সিলেট ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন জমা দিলেন শাব্বীর আহমদ শিবলী নোমানী ‎ডেভিল মামলার আসামীর নেতত্বে প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টায় ভবনে তালা, সাংবাদিকদের নিন্দা ‎জামালপুরে আইনজীবী ও আওয়ামী লীগ নেতার অফিসে অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও মদ উদ্ধার ভারতে সাজাভোগ শেষে তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ১০ বাংলাদেশি সিলেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন, উপভোগ করলেন সাত রঙের চা ৩১ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার যুবদল নেতা ইমন সরকারকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ‎গোলাপগঞ্জে র‍্যাবের অভিযান: জঙ্গল থেকে এয়ারগান ও রামদা উদ্ধার ‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাঁকো কেটে দেওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ, যাতায়াত ব্যাহত ‎মৌলভীবাজারে বাথরুম থেকে যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, ঘাতক আটক জাফলং জিরো পয়েন্টে গভীর রাতে টাস্কফোর্সের অভিযান, বালু উত্তোলনের দায়ে কারাদণ্ড

‎ডেভিল মামলার আসামীর নেতত্বে প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টায় ভবনে তালা, সাংবাদিকদের নিন্দা



‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে তালা দিয়ে দখলে নেওয়ার অপচেষ্টা করছেন নাশকতা মামলায় কারা বরণকারী পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম চৌধুরী ও তার সহযোগিরা। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বৃষ্টি চলাকালীন সময় উপজেলার কথিত সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাদের সাথে নিয়ে তালা দেওয়া ভবনেই পুনরায় তালা দেন তারা। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় শান্তিগঞ্জের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সুধী মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

‎জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাশেম চৌধুরী দীর্ঘদিন নাশকতা ও সহিংসতা মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। মাত্র কিছুদিন আগে প্রায় ৮ মাসা জেলে খেটে তিনি জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বের হয়েই সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ও কয়েকজন পতিত আওয়ামী নেতাদের সাথে নিয়ে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে গিয়ে পেশি শক্তি বলে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এসময় পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা দিলীপ কুমার দাশ ও অপর আওয়ামীলীগ নেতা আবিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় থাকা শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর পিসএস হাসনাত হোসেন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেনের মদদপুষ্ট  নূরুল হক ও  সামিউল কবিরও নের্তৃত্ব দেন। তালা দেওয়ার সময় কথিত সাংবাদিক ওসামন গনি, আহমেদ ওসমান, আলমগীর হোসেন, আতিকুর রহমান রুয়েব, ছালিক আহমদ, খালেদ আহমদ ও মান্নার মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমদ বলেন, পেশি শক্তির প্রভার খাটিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্যই এই অপচেষ্টা করছেন ফ্যাসিস্টের দোসররা। তারা দিবালোকে সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চার জায়গায় আঘাত করছে, তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। একটি স্বাধীন দেশে সাংবাদিকদের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রে এভাবে তালা মেরে দেওয়া সরাসরি বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত। আমরা এই ফ্যাসিস্টসুলভ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন জমা দিলেন শাব্বীর আহমদ শিবলী নোমানী

‎ডেভিল মামলার আসামীর নেতত্বে প্রেসক্লাব দখলের চেষ্টায় ভবনে তালা, সাংবাদিকদের নিন্দা

সময় ০৯:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬



‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে তালা দিয়ে দখলে নেওয়ার অপচেষ্টা করছেন নাশকতা মামলায় কারা বরণকারী পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কাশেম চৌধুরী ও তার সহযোগিরা। মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় বৃষ্টি চলাকালীন সময় উপজেলার কথিত সাংবাদিক ও আওয়ামীলীগের একাধিক নেতাদের সাথে নিয়ে তালা দেওয়া ভবনেই পুনরায় তালা দেন তারা। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনায় শান্তিগঞ্জের মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী ও সুধী মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।

‎জানা গেছে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম এ কাশেম চৌধুরী দীর্ঘদিন নাশকতা ও সহিংসতা মামলায় কারাবন্দি ছিলেন। মাত্র কিছুদিন আগে প্রায় ৮ মাসা জেলে খেটে তিনি জামিনে মুক্তি পান। জেল থেকে বের হয়েই সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ও কয়েকজন পতিত আওয়ামী নেতাদের সাথে নিয়ে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবনে গিয়ে পেশি শক্তি বলে মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। এসময় পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা দিলীপ কুমার দাশ ও অপর আওয়ামীলীগ নেতা আবিদ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাংবাদিক পরিচয় প্রদানকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় থাকা শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রীর পিসএস হাসনাত হোসেন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর হোসেনের মদদপুষ্ট  নূরুল হক ও  সামিউল কবিরও নের্তৃত্ব দেন। তালা দেওয়ার সময় কথিত সাংবাদিক ওসামন গনি, আহমেদ ওসমান, আলমগীর হোসেন, আতিকুর রহমান রুয়েব, ছালিক আহমদ, খালেদ আহমদ ও মান্নার মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

‎শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আহমদ বলেন, পেশি শক্তির প্রভার খাটিয়ে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্যই এই অপচেষ্টা করছেন ফ্যাসিস্টের দোসররা। তারা দিবালোকে সাংবাদিকদের পেশাগত চর্চার জায়গায় আঘাত করছে, তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। একটি স্বাধীন দেশে সাংবাদিকদের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রে এভাবে তালা মেরে দেওয়া সরাসরি বাকস্বাধীনতার ওপর আঘাত। আমরা এই ফ্যাসিস্টসুলভ আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি।