সিলেট ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎বিয়ানীবাজার থেকে ৩ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রী উধাও টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ৯৬৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার এতিমখানার নামে চাঁদাবাজি: বানিয়াচংয়ে জনতার হাতে ধরা ‘টিকটকার’ ভণ্ড প্রতারক! বানিয়াচংয়ে ভাতিজার হাতে চাচা খুন: মামলায় স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন ‎সিলেটে চাকরির প্রলোভনে ভারতে পাচারের চেষ্টা: দালাল চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার ‎জুড়ীতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচী বাস্তবায়নে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জুড়ীতে হাম-রুবেলার টিকাদান শুরু ‎শান্তিগঞ্জে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ‎টাঙ্গাইলে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ‎সংগ্রাম থেকে সংসদে—সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হচ্ছেন শাম্মী আক্তার

‎মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: মধুপুরের তরুণ নিশোর অদম্য পথচলা

হাবিব নিশোর জীবন (ফাইল ছবি)


‎”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?”—ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী এই গানের কথাগুলো যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের তরুণ যুবক হাবিব নিশোর জীবনে।

‎কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে এলাকায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, হাবিব নিশো শুধু আউশনারা ইউনিয়নের নিজ ওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ নন, পুরো ইউনিয়নের মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে যান। তাকে সবসময় কাছে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তার কাজের পরিধিও বেশ বিচিত্র এবং প্রশংসনীয়।

‎নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো তিনি প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল কেটে পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি গাছে চড়ে ডালপালা ছাঁটাই করা এবং রাস্তার ধারের অপরিচ্ছন্ন সাইনবোর্ডগুলো পরিষ্কার করতেও তাকে দেখা যায়।

‎এলাকার মানুষের অভিমত, হাবিব নিশো যেকোনো সমস্যায় নিজের সাধ্যমতো উপকার করার চেষ্টা করেন। তার কাজে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই। মানুষের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন,আজকালকার তরুণরা যখন বিভিন্ন নেশা বা আড্ডায় মগ্ন থাকে, তখন নিশো ব্যস্ত থাকেন জনকল্যাণমূলক কাজে। তার মতো যুবক প্রতিটি গ্রামেই থাকা প্রয়োজন।

‎নিজের এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে হাবিব নিশো বলেন, আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অতীতে যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি, শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমার বাকি জীবনটুকুও সেভাবেই মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই। মহান আল্লাহ পাক যেন আমাকে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

‎নিশোর এই কার্যক্রম শুধু আউশনারা ইউনিয়নেই নয়, বরং আশেপাশের এলাকার যুবকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা। কোনো উচ্চভিলাষী পদ বা ক্ষমতার মোহ ছাড়াই যে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব, নিশো তার জীবন্ত প্রমাণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বিয়ানীবাজার থেকে ৩ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রী উধাও

‎মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: মধুপুরের তরুণ নিশোর অদম্য পথচলা

সময় ১১:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
হাবিব নিশোর জীবন (ফাইল ছবি)


‎”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?”—ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী এই গানের কথাগুলো যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের তরুণ যুবক হাবিব নিশোর জীবনে।

‎কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে এলাকায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, হাবিব নিশো শুধু আউশনারা ইউনিয়নের নিজ ওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ নন, পুরো ইউনিয়নের মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে যান। তাকে সবসময় কাছে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তার কাজের পরিধিও বেশ বিচিত্র এবং প্রশংসনীয়।

‎নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো তিনি প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল কেটে পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি গাছে চড়ে ডালপালা ছাঁটাই করা এবং রাস্তার ধারের অপরিচ্ছন্ন সাইনবোর্ডগুলো পরিষ্কার করতেও তাকে দেখা যায়।

‎এলাকার মানুষের অভিমত, হাবিব নিশো যেকোনো সমস্যায় নিজের সাধ্যমতো উপকার করার চেষ্টা করেন। তার কাজে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই। মানুষের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন,আজকালকার তরুণরা যখন বিভিন্ন নেশা বা আড্ডায় মগ্ন থাকে, তখন নিশো ব্যস্ত থাকেন জনকল্যাণমূলক কাজে। তার মতো যুবক প্রতিটি গ্রামেই থাকা প্রয়োজন।

‎নিজের এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে হাবিব নিশো বলেন, আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অতীতে যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি, শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমার বাকি জীবনটুকুও সেভাবেই মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই। মহান আল্লাহ পাক যেন আমাকে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

‎নিশোর এই কার্যক্রম শুধু আউশনারা ইউনিয়নেই নয়, বরং আশেপাশের এলাকার যুবকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা। কোনো উচ্চভিলাষী পদ বা ক্ষমতার মোহ ছাড়াই যে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব, নিশো তার জীবন্ত প্রমাণ।