সিলেট ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

‎মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: মধুপুরের তরুণ নিশোর অদম্য পথচলা

হাবিব নিশোর জীবন (ফাইল ছবি)


‎”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?”—ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী এই গানের কথাগুলো যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের তরুণ যুবক হাবিব নিশোর জীবনে।

‎কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে এলাকায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, হাবিব নিশো শুধু আউশনারা ইউনিয়নের নিজ ওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ নন, পুরো ইউনিয়নের মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে যান। তাকে সবসময় কাছে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তার কাজের পরিধিও বেশ বিচিত্র এবং প্রশংসনীয়।

‎নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো তিনি প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল কেটে পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি গাছে চড়ে ডালপালা ছাঁটাই করা এবং রাস্তার ধারের অপরিচ্ছন্ন সাইনবোর্ডগুলো পরিষ্কার করতেও তাকে দেখা যায়।

‎এলাকার মানুষের অভিমত, হাবিব নিশো যেকোনো সমস্যায় নিজের সাধ্যমতো উপকার করার চেষ্টা করেন। তার কাজে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই। মানুষের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন,আজকালকার তরুণরা যখন বিভিন্ন নেশা বা আড্ডায় মগ্ন থাকে, তখন নিশো ব্যস্ত থাকেন জনকল্যাণমূলক কাজে। তার মতো যুবক প্রতিটি গ্রামেই থাকা প্রয়োজন।

‎নিজের এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে হাবিব নিশো বলেন, আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অতীতে যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি, শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমার বাকি জীবনটুকুও সেভাবেই মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই। মহান আল্লাহ পাক যেন আমাকে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

‎নিশোর এই কার্যক্রম শুধু আউশনারা ইউনিয়নেই নয়, বরং আশেপাশের এলাকার যুবকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা। কোনো উচ্চভিলাষী পদ বা ক্ষমতার মোহ ছাড়াই যে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব, নিশো তার জীবন্ত প্রমাণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

‎মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: মধুপুরের তরুণ নিশোর অদম্য পথচলা

সময় ১১:৫২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
হাবিব নিশোর জীবন (ফাইল ছবি)


‎”মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?”—ভূপেন হাজারিকার কালজয়ী এই গানের কথাগুলো যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের তরুণ যুবক হাবিব নিশোর জীবনে।

‎কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে এলাকায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

‎স্থানীয়দের তথ্যমতে, হাবিব নিশো শুধু আউশনারা ইউনিয়নের নিজ ওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ নন, পুরো ইউনিয়নের মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে যান। তাকে সবসময় কাছে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তার কাজের পরিধিও বেশ বিচিত্র এবং প্রশংসনীয়।

‎নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো তিনি প্রতিনিয়ত রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, রাস্তার দুই পাশের ঝোপঝাড় ও জঙ্গল কেটে পথচারীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করার কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি গাছে চড়ে ডালপালা ছাঁটাই করা এবং রাস্তার ধারের অপরিচ্ছন্ন সাইনবোর্ডগুলো পরিষ্কার করতেও তাকে দেখা যায়।

‎এলাকার মানুষের অভিমত, হাবিব নিশো যেকোনো সমস্যায় নিজের সাধ্যমতো উপকার করার চেষ্টা করেন। তার কাজে কোনো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত এজেন্ডা নেই। মানুষের প্রতি এই অকৃত্রিম ভালোবাসাই তাকে সবার কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

‎স্থানীয়রা বলছেন,আজকালকার তরুণরা যখন বিভিন্ন নেশা বা আড্ডায় মগ্ন থাকে, তখন নিশো ব্যস্ত থাকেন জনকল্যাণমূলক কাজে। তার মতো যুবক প্রতিটি গ্রামেই থাকা প্রয়োজন।

‎নিজের এই মানবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে হাবিব নিশো বলেন, আমি আমার সামর্থ্য অনুযায়ী সব সময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। অতীতে যেভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি, শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আমার বাকি জীবনটুকুও সেভাবেই মানুষের সেবায় কাটিয়ে দিতে চাই। মহান আল্লাহ পাক যেন আমাকে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার তৌফিক দান করেন। আমি সবার কাছে দোয়া চাই।

‎নিশোর এই কার্যক্রম শুধু আউশনারা ইউনিয়নেই নয়, বরং আশেপাশের এলাকার যুবকদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা। কোনো উচ্চভিলাষী পদ বা ক্ষমতার মোহ ছাড়াই যে সমাজ পরিবর্তন করা সম্ভব, নিশো তার জীবন্ত প্রমাণ।