সিলেট ১১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার মাধবপুরে কিশোরী অপহরণ: সিলেটে র‍্যাবের অভিযানে ভিকটিম উদ্ধার, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ‎লাখাইয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপিত‎ ‎লাখাইর হরিণাকোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চুরি সংগঠিত থানায় জিডি। লাখাইয়ে বামৈ ইউনিয়ন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহবায়ক  কমিটি গঠন। ‎জামালপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপিত: বিশাল সমাবেশ ও বিজয় মিছিল ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ মামলা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী প্রদানকারী সাবেক যুগ্ম সচিব‎ গ্রেপ্তার। ‎মৌলভীবাজারে নানা আয়োজনে পালিত হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ ‎গোয়াইনঘাটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা শান্তিগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ‎

‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার



‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ‘কামরুল ইসলাম’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।

‎বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) ভোরে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১ (সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল, গোয়াইনঘাট উপজেলা লেংগুড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল সোহেব (৫৪), শামসুল ইসলামের ছেলে বদরুল ইসলাম (৩৪), জেইন উদ্দিনের ছেলে আজাদুর রহমান (৩২) ও আব্দুস সালামের ছেলে মইনুল ইসলাম (৪০)। তারা সবাই লেংগুড়া গ্রামের বাসিন্দা।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত কামরুল ইসলাম এবং মামলার ১ নম্বর আসামি বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। আনুমানিক ৬-৭ মাস পূর্বে ব্যবসায়ী বিষয় নিয়ে মতবিরোধের জেরে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। উক্ত ঘটনায় কামরুলের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা কামরুলকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১২ টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীর ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাচ্ছিলেন। লেংগুড়া কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে বিলাল উদ্দিন তার পথরোধ করে পূর্বের মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দেয়। কামরুল এতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর রক্তাত্ত জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামলায় অভিযোগ করা হয়।

‎পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-২৬, তারিখ: ২৩/০৬/২০২৬) দায়ের করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাবের ছায়া তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার

‎গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়ী কামরুল হত্যা: র‍্যাব অভিযানে পলাতক ৪ আসামি গ্রেফতার

সময় ১০:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬



‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে চাঞ্চল্যকর ‘কামরুল ইসলাম’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)।

‎বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) ভোরে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১ (সিলেট) এর একটি আভিযানিক দল সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানাধীন লালাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হল, গোয়াইনঘাট উপজেলা লেংগুড়া গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুল সোহেব (৫৪), শামসুল ইসলামের ছেলে বদরুল ইসলাম (৩৪), জেইন উদ্দিনের ছেলে আজাদুর রহমান (৩২) ও আব্দুস সালামের ছেলে মইনুল ইসলাম (৪০)। তারা সবাই লেংগুড়া গ্রামের বাসিন্দা।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত কামরুল ইসলাম এবং মামলার ১ নম্বর আসামি বিলাল উদ্দিন যৌথভাবে বালু ও বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা করে আসছিলেন। আনুমানিক ৬-৭ মাস পূর্বে ব্যবসায়ী বিষয় নিয়ে মতবিরোধের জেরে বিলাল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা কামরুল ইসলামকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। উক্ত ঘটনায় কামরুলের মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা কামরুলকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।

‎এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন ২০২৬ দুপুর আনুমানিক ১২ টা ৪০ মিনিটে কামরুল ইসলাম গোয়াইন নদীর ইজারাকৃত লেংগুড়া বালুমহালে ব্যবসায়িক কাজে যাচ্ছিলেন। লেংগুড়া কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে বিলাল উদ্দিন তার পথরোধ করে পূর্বের মামলা তুলে নেওয়ার চাপ দেয়। কামরুল এতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং তাকে গুরুতর রক্তাত্ত জখম করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় মামলায় অভিযোগ করা হয়।

‎পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিটে কামরুল ইসলাম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-২৬, তারিখ: ২৩/০৬/২০২৬) দায়ের করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিল। র‍্যাবের ছায়া তদন্ত ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিদের গোয়াইনঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।