সিলেট ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎ ‎হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে মারামারি, ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার‎ ‎স্পেনে ২২ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে টমাটিনা (টমেটো) উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিয়ানীবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১৮শ’ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১‎ ‎স্কুল মসজিদের পুকুরে ডুবে হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু‎ জামালপুরে সিএমএ অ্যালায়েন্সের ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। মুসলিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তঃশ্রেণি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন। ‎বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ.লীগ নেতা পল্লব ঢাকায় গ্রেপ্তার ব্র্যাকের উদ্যোগে ইসলামপুরে কিশোর-কিশোরীদের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রশিক্ষণ‎ পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন নোঙর এর হবিগঞ্জ জেলা কমিটির অনুমোদন।

‎জামালপুরে ভাঙা সড়ক সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল হাসান তাপস


‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নজুড়ে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধু একটিই নাম—অ্যাডভোকেট মো.জামিল হাসান তাপস। এলাকার অবহেলিত রাস্তাঘাট মেরামত ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে একের পর এক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয়বাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।

‎​ছোনটিয়া বাজার থেকে রশিদপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে ছিলেন পথচারী ও চালকরা। জনদুর্ভোগের এই দৃশ্য স্থানীয় এই নেতার মনে গভীর দাগ কাটে। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বা পদের অপেক্ষা না করে, সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিনি সড়কটির বিপজ্জনক গর্তগুলোতে ইট ও রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। শুধু এই একটি সড়কই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা ও ভাঙা সড়কে প্রায় ৮০ ট্রাক মাটি ও ইটের রাবিশ ফেলে তিনি যোগাযোগব্যবস্থাকে সচল রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

‎​রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার সিঁড়ি না ভেবে একে মানুষের সেবা করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই বিশিষ্ট সমাজসেবক। গরিব ও মেহনতি মানুষের বিপদে-আপদে সবসময় ছায়ার মতো পাশে থাকার কারণে সাধারণ মানুষ তাঁকে প্রকৃত জননেত্রী বা জনবান্ধব নেতা হিসেবে দেখছেন।

‎​এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট তাপসের সুদৃঢ় মনোভাব প্রকাশ পায় তাঁর নিজের কথাতেই। তিনি বলেন, “আমি এই রশিদপুরেরই সন্তান। নিজের এলাকাকে এভাবে অবহেলিত অবস্থায় দেখতে পারি না।” এলাকার প্রতি তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মমত্ববোধ সত্যিই বিরল।

‎​আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে বিজয়ী হতে পারলে রশিদপুর ইউনিয়নকে জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা, সততা এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

‎​স্থানীয়রা মনে করেন, অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের মতো সৎ, পরিশ্রমী ও জনদরদি নেতৃত্বই পারে একটি অবহেলিত অঞ্চলকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো সফল হোক—এটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক প্রত্যাশা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎

‎জামালপুরে ভাঙা সড়ক সংস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামিল হাসান তাপস

সময় ১০:২১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬


‎জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নজুড়ে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধু একটিই নাম—অ্যাডভোকেট মো.জামিল হাসান তাপস। এলাকার অবহেলিত রাস্তাঘাট মেরামত ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে একের পর এক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয়বাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।

‎​ছোনটিয়া বাজার থেকে রশিদপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে ছিলেন পথচারী ও চালকরা। জনদুর্ভোগের এই দৃশ্য স্থানীয় এই নেতার মনে গভীর দাগ কাটে। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বা পদের অপেক্ষা না করে, সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিনি সড়কটির বিপজ্জনক গর্তগুলোতে ইট ও রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। শুধু এই একটি সড়কই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা ও ভাঙা সড়কে প্রায় ৮০ ট্রাক মাটি ও ইটের রাবিশ ফেলে তিনি যোগাযোগব্যবস্থাকে সচল রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

‎​রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার সিঁড়ি না ভেবে একে মানুষের সেবা করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই বিশিষ্ট সমাজসেবক। গরিব ও মেহনতি মানুষের বিপদে-আপদে সবসময় ছায়ার মতো পাশে থাকার কারণে সাধারণ মানুষ তাঁকে প্রকৃত জননেত্রী বা জনবান্ধব নেতা হিসেবে দেখছেন।

‎​এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট তাপসের সুদৃঢ় মনোভাব প্রকাশ পায় তাঁর নিজের কথাতেই। তিনি বলেন, “আমি এই রশিদপুরেরই সন্তান। নিজের এলাকাকে এভাবে অবহেলিত অবস্থায় দেখতে পারি না।” এলাকার প্রতি তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মমত্ববোধ সত্যিই বিরল।

‎​আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে বিজয়ী হতে পারলে রশিদপুর ইউনিয়নকে জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা, সততা এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

‎​স্থানীয়রা মনে করেন, অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের মতো সৎ, পরিশ্রমী ও জনদরদি নেতৃত্বই পারে একটি অবহেলিত অঞ্চলকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো সফল হোক—এটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক প্রত্যাশা।