সিলেট ০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসামি গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার‎ ‎দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক ও থানা থেকে লুট হওয়া টিয়ারশেল উদ্ধার ‎হবিগঞ্জে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় প্রবীণ নাগরিক জহর আলীর মৃত্যু, ঘাতককে গ্রেপ্তারের দাবি ‎সিলেটে অনলাইন জুয়া চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার: ১০ টাকায় ৮০০ টাকার প্রলোভনে চলত প্রতারণা! ‎ছাতকে স্ত্রীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঘাতক স্বামী আমির আলী সিলেটে গ্রেফতার ‎রাত পোহালেই চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলে ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল’ ‎বানিয়াচংয়ে নজরুল বর্ষ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জামালপুরে “জেসমিন” প্রকল্পের উদ্যোগে প্রকল্পের সাথে কাজ করতে আগ্রহী ইনপুট কোম্পানিগুলোর সাথে বৈঠক‎ যমুনা সেতু এলাকায় ৪৯৫ পিস বুপ্রেনোরফাইন ইনজেকশনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার‎ ‎বাহুবলের বিহারীপুর সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ‎

‎হবিগঞ্জে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় প্রবীণ নাগরিক জহর আলীর মৃত্যু, ঘাতককে গ্রেপ্তারের দাবি


‎হবিগঞ্জ শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জহর আলী (৭০) নামের এক প্রবীণ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নিহত জহর আলী শহরের মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন হবিগঞ্জ জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি মাহমুদা খা’র পিতা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সড়কের ফুটপাত ঘেঁষে হেঁটে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল ট্রাফিক আইন অমান্য করে জহর আলী সাহেবকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে মোটরসাইকেল চালক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।


‎পরবর্তীতে রাস্তায় চলাচলকারী এক মানবিক নারী আহত জহর আলীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


‎এদিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শহরের প্রধান সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে একজন মানুষকে মেরে ফেলার পরও ঘাতক চালক বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। সাধারণ মানুষ আজ রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক মোটরসাইকেল চালককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।



‎গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নেতৃবৃন্দ মরহুম জহর আলী সাহেবের বাসায় গিয়ে তাঁর ছেলে পারভেজের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাঁদের আইনি লড়াইয়ের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
‎বিবৃতিতে সম্মতি ও সংহতি প্রকাশ করেছেন— পীযূষ চক্রবর্তী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ, অনুপ কুমার দেব মনা, সিদ্দিকী হারুন, রনজন রায়, তোফায়েল সোহেল, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন জাকী, আজিজুর রহমান কাউসার, পলাশ চৌধুরী এবং মো. আছকির মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মরহুম জহুর আলী সাহেবের মৃত্যুতে “অনলাইন সিলেট” নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি হত্যাকারী কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসামি গ্রেফতার, ভিকটিম উদ্ধার‎

‎হবিগঞ্জে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় প্রবীণ নাগরিক জহর আলীর মৃত্যু, ঘাতককে গ্রেপ্তারের দাবি

সময় ০২:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


‎হবিগঞ্জ শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জহর আলী (৭০) নামের এক প্রবীণ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নিহত জহর আলী শহরের মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন হবিগঞ্জ জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি মাহমুদা খা’র পিতা।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সড়কের ফুটপাত ঘেঁষে হেঁটে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল ট্রাফিক আইন অমান্য করে জহর আলী সাহেবকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়লে মোটরসাইকেল চালক দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।


‎পরবর্তীতে রাস্তায় চলাচলকারী এক মানবিক নারী আহত জহর আলীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।


‎এদিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, শহরের প্রধান সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে একজন মানুষকে মেরে ফেলার পরও ঘাতক চালক বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী। সাধারণ মানুষ আজ রাস্তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা অবিলম্বে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক মোটরসাইকেল চালককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।



‎গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নেতৃবৃন্দ মরহুম জহর আলী সাহেবের বাসায় গিয়ে তাঁর ছেলে পারভেজের সঙ্গে দেখা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তাঁদের আইনি লড়াইয়ের দাবির সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
‎বিবৃতিতে সম্মতি ও সংহতি প্রকাশ করেছেন— পীযূষ চক্রবর্তী, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, অ্যাডভোকেট জুনায়েদ আহমেদ, অনুপ কুমার দেব মনা, সিদ্দিকী হারুন, রনজন রায়, তোফায়েল সোহেল, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন জাকী, আজিজুর রহমান কাউসার, পলাশ চৌধুরী এবং মো. আছকির মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মরহুম জহুর আলী সাহেবের মৃত্যুতে “অনলাইন সিলেট” নিউজ পোর্টালের সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুল হক মামুন শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। পাশাপাশি হত্যাকারী কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।