
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটে এ বছর তরমুজের রেকর্ড পরিমাণ চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং ভালো দামের আশায় কৃষকরা গতানুগতিক শীতকালীন ফসল বাদ দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষে ঝুঁকেছেন। এরই মধ্যে আগাম ফলন বাজারে আসায় হাসি ফুটেছে চাষিদের মুখে।
স্থানীয় কৃষি অফিস ও কৃষকদের সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাট এলাকার বিস্তীর্ণ জমিতে তরমুজের আবাদ করা হয়েছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার চাষের আওতা বেড়েছে কয়েক গুণ। কৃষকরা জানান, অন্যান্য সবজির চেয়ে তরমুজে মুনাফা বেশি হওয়ায় তারা এবার এই ফল চাষে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

ইতোমধ্যেই মাঠ থেকে আগাম জাতের তরমুজ সংগ্রহ শুরু হয়েছে। ফলন যেমন ভালো হয়েছে, বাজারে দামও মিলছে আশানুরূপ। স্থানীয় পাইকারি বাজারে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় মাঠ থেকেই পণ্য বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটের এই সুস্বাদু তরমুজ এখন আর কেবল স্থানীয় বাজারে সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিদিন ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে করে এই তরমুজ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, এখানকার তরমুজের স্বাদ ও গুণমান ভালো হওয়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে এর বিশেষ চাহিদা রয়েছে।
এনামুল ইসলাম, জৈন্তাপুর থেকে। 



















