সিলেট ০৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
‎বড়লেখায় বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত। মৌলভীবাজারে সাবেক এমপির ছেলে ও যুবলীগ নেতা নিক্সন গ্রেপ্তার‎ হবিগঞ্জে বসতবাড়ি থেকে ১৩৭টি বিষধর সাপ উদ্ধার, নিরাপদে অবমুক্তির প্রস্তুতি বন বিভাগের সিনেমাটিক স্টাইলে ছদ্মবেশে মাহফিলে অংশ নিলেন তাহেরী ওসমানীনগরে প্রেমিকার বাবার ছুরিকাঘাতে প্রেমিক নিহত, চার মাসের প্রেমের সম্পর্কের করুণ পরিণতি পূর্ব বিরোধের জেরে দোকানে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, অভিযুক্ত পলাতক ‎সিলেটে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নরসিংদী থেকে একমাত্র আসামি গ্রেফতার। দৃষ্টিশক্তি জয় করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫: মৌমিকে জেলা প্রশাসকের ফুলেল শুভেচ্ছা‎ তৃণমূলের কেউ সরকারের বাইরে নয়, নেতাকর্মীদের আরও বিনয়ী হওয়ার আহ্বান রিজভীর মাধবপুর সোনাই নদীতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু

‎লাখাইয়ে সংঘর্ষ পরবর্তী মামলা আতংকে ধান,চালসহ গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ!

প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে।


‎

‎
‎লাখাইয়ের স্থানীয় বুল্লাবাজারে কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা পরবর্তী সময়ে মামলা আতংকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী, ধানচাল সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী বিভিন্ন গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ীতে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয় বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী ও লোকজনের মধ্যে নানাবিধ আলোচনা চলছে। একদিকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। যে কোন সময় তাঁর অবস্থার অবনতি হতে পারে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ আতংকিত হয়ে তাদের মালামাল লুট পাট হতে পারে এমন আশংকা থেকে তা সরিয়ে নিচ্ছে।
‎
‎আবার কেউবা বলছেন চিকিৎসাধীন রোগীর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এমনতর অবস্থায় মালামাল সরানোর কি কারন থাকতে পারে। সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে  এখনোও কোন মামলা মোকদ্দমা হয়নি বা লুটপাট হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি এমন অবস্থায় মালামাল সরানোর চেষ্টা কি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কোন সরযন্ত্রের প্রস্তুতি?
‎খোঁজ নিয়ে জানা যায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্ভব সবকিছু করে যাচ্ছে এবং নতুন করে যাতে অবনতি না ঘটে তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

হামলাকারী পক্ষ মালমাল সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ


‎
‎রবিবার উপজেলার পূর্ব বুল্লা গ্রামে বিবদমান পক্ষের এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় একটি পক্ষ তাদের বাড়ির মালামাল রিকশা ও ভ্যানযোগে সরিয়ে নিচ্ছে। এ সময় আলাপকালে তাঁরা জানান, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের মালামাল আত্মীয় স্বজন এর বাড়িতে সরিয়ে নিচ্ছে, গোলার ধান বিক্রি করছেন। তবে সবাই তা করছেন না বলে জানান।
‎এ বিষয়ে বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী সুবেল মিয়া, পেশু মিয়া, অন্তর মিয়ার সাথে আলাপকালে জানান মারামারির পর থেকেই একটি পক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু সরিয়ে নেওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়না।
‎
‎এ বিষয়ে থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আবারও যাতে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখনো কোন মামলা মোকদ্দমা দায়ের করা হয়নি। মামলা দায়ের করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার দুপুর বেলা উপজেলার বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে পূর্ব গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হওয়ার তাদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আহত আলমগীর মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সে সেখানে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্বজনরা জানান তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয় নাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বড়লেখায় বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত।

‎লাখাইয়ে সংঘর্ষ পরবর্তী মামলা আতংকে ধান,চালসহ গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে প্রতিপক্ষ!

সময় ০৫:৪৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে।


‎

‎
‎লাখাইয়ের স্থানীয় বুল্লাবাজারে কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা পরবর্তী সময়ে মামলা আতংকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী, ধানচাল সহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী বিভিন্ন গ্রামের আত্মীয়ের বাড়ীতে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয় বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী ও লোকজনের মধ্যে নানাবিধ আলোচনা চলছে। একদিকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে গুরুতর আহত আলমগীর মিয়া সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ এ সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসা চলছে। যে কোন সময় তাঁর অবস্থার অবনতি হতে পারে। এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষ আতংকিত হয়ে তাদের মালামাল লুট পাট হতে পারে এমন আশংকা থেকে তা সরিয়ে নিচ্ছে।
‎
‎আবার কেউবা বলছেন চিকিৎসাধীন রোগীর অবস্থা কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এমনতর অবস্থায় মালামাল সরানোর কি কারন থাকতে পারে। সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে  এখনোও কোন মামলা মোকদ্দমা হয়নি বা লুটপাট হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি এমন অবস্থায় মালামাল সরানোর চেষ্টা কি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কোন সরযন্ত্রের প্রস্তুতি?
‎খোঁজ নিয়ে জানা যায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পুলিশ প্রশাসন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সম্ভব সবকিছু করে যাচ্ছে এবং নতুন করে যাতে অবনতি না ঘটে তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

হামলাকারী পক্ষ মালমাল সরিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ


‎
‎রবিবার উপজেলার পূর্ব বুল্লা গ্রামে বিবদমান পক্ষের এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় একটি পক্ষ তাদের বাড়ির মালামাল রিকশা ও ভ্যানযোগে সরিয়ে নিচ্ছে। এ সময় আলাপকালে তাঁরা জানান, আমাদের মধ্যে কেউ কেউ তাদের মালামাল আত্মীয় স্বজন এর বাড়িতে সরিয়ে নিচ্ছে, গোলার ধান বিক্রি করছেন। তবে সবাই তা করছেন না বলে জানান।
‎এ বিষয়ে বুল্লাবাজার এর ব্যবসায়ী সুবেল মিয়া, পেশু মিয়া, অন্তর মিয়ার সাথে আলাপকালে জানান মারামারির পর থেকেই একটি পক্ষের লোকজন তাদের বাড়ি ঘরের মূল্যবান গৃহস্থালি সামগ্রী সরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু সরিয়ে নেওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয়না।
‎
‎এ বিষয়ে থানা পুলিশ এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আবারও যাতে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয় সেদিকে পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এখনো কোন মামলা মোকদ্দমা দায়ের করা হয়নি। মামলা দায়ের করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎উল্লেখ্য গত বৃহস্পতিবার দুপুর বেলা উপজেলার বুল্লাবাজার এ কলমিশাক নিয়ে দোকান বসানোর জেরে পূর্ব গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হওয়ার তাদের হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আহত আলমগীর মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সে সেখানে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্বজনরা জানান তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল হয় নাই।