
সিলেটের কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহৃত ফাহিম আহমদ (২০) নামে এক তরুণকে উদ্ধার করেছে। একই সাথে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার ২৬ জুন সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কোতোয়ালী থানাধীন পিডিবি মসজিদের বিপরীত পাশে ফুলকলি শো-রুমের ভেতর থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার এবং উপস্থিত জনতার সহায়তায় অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল, সিলেট নগরীর ৩নং লালাদিঘীরপাড় এর বাসিন্দা এবং মোঃ ছয়দুল হকের ছেলে খালেদ বীন আজিজ (৩৫), বাগবাড়ী (কুতুব উদ্দিন গেইট) এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (২৬), কানিশাইল, ১নং রোড, তার (স্থায়ী ঠিকানা) সুজানগর, থানা-দিরাই, জেলা-সুনামগঞ্জ) এর বাসিন্দা আশিক আলীর ছেলে আল আমিন (৪০) ও শামীমাবাদ এলাকার বাসিন্দা তার (স্থায়ী ঠিকানা সাতগাঁও, থানা-বিজয়নগর, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া) দুলাল মিয়ার ছেলে রাজিব আহম্মেদ (২০)।
পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ২৬ জুন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শামীমাবাদ আ/এ ১নং গেইটের সামনে সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রটি ফাহিম আহমদের পথরোধ করে। এরপর তাকে মারধর করে এবং গলায় ছুরি ধরে নগদ ১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে একটি গ্যারেজে আটকে রাখা হয়।
আটকে রাখার পর অপহরণকারীরা ফাহিমের স্বজনদের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। দাবি করা টাকা না দিলে ফাহিমকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানায়।
মুক্তিপণ দাবির খবর পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯ সময় পিডিবি মসজিদের বিপরীত পাশে ফুলকলি শো-রুমের ভেতর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ভিকটিম ফাহিম আহমদকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ সময় উপস্থিত জনতার সহায়তায় উপরোক্ত ৪ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা গেলেও তাদের কয়েকজন সহযোগী পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় পেনাল কোডের ৩৪১/৩৪২/৩৬৫/৩৭৯/৩৮৫/৩২৩/৫০৬ ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে (মামলা নং-৩৭, তারিখ: ২৬/০৬/২০২৬ খ্রি.)। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 

















