সিলেট ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

‎নাগরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার


‎

‎
‎নাগরপুর উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোরিকশা ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায় এক মাদক কারবারি।
‎
‎র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে নাগরপুর থানাধীন মামুদ নগর চারাবাগ এলাকায় একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালেসন্দেহভাজন একটি অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হলে চালক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
‎
‎পরবর্তীতে স্থানীয়সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে পলাতক অটোচালকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি হলেন মোঃ আমির হোসেন (৪৮), যার বাড়ি নাগরপুর থানার অন্তর্গত এলাকায়।
‎র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অটোরিকশা টি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ১৬ (ষোল) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃতমাদকদ্রব্যগুলো স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।
‎
‎র‍্যাব জানায়,মাদককারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পরিবহন করে থাকে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের ফলে এসব তৎপরতা ক্রমেই ব্যাহত হচ্ছে।এ ঘটনায় পলাতক মাদককারবারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
‎পাশাপাশি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎
‎র‍্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

‎নাগরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

সময় ০৯:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬


‎

‎
‎নাগরপুর উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোরিকশা ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায় এক মাদক কারবারি।
‎
‎র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে নাগরপুর থানাধীন মামুদ নগর চারাবাগ এলাকায় একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালেসন্দেহভাজন একটি অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হলে চালক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
‎
‎পরবর্তীতে স্থানীয়সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে পলাতক অটোচালকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি হলেন মোঃ আমির হোসেন (৪৮), যার বাড়ি নাগরপুর থানার অন্তর্গত এলাকায়।
‎র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অটোরিকশা টি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ১৬ (ষোল) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃতমাদকদ্রব্যগুলো স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।
‎
‎র‍্যাব জানায়,মাদককারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পরিবহন করে থাকে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের ফলে এসব তৎপরতা ক্রমেই ব্যাহত হচ্ছে।এ ঘটনায় পলাতক মাদককারবারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
‎পাশাপাশি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎
‎র‍্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।