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি বা যোগাযোগ সংকট তৈরি হয়, যা ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দেয়। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হিসেবে দলটিকে সরকারের সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।

‎এদিকে, আছমা আক্তার চৌধুরীর পোস্টটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে মন্তব্যে তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের প্রতি ন্যায্য আচরণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

‎বৈষম্যের শিকার হচ্ছি অভিযোগ এনসিপি নেত্রীর‎

সময় ১১:১৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

ছবি- এনসিপি নেত্রী ফেসবুক ওয়াল থেকে নেয়া।



‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রম থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেত্রী ও উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আছমা আক্তার চৌধুরীকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

‎১৩ অক্টোবর সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আছমা আক্তার চৌধুরী লেখেন, “সরকারি বেসরকারি সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত মাধবপুর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি! কার হাতে বন্দি উপজেলা প্রশাসন!”

‎এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকে মন্তব্যে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মত দেন।

‎এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টির হবিগঞ্জ জেলা কমিটি থেকেও ইউএনওকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমাদের কমিটিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও উপজেলা পর্যায়ে আমাদের কেউ কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় ডাকা হয় না। এটি রাজনৈতিক বৈষম্যের শামিল।”

‎তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করার এবং বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে। আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “আমরা যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নতুন সরকার এনেছি, আজ নিজেদেরই বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। এটা শুধু আমার প্রতি নয়, পুরো দলের প্রতি অবিচার।”

‎এ প্রসঙ্গে মাধবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) জাহিদ বিন কাসেম জানান,“এনসিপির প্রতিনিধিরা সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। কাউকে বাদ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা বা উদ্দেশ্য প্রশাসনের নেই। যদি কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তা যাচাই করে সমাধান করা হবে।”

‎স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের সহযোগী দলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কখনও কখনও তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি বা যোগাযোগ সংকট তৈরি হয়, যা ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দেয়। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হিসেবে দলটিকে সরকারের সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।

‎এদিকে, আছমা আক্তার চৌধুরীর পোস্টটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে মন্তব্যে তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের প্রতি ন্যায্য আচরণের দাবি জানিয়েছেন।