সিলেট ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
News Title :
লাখাইয়ে  আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জে কলেজছাত্রী অচেতন অবস্থায় উদ্ধার, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে চান সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান দক্ষিণ সুরমায় ঝোঁপের ভেতর মিলল পুলিশের লুন্ঠিত ৩টি টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড ‎বালাগঞ্জে ২ কোটির ড্রেন নির্মাণ কাজ বন্ধ করলেন ইউএনও ও প্রকৌশলী: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে একযোগে কাজ করার আহ্বান: সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা.মাহবুবুল আলম ‎জামালপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ৬৭টি চায়না দুয়ারি ও ১২টি কারেন্ট জাল ধ্বংস, জরিমানা হবিগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর ধানক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ‎লাখাইর বুল্লাবাজার এ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান।‎ ৯৯৯-এ কলের পর হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০ পর্যটককে উদ্ধার করল পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস

‎সিলেটে বিএনপির সংরক্ষিত আসনে শাম্মী ও জহরত আদিবের চমক


‎সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘিরে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সিলেটে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করেছেন দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার এবং নতুন মুখ ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

‎সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। দুই দিনব্যাপী ম্যারাথন সাক্ষাৎকার ও চুলচেরা বিশ্লেষণের পর জাতীয় স্থায়ী কমিটি এই তালিকা চূড়ান্ত করে।

‎দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পুরস্কার পেলেন শাম্মী আক্তার। তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসন থেকে সরাসরি নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তখন মনোনয়ন না পেলেও দলের প্রতি আনুগত্য ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এবার তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বেছে নিয়েছে হাইকমান্ড।

‎সিলেটের মনোনয়নে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। প্রয়াত প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর এই যোগ্য উত্তরসূরি প্রথমবারের মতো সক্রিয় রাজনীতিতে বড় সুযোগ পেলেন। পেশাগত জীবনে তিনি নামী টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শিক্ষিত ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তার অন্তর্ভুক্তি সিলেটে দলের ভাবমূর্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন তৃণমূল কর্মীরা।

‎সিলেট বিভাগ থেকে এবারের মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন একঝাঁক পরিচিত মুখ। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় ছিলেন:তাহসিন শারমিন তামান্না, ফাহিমা আহাদ কুমকুম, ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, সৈয়দা আদিবা হোসেন, ছাবিনা খান, ছালমা আক্তার, নিহার সুলতানা তিথী, বীথিকা বিনতে হোসাইন। অ্যাডভোকেট তহমীনা আক্তার হাসেমী, অ্যাডভোকেট মুন্নী খানম ও মুনমুন তালুকদার।

‎তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত তারা জায়গা করে নিতে না পারলেও দল ও এলাকার উন্নয়নে শাম্মী ও জহরতের মনোনয়নকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে  আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। 

‎সিলেটে বিএনপির সংরক্ষিত আসনে শাম্মী ও জহরত আদিবের চমক

সময় ০৯:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬


‎সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ঘিরে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সিলেটে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করেছেন দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার এবং নতুন মুখ ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

‎সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৬ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। দুই দিনব্যাপী ম্যারাথন সাক্ষাৎকার ও চুলচেরা বিশ্লেষণের পর জাতীয় স্থায়ী কমিটি এই তালিকা চূড়ান্ত করে।

‎দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের পুরস্কার পেলেন শাম্মী আক্তার। তিনি বর্তমানে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসন থেকে সরাসরি নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তখন মনোনয়ন না পেলেও দলের প্রতি আনুগত্য ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে এবার তাকে সংসদ সদস্য হিসেবে বেছে নিয়েছে হাইকমান্ড।

‎সিলেটের মনোনয়নে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী। প্রয়াত প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর এই যোগ্য উত্তরসূরি প্রথমবারের মতো সক্রিয় রাজনীতিতে বড় সুযোগ পেলেন। পেশাগত জীবনে তিনি নামী টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। শিক্ষিত ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে তার অন্তর্ভুক্তি সিলেটে দলের ভাবমূর্তিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন তৃণমূল কর্মীরা।

‎সিলেট বিভাগ থেকে এবারের মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন একঝাঁক পরিচিত মুখ। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় ছিলেন:তাহসিন শারমিন তামান্না, ফাহিমা আহাদ কুমকুম, ব্যারিস্টার সামিরা তানজিন চৌধুরী, সৈয়দা আদিবা হোসেন, ছাবিনা খান, ছালমা আক্তার, নিহার সুলতানা তিথী, বীথিকা বিনতে হোসাইন। অ্যাডভোকেট তহমীনা আক্তার হাসেমী, অ্যাডভোকেট মুন্নী খানম ও মুনমুন তালুকদার।

‎তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত তারা জায়গা করে নিতে না পারলেও দল ও এলাকার উন্নয়নে শাম্মী ও জহরতের মনোনয়নকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।