সিলেট ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশের অন্যতম অঞ্চল হচ্ছে সিলেটঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস পালন, ছিলনা এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মসূচি ‎গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে আটক, ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত মাহদীসহ তিনজন ‎নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ‎ছাতকে মোবাইল কোর্ট: চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা, পচা মাংস জব্দ জুড়ীতে হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎

‎শান্তিগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিততে বাঁধ কাটালেন দেখার হাওরের কৃষকরা‎




‎সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে উথারিয়া ফসল রক্ষা বাঁধ জেলা প্রশাসন সহ উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে  বাঁধা কাটার অনুমতি পেয়ে বাঁধা কাটলেন কৃষকেরা।

‎রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে হাওর পরিদর্শনে গিয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নূরুল ইসলাম নুরুল এবং জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া কৃষকদের দাবির মুখে উথারিয়া বাঁধ কেটে হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দেখার হাওরের পানি মহাসিং নদীতে নিষ্কাশনের মৌখিক অনুমোদন দেন।

‎জানা যায়, দেখার হাওরের সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও পানি নিষ্কাশনের অভাবে হাওরের বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে অনেক কৃষকের ফসল তলিয়ে গেছে। অনেকেই পাকা হওয়ার আগেই কাঁচা ধান কেটে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর আগে, গত ১১ এপ্রিল পানির চাপে হাওরের মেলানী কিত্তায় গুজাউনী বাঁধ ভেঙে নদী, খাল ও ডুবরার পানি ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে উথারিয়া বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক উথারিয়া বাঁধে পৌঁছানোর আগেই আস্তমা, আসামপুর, কামরুপদলং সহ, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর, দরিয়াবাজ সহ দুই উপজেলার হাওর পাড় এলাকা থেকে শতাধিক কৃষক সেখানে জড়ো হন। এ সময় প্রবল বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করেই তারা পরিদর্শন কার্যক্রম চালিয়ে যান।
‎পরিদর্শন কালে কিছু কৃষক বাঁধ কাটার অনুমতি দিতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ফলে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে কোথায় বাঁধ কাটা হবে তা নির্ধারণ করে দেন। যদিও কিছু কৃষক নির্ধারিত স্থান নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার,শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ, নাদির আহমদ, আবদুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎শান্তিগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিততে বাঁধ কাটালেন দেখার হাওরের কৃষকরা‎

সময় ০৯:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬




‎সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে উথারিয়া ফসল রক্ষা বাঁধ জেলা প্রশাসন সহ উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে  বাঁধা কাটার অনুমতি পেয়ে বাঁধা কাটলেন কৃষকেরা।

‎রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে হাওর পরিদর্শনে গিয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নূরুল ইসলাম নুরুল এবং জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া কৃষকদের দাবির মুখে উথারিয়া বাঁধ কেটে হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দেখার হাওরের পানি মহাসিং নদীতে নিষ্কাশনের মৌখিক অনুমোদন দেন।

‎জানা যায়, দেখার হাওরের সুনামগঞ্জ সদর, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও পানি নিষ্কাশনের অভাবে হাওরের বিভিন্ন অংশে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে অনেক কৃষকের ফসল তলিয়ে গেছে। অনেকেই পাকা হওয়ার আগেই কাঁচা ধান কেটে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর আগে, গত ১১ এপ্রিল পানির চাপে হাওরের মেলানী কিত্তায় গুজাউনী বাঁধ ভেঙে নদী, খাল ও ডুবরার পানি ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে। এতে পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে উথারিয়া বাঁধ কেটে পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক উথারিয়া বাঁধে পৌঁছানোর আগেই আস্তমা, আসামপুর, কামরুপদলং সহ, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর, দরিয়াবাজ সহ দুই উপজেলার হাওর পাড় এলাকা থেকে শতাধিক কৃষক সেখানে জড়ো হন। এ সময় প্রবল বৃষ্টি ও ঝড় উপেক্ষা করেই তারা পরিদর্শন কার্যক্রম চালিয়ে যান।
‎পরিদর্শন কালে কিছু কৃষক বাঁধ কাটার অনুমতি দিতে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ফলে সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে কোথায় বাঁধ কাটা হবে তা নির্ধারণ করে দেন। যদিও কিছু কৃষক নির্ধারিত স্থান নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন, সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন হাওলাদার,শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ শাহজাহান, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ, নাদির আহমদ, আবদুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।