
জামালপুরে ধর্ষণ মামলার সাক্ষী হিসেবে বারবার তলব করার পরও আদালতে হাজির না হওয়ায় চিকিৎসক সানজিদা ইসলামকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই আদেশ প্রদান করেন।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারায় আদালত চিকিৎসক সানজিদাকে ২৫০ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে আদালতের পক্ষ থেকে সাজা পরোয়ানা ইস্যুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলার মেডিকেল রিপোর্ট দিয়েছিলেন চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। সাক্ষ্য প্রদানের জন্য তাকে একাধিকবার সমন জারি করা হলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন। পরবর্তীতে আদালত গত ২৯ জুন তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেয় এবং ১ জুলাই আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু নির্ধারিত দিনেও তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আদালতের আদেশ অমান্য করায় বিচারক এই রায় দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মামলাটিতে আটজন আসামির মধ্যে একজন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিচারিক কার্যক্রমে চিকিৎসকের এই অনুপস্থিতি মামলার স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছিল বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
ফারুক আহমেদ ভূইয়া, জামালপুর 







