সিলেট ১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশের অন্যতম অঞ্চল হচ্ছে সিলেটঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস পালন, ছিলনা এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মসূচি ‎গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে আটক, ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত মাহদীসহ তিনজন ‎নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ‎ছাতকে মোবাইল কোর্ট: চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা, পচা মাংস জব্দ জুড়ীতে হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎

‎মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক পরিকল্পনার স্মৃতি, পালিত হলো তেলিয়াপাড়া দিবস

বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।





‎মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস শনিবার (৪ এপ্রিল) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।
‎১৯৭১ সালের এই দিনে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোতে সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

‎দিবসটি উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে সকাল ১১টায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়।পরে দুপুরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠিত কার্যক্রমের সূচনা হয়। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এখান থেকেই দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
‎তিনি আরও বলেন, সে সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি থাকায় তাঁর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।



‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হোসেন জীবন, চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ প্রমুখ।

‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।

‎উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক পরিকল্পনার স্মৃতি, পালিত হলো তেলিয়াপাড়া দিবস

সময় ০২:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
বক্তব্য রাখছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি।





‎মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত হবিগঞ্জের ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস শনিবার (৪ এপ্রিল) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে।
‎১৯৭১ সালের এই দিনে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোতে সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

‎দিবসটি উপলক্ষে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে সকাল ১১টায় পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা হয়।পরে দুপুরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সংগঠিত কার্যক্রমের সূচনা হয়। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর নেতৃত্বে যুদ্ধ পরিচালিত হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এখান থেকেই দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
‎তিনি আরও বলেন, সে সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি থাকায় তাঁর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়নি। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।



‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হোসেন জীবন, চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ এবং পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ প্রমুখ।

‎অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।

‎উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া চা বাগানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।