
টাঙ্গাইল জেলার লৌহজং নদীর উদ্ধার ও সংস্কার প্রকল্পকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে টাঙ্গাইলে সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ সাজিদ পিয়ালকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে হুমকি, অপপ্রচার এবং নানা প্রকার ভয়ভীতি প্রদর্শন করা অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদীর পাড়ের কাজ দেখিয়ে আঁকুর টাকুর পাড়া, মুসলিম পাড়া হাউজিং এরিয়া সহ কিছু এলাকায় একটি দালাল ও ভূমিদস্যু চক্র বৈধ ভূমি দখল এবং সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয় জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করছিল। সাংবাদিক সাজিদ পিয়াল এই অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করলে তারা তাকে টার্গেট করে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর ছবি, এআই ব্যবহার করে অপপ্রচার এবং অকথ্য মন্তব্য ছড়িয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এছাড়াও, ফেসবুকে প্রকাশিত ভাঙচুরের ভিডিও এবং আইডি ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনাও ঘটেছে। এই ধরনের কৌশল স্থানীয় এবং জাতীয়ভাবে সাংবাদিকতা ও স্বাধীন সংবাদ পরিবেশের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা এবং সাংবাদিক সমিতি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সাজিদ পিয়াল বলেন, সত্য প্রকাশই সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু এমন হুমকি ও অপপ্রচারের মাধ্যমে সমাজে সত্য প্রকাশের পথে বাধা সৃষ্টি করা হলে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ক্ষুণ্ণ হয়। চাঁদাবাজ এবং দালালদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে সাংবাদিক হয়ে যায় হলুদ,হয়ে যায় ভুয়া,এবং হয়ে যায় মেরুদণ্ডহীন,এর উত্তর কে দিবে? গণমাধ্যম কর্মীদের নিরাপত্তা এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সত্যকে প্রতিষ্ঠা করা এটি কি শুধু নিজের দায়িত্ব নাকি পুরো দেশের জনগণের দায়িত্ব! এর উত্তর আমাদের কারোরই জানা নেই। সাংবাদিকের কলমকে ভয় ভীতি দ্বারা দমন করা যায় না। এ ধরনের ঘটনা দেশে গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের বিশ্বাসকে ক্ষুন্ন করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা না হলে সমাজের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বচ্ছ প্রশাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি 

















