সিলেট ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে রাস্তা উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি নিলুফার চৌধুরী মণি ‎টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ১২৫ বোতল এসকাফ সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ‎জামালপুরে রাস্তার দুই পাশে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ, অংশ নিলেন ড. নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি।‎ শান্তিগঞ্জের চন্দপুর গ্রামের সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন ‎ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ মির্জাপুরে এইচএসসি কেন্দ্রের দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ‎ফেঞ্চুগঞ্জে সর্বস্তরের মুসলিম জনতার বিক্ষোভ মিছিল: মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি ‎শেরপুরের গজনী অবকাশে ‘ডিজিএসএস’ এর শিক্ষা সফর ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত পাকা নিজস্ব ভবনে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের অনানুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু : অচিরেই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ‎লাখাইয়ে কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুর বিতরনী অনুষ্ঠিত। ‎বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে  ফিরে গেল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা

‎নাগরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার





‎নাগরপুর উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোরিকশা ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায় এক মাদক কারবারি।

‎র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে নাগরপুর থানাধীন মামুদ নগর চারাবাগ এলাকায় একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালেসন্দেহভাজন একটি অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হলে চালক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।

‎পরবর্তীতে স্থানীয়সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে পলাতক অটোচালকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি হলেন মোঃ আমির হোসেন (৪৮), যার বাড়ি নাগরপুর থানার অন্তর্গত এলাকায়।
‎র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অটোরিকশা টি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ১৬ (ষোল) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃতমাদকদ্রব্যগুলো স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

‎র‍্যাব জানায়,মাদককারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পরিবহন করে থাকে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের ফলে এসব তৎপরতা ক্রমেই ব্যাহত হচ্ছে।এ ঘটনায় পলাতক মাদককারবারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
‎পাশাপাশি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎জামালপুরে রাস্তা উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি নিলুফার চৌধুরী মণি

‎নাগরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

সময় ০৯:২৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬





‎নাগরপুর উপজেলায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৪ এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অটোরিকশা ফেলে কৌশলে পালিয়ে যায় এক মাদক কারবারি।

‎র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১ এপ্রিল দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে নাগরপুর থানাধীন মামুদ নগর চারাবাগ এলাকায় একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালেসন্দেহভাজন একটি অটোরিকশাকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করা হলে চালক পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।

‎পরবর্তীতে স্থানীয়সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদে পলাতক অটোচালকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি হলেন মোঃ আমির হোসেন (৪৮), যার বাড়ি নাগরপুর থানার অন্তর্গত এলাকায়।
‎র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া অটোরিকশা টি তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় মোট ১৬ (ষোল) কেজি অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃতমাদকদ্রব্যগুলো স্থানীয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

‎র‍্যাব জানায়,মাদককারবারিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতিতে মাদক পরিবহন করে থাকে। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত অভিযানের ফলে এসব তৎপরতা ক্রমেই ব্যাহত হচ্ছে।এ ঘটনায় পলাতক মাদককারবারির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
‎পাশাপাশি উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৪ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।