
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট ও বানিয়াচং উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ও সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন-শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কাজীরগাঁও গ্রামের আলতাফ আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪৫), বাহুবল উপজেলার মিরপুর চকফাজিল গ্রামের সুরেশ দেবনাথের ছেলে রিংকু দেবনাথ (৩০) এবং বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামের জয়দর আলীর ছেলে সুজন মিয়া (১৬)।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কাজীরগাঁও গ্রামে বাড়ির পাশে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন রাহেলা বেগম। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা রিংকু দেবনাথ তাঁর বোনের বাড়িতে বেড়াতে চুনারুঘাটে এসেছিলেন। বিকেলে তিনি তাঁর ভাগনে পিযুষ দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে একটি বাড়ির ছাদে পানির ট্যাংকি পরিষ্কারের কাজ করছিলেন। এ সময় বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তাঁরা দুজন ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনেরা তাঁদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পিযুষ দেবনাথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, একই সময়ে বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে চারজন আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত সিয়াম মিয়া (১৭), হাফিজ উদ্দিন (২২) ও পারভেজ মিয়া (২৫) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকেরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন পৃথকভাবে জ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, চুনারুঘাট ও বানিয়াচং উপজেলায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ও সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন-শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কাজীরগাঁও গ্রামের আলতাফ আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪৫), বাহুবল উপজেলার মিরপুর চকফাজিল গ্রামের সুরেশ দেবনাথের ছেলে রিংকু দেবনাথ (৩০) এবং বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামের জয়দর আলীর ছেলে সুজন মিয়া (১৬)।
পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কাজীরগাঁও গ্রামে বাড়ির পাশে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন রাহেলা বেগম। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করার আগেই ঘটনাস্থলে তাঁর মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা রিংকু দেবনাথ তাঁর বোনের বাড়িতে বেড়াতে চুনারুঘাটে এসেছিলেন। বিকেলে তিনি তাঁর ভাগনে পিযুষ দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে একটি বাড়ির ছাদে পানির ট্যাংকি পরিষ্কারের কাজ করছিলেন। এ সময় বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাত হলে তাঁরা দুজন ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনেরা তাঁদের উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পিযুষ দেবনাথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে, একই সময়ে বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে চারজন আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুজন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত সিয়াম মিয়া (১৭), হাফিজ উদ্দিন (২২) ও পারভেজ মিয়া (২৫) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসকেরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম এবং হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন পৃথকভাবে বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্বপন রবি দাশ হবিগঞ্জ থেকে। 


















