সিলেট ০১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎লাখাইয়ে সংঘর্ষ পরবর্তী মামলা আতংকে ধান,চালসহ গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ!

প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে।





‎লাখাইয়ের স্থানীয় বুল্লাবাজারে কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা পরবর্তী সময়ে মামলা আতংকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী, ধানচাল সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী বিভিন্ন গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ীতে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয় বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী ও লোকজনের মধ্যে নানাবিধ আলোচনা চলছে। একদিকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। যে কোন সময় তাঁর অবস্থার অবনতি হতে পারে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ আতংকিত হয়ে তাদের মালামাল লুট পাট হতে পারে এমন আশংকা থেকে তা সরিয়ে নিচ্ছে।

‎আবার কেউবা বলছেন চিকিৎসাধীন রোগীর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এমনতর অবস্থায় মালামাল সরানোর কি কারন থাকতে পারে। সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে  এখনোও কোন মামলা মোকদ্দমা হয়নি বা লুটপাট হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি এমন অবস্থায় মালামাল সরানোর চেষ্টা কি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কোন সরযন্ত্রের প্রস্তুতি?
‎খোঁজ নিয়ে জানা যায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্ভব সবকিছু করে যাচ্ছে এবং নতুন করে যাতে অবনতি না ঘটে তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

হামলাকারী পক্ষ মালমাল সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ



‎রবিবার উপজেলার পূর্ব বুল্লা গ্রামে বিবদমান পক্ষের এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় একটি পক্ষ তাদের বাড়ির মালামাল রিকশা ও ভ্যানযোগে সরিয়ে নিচ্ছে। এ সময় আলাপকালে তাঁরা জানান, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের মালামাল আত্মীয় স্বজন এর বাড়িতে সরিয়ে নিচ্ছে, গোলার ধান বিক্রি করছেন। তবে সবাই তা করছেন না বলে জানান।
‎এ বিষয়ে বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী সুবেল মিয়া, পেশু মিয়া, অন্তর মিয়ার সাথে আলাপকালে জানান মারামারির পর থেকেই একটি পক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু সরিয়ে নেওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়না।

‎এ বিষয়ে থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আবারও যাতে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখনো কোন মামলা মোকদ্দমা দায়ের করা হয়নি। মামলা দায়ের করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার দুপুর বেলা উপজেলার বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে পূর্ব গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হওয়ার তাদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আহত আলমগীর মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সে সেখানে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্বজনরা জানান তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয় নাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎লাখাইয়ে সংঘর্ষ পরবর্তী মামলা আতংকে ধান,চালসহ গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ!

সময় ০৫:৪৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে।





‎লাখাইয়ের স্থানীয় বুল্লাবাজারে কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা পরবর্তী সময়ে মামলা আতংকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী, ধানচাল সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী বিভিন্ন গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ীতে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয় বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী ও লোকজনের মধ্যে নানাবিধ আলোচনা চলছে। একদিকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। যে কোন সময় তাঁর অবস্থার অবনতি হতে পারে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ আতংকিত হয়ে তাদের মালামাল লুট পাট হতে পারে এমন আশংকা থেকে তা সরিয়ে নিচ্ছে।

‎আবার কেউবা বলছেন চিকিৎসাধীন রোগীর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এমনতর অবস্থায় মালামাল সরানোর কি কারন থাকতে পারে। সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে  এখনোও কোন মামলা মোকদ্দমা হয়নি বা লুটপাট হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি এমন অবস্থায় মালামাল সরানোর চেষ্টা কি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কোন সরযন্ত্রের প্রস্তুতি?
‎খোঁজ নিয়ে জানা যায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্ভব সবকিছু করে যাচ্ছে এবং নতুন করে যাতে অবনতি না ঘটে তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

হামলাকারী পক্ষ মালমাল সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ



‎রবিবার উপজেলার পূর্ব বুল্লা গ্রামে বিবদমান পক্ষের এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় একটি পক্ষ তাদের বাড়ির মালামাল রিকশা ও ভ্যানযোগে সরিয়ে নিচ্ছে। এ সময় আলাপকালে তাঁরা জানান, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের মালামাল আত্মীয় স্বজন এর বাড়িতে সরিয়ে নিচ্ছে, গোলার ধান বিক্রি করছেন। তবে সবাই তা করছেন না বলে জানান।
‎এ বিষয়ে বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী সুবেল মিয়া, পেশু মিয়া, অন্তর মিয়ার সাথে আলাপকালে জানান মারামারির পর থেকেই একটি পক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু সরিয়ে নেওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়না।

‎এ বিষয়ে থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আবারও যাতে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখনো কোন মামলা মোকদ্দমা দায়ের করা হয়নি। মামলা দায়ের করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার দুপুর বেলা উপজেলার বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে পূর্ব গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হওয়ার তাদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আহত আলমগীর মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সে সেখানে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্বজনরা জানান তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয় নাই।