সিলেট ০৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ডাকাতি ও ছিনতাইকারী মামলার পলাতক আসামি রিপন গ্রেপ্তার ‎মৌলভীবাজারে ৮ হাজার ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, নগদ ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও প্রাইভেটকার জব্দ‎ ‎জেলা সেরা থেকে রেঞ্জসেরা: শেরপুর ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুল্লাহর সাফল্য ‎জামালপুরের মেলান্দহে ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা ‎নগরীর আম্বরখানা থেকে ১০ কেজি গঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেপ্তার করল র‌্যাব। ‎শান্তিগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও ‘রাইট অব ওয়ে’ সংরক্ষণে কর্মশালা‎ র‌্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল ও টোকেন উদ্ধার গোয়াইনঘাটে অবৈধ পাথর উত্তোলনের অভিযোগে টাস্কফোর্সের অভিযান, আটক ৮ ‎কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে হাইওয়ে উদ্ধার অভিযানে প্রাণ হারালেন হবিগঞ্জের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ হবিগঞ্জে সুরমা চা বাগানে বিজিবির অভিযানে কাভার্ডভ্যান থেকে ৬২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

‎হবিগঞ্জে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় প্রবীণ নাগরিক জহর আলীর মৃত্যু, ঘাতককে গ্রেপ্তারের দাবি


‎হবিগঞ্জ শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জহর আলী (৭০) নামের এক প্রবীণ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নিহত জহর আলী শহরের মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন হবিগঞ্জ জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি মাহমুদা খা’র পিতা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সড়কের ফুটপাত ঘেঁষে হেঁটে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল ট্রাফিক আইন অমান্য করে জহর আলী সাহেবকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে মোটরসাইকেল চালক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।


‎পরবর্তীতে রাস্তায় চলাচলকারী এক মানবিক নারী আহত জহর আলীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


‎এদিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শহরের প্রধান সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে একজন মানুষকে মেরে ফেলার পরও ঘাতক চালক বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। সাধারণ মানুষ আজ রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক মোটরসাইকেল চালককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।



‎গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নেতৃবৃন্দ মরহুম জহর আলী সাহেবের বাসায় গিয়ে তাঁর ছেলে পারভেজের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাঁদের আইনি লড়াইয়ের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
‎বিবৃতিতে সম্মতি ও সংহতি প্রকাশ করেছেন— পীযূষ চক্রবর্তী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ, অনুপ কুমার দেব মনা, সিদ্দিকী হারুন, রনজন রায়, তোফায়েল সোহেল, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন জাকী, আজিজুর রহমান কাউসার, পলাশ চৌধুরী এবং মো. আছকির মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মরহুম জহুর আলী সাহেবের মৃত্যুতে “অনলাইন সিলেট” নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি হত্যাকারী কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ডাকাতি ও ছিনতাইকারী মামলার পলাতক আসামি রিপন গ্রেপ্তার

‎হবিগঞ্জে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় প্রবীণ নাগরিক জহর আলীর মৃত্যু, ঘাতককে গ্রেপ্তারের দাবি

সময় ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


‎হবিগঞ্জ শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জহর আলী (৭০) নামের এক প্রবীণ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নিহত জহর আলী শহরের মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন হবিগঞ্জ জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি মাহমুদা খা’র পিতা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সড়কের ফুটপাত ঘেঁষে হেঁটে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল ট্রাফিক আইন অমান্য করে জহর আলী সাহেবকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে মোটরসাইকেল চালক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।


‎পরবর্তীতে রাস্তায় চলাচলকারী এক মানবিক নারী আহত জহর আলীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


‎এদিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শহরের প্রধান সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে একজন মানুষকে মেরে ফেলার পরও ঘাতক চালক বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। সাধারণ মানুষ আজ রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক মোটরসাইকেল চালককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।



‎গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নেতৃবৃন্দ মরহুম জহর আলী সাহেবের বাসায় গিয়ে তাঁর ছেলে পারভেজের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাঁদের আইনি লড়াইয়ের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
‎বিবৃতিতে সম্মতি ও সংহতি প্রকাশ করেছেন— পীযূষ চক্রবর্তী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ, অনুপ কুমার দেব মনা, সিদ্দিকী হারুন, রনজন রায়, তোফায়েল সোহেল, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন জাকী, আজিজুর রহমান কাউসার, পলাশ চৌধুরী এবং মো. আছকির মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মরহুম জহুর আলী সাহেবের মৃত্যুতে “অনলাইন সিলেট” নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি হত্যাকারী কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।