
দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছেছে বিএনপি। এই আসনে জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুককে ধানের শীষের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে দলটি।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন।
সিলেট-৫ আসনে দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি ও জমিয়তের মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা চলছিল। অবশেষে মাঠের রাজনীতির সমীকরণ মেলাতে এই আসনটি শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি হাইকমান্ড।
মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুকের ব্যক্তিগত ইমেজ এবং ওই অঞ্চলে জমিয়তের বিশাল ভোটব্যাংককে কাজে লাগিয়ে জয় নিশ্চিত করাই এই জোটের মূল লক্ষ্য।
এই আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নের দৌড়ে ছিলেন বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা। বিশেষ করে সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) মনোনয়নের জন্য জোরালো প্রত্যাশী ছিলেন। তবে কেন্দ্রের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে শরিক দলকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এরমধ্যেই মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) নিজেকে এই আসনে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তার প্রার্থিতায় রাজনীতিতে বেশ আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জমিয়তের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক দেশের বিশিষ্ট আলেম এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শীর্ষ নেতা। তার প্রার্থিতা ঘোষণার পর কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ এলাকায় জমিয়ত ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
জোটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই সমন্বয় সভার মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়ে এই আসনে।
স্টাফ রিপোর্টার। 



















