
হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে অপহৃত এক কিশোরীকে উদ্ধার এবং অপহরণের মূল অভিযুক্ত আরাফাত ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিলেটের শাহপরাণ থানার মুরাদপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আরাফাত ইসলাম শুভ ওরফে রমজান মিয়া (২০) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রতনপুর গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত কিশোরী হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার তেলিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত আরাফাত ইসলাম ও তার সহযোগী ফারুক মিয়াসহ কতিপয় যুবক ওই কিশোরীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে এবং বাড়ির আশেপাশে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। বিষয়টি কিশোরীর পরিবার অভিযুক্তদের পরিবারকে জানালে তারা উত্ত্যক্ত না করার আশ্বাস দিলেও হয়রানি থামেনি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ জুন সকালে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে শাহজাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকার কাছে ওত পেতে থাকা আরাফাত ও তার সহযোগীরা সিএনজি অটোরিকশায় জোরপূর্বক তুলে তাকে অজ্ঞাত স্থানে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা (মামলা নং-২৮, তারিখ: ২৫/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা-৭/৩০) দায়ের করেন। ঘটনাটি চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলে র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪ আগস্ট বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে র্যাব-৯ (সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসসি সিলেটের একটি যৌথ আভিযানিক দল সিলেট নগরীর মুরাদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মূল পলাতক আসামি আরাফাত ইসলামকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার 

















