
লাখাই উপজেলার ৫ নং করাব ইউনিয়নের হরিণাকুনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য় তলা ভবনের নিচতলার দুইটি রুমের তালা ভেঙ্গে চুরির সংগঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লাখাই থানা একটি জিডি করেছেন।
মঙ্গলবার ৪জুলাই দিবাগত রাত কোন এক সময় চুরেরা বিদ্যালয়ের নিচতলার দুটি কক্ষের থালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে আটটি সিলিং ফ্যান ও বাচ্চাদের খেলার কিছু শিশু উপকরণ নিয়ে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে লাখাই থানার এ এস আই গোপাল আচার্য্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সত্যতা পান।
হরিণাকোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চুরির ঘটনায় বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উক্ত বিদ্যালয়ের দপ্তরী নবদ্বীব সরকার বিদ্যালয়ে রাত্রিযাপন না করে তার বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয়ে না থাকার কারণে চুরেরা নির্বিঘ্নে এসব মূল্যবান ফ্যান ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র নিয়ে যায়।
এ ঘটনার ব্যাপারে হরিণাকোনা সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাদেব চন্দ্র পাল এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান চুরেরা দুটি রুমের তালা ভেঙ্গে ৬ টি ফ্যান নিয়ে যায়।
নাইটগার্ড ছিল কিনা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন সে বিদ্যালয়ে একটি কক্ষে ছিল। নাইটগার্ড বিদ্যালয়ে রাত্রি যাপন করে না অনেকে অভিযোগ করেছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এব্যাপারে সে কিছু জানেন না আমি প্রতিদিন গিয়ে দেখি সকালে এসে আমার আগেই দরজা জানালা খুলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা করে।
বিদ্যালয়ের দপ্তরী নবদ্বীব সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করি। আমার কোন গাফলতি হলে আমি মাথা পেতে নেব। বিদ্যালয়ে না থেকে বাড়িতে থাকেন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এসব মিথ্যা আমি বিদ্যালয়ে একটি কক্ষে থাকি। তিনি আরো বলেন তিনতলা ভবনের নিচ তলায় কেচি গেটের বাইরে ও দুটি গেট রয়েছে সে গেটের ওয়াল টপকে ভিতরে প্রবেশ করে চুরেরা এরমধ্যে দুটি রুমের থালা ভেঙ্গে ৮ টি ফ্যান নিয়ে যায়।
নিচতলায় কোন কক্ষে না থেকে উপরে থাকেন এমন প্রশ্ন উত্তরে সে সদুত্তর দিতে পারেনি।
এ ঘটনার ব্যাপারে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মনোরঞ্জন সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন খবর শুনে আমি বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক সহ গ্রামে অন্যান্য মুরব্বিকে ডেকে নিয়ে পরামর্শ করে লাখাই থানা একটি জিডি করি।
জিডির প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন লাখাই থানার এ এস আই গোপাল আচার্য্য।
এ ব্যাপারে লাখাই থানা অফিসার ইনচার্জ শরীফ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে সত্যতা স্বীকার করেন। ঘটনা সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বিল্লাল আহমেদ লাখাই থেকে 


















