সিলেট ০১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে ফিলিং স্টেশন থেকে শ্রমিক নেতার সিএনজি ছিনতাই অভিযোগ: মিলছে না হদিস! ‎কোম্পানীগঞ্জে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি লোকমান গ্রেফতার করল র‍্যাব। নবীগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৪৩ লাখ টাকার ভারতীয় চকলেট জব্দ, আটক ২ ‎জুড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন নবীগঞ্জে কলেজ ছাত্র হত্যা মামলার মূল আসামি হেলালসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ‎লাখাইয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। নবীগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলার সুধীজন ও কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা ‎টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নবীগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার





‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে সংঘটিত শাশুড়ি হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
‎গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার রাধানগর গ্রামের মৃত ছায়েদ আলীর ছেলে সুবেল মিয়া (২৭), একই গ্রামের নসামসুদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (২৬) এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের নুরুল আমীনের ছেলে জোবায়ের হোসেন (২৬)।

‎পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৬ মার্চ সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩)-এর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

‎নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর স্বামী মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তাদের ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বিদেশে (দুবাই) অবস্থান করছেন। তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার পরদিনই (১৭ মার্চ) পুত্রবধূ তামান্না আক্তার (২২)-কে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকে মামলার অন্যান্য আসামিরা পলাতক ছিলেন এবং অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
‎ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎প্রাথমিক জবানবন্দির তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে সুনামগঞ্জের এক যুবকের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ কয়েকজন বাড়িতে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী বাধা দিলে তাকে হাত-পা বেঁধে ও মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ফিলিং স্টেশন থেকে শ্রমিক নেতার সিএনজি ছিনতাই অভিযোগ: মিলছে না হদিস!

নবীগঞ্জে শাশুড়ি হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার

সময় ১১:৩২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬





‎হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জে সংঘটিত শাশুড়ি হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
‎গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার রাধানগর গ্রামের মৃত ছায়েদ আলীর ছেলে সুবেল মিয়া (২৭), একই গ্রামের নসামসুদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (২৬) এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলার মীর্জাপুর গ্রামের নুরুল আমীনের ছেলে জোবায়ের হোসেন (২৬)।

‎পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৬ মার্চ সকালে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের লামনীরপাড় গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী (৫৩)-এর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ লাগানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

‎নিহত ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরীর স্বামী মৃত সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তাদের ছেলে রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বিদেশে (দুবাই) অবস্থান করছেন। তিনি পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে ওই বাড়িতে বসবাস করতেন। ঘটনার পরদিনই (১৭ মার্চ) পুত্রবধূ তামান্না আক্তার (২২)-কে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

‎পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকে মামলার অন্যান্য আসামিরা পলাতক ছিলেন এবং অবস্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনে ছিলেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
‎ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল কাদির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎প্রাথমিক জবানবন্দির তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পুত্রবধূ তামান্না আক্তারের সঙ্গে সুনামগঞ্জের এক যুবকের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার রাতে ওই যুবকসহ কয়েকজন বাড়িতে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ফেরদৌসী ইসলাম চৌধুরী বাধা দিলে তাকে হাত-পা বেঁধে ও মুখে টেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।