
প্রয়াত সাবেক এমপি এম ইলিয়াস আলীর নামে কালীগঞ্জ এম,ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সিলেট২ আসনের এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা।
২০০১ সালে প্রতিষ্টিত এ বিদ্যালযটি এ অঞ্চলে শিক্ষাবিস্তারে আজোবধি ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। জানা যায,একসময় যেখানে চলাচলের জন্য কোনো ভালো রাস্তা ছিল না, শিক্ষার আলো ছড়ানোর জন্য ছিল না কোনো বিদ্যাপীঠ, সেই অবহেলিত জনপদ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন সিলেট-২ আসনের সাবেক সফল সংসদ সদস্য এম ইলিয়াস আলী।
তাঁরই দূরদর্শী নেতৃত্ব ও অক্লান্ত পরিশ্রমে অবহেলিত বালাগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জে আজ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শিক্ষার এক অনন্য বাতিঘর—‘কালীগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়’। একই সাথে পাল্টে গেছে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা, তৈরি হয়েছে পাকা রাস্তাঘাট।
সম্প্রতি এই গৌরবময় বিদ্যাপীঠ পরিদর্শন করেন সিলেট-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং জননেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর (লুনা)। এসময় তার সাথে ছিলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও দলীয় নেতা কর্মীরা।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা বরন করেন।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পা রাখতেই এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন সংসদ সদস্য। পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, একসময় এই এলাকায় কোনো রাস্তা ছিল না, স্কুল ছিল না। সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। কিন্তু কালীগঞ্জের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে জননেতা এম ইলিয়াস আলী যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। তাঁর মতো নিবেদিতপ্রাণ নেতার পক্ষেই কেবল এমন অসম্ভবকে সম্ভব করা সম্ভব হয়েছে।
বেগম তাহসিনা রুশদী (লুনা) বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাকার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এম ইলিয়াস আলীর নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠ আগামী দিনে এই অঞ্চলের অন্ধকার দূর করে হাজারো সুনাগরিক গড়ে তুলবে।
উন্নয়ন ও শিক্ষার এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং জননেতা এম ইলিয়াস আলীর অসমাপ্ত স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে তিনি কালীগঞ্জ তথা সমগ্র আসনের জনগণের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
রজত চন্দ্র দাস ভুলন, বালাগঞ্জ 


















