সিলেট ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক ‎সিলেটে ও সুনামগঞ্জে র‍্যাব-বিআরটিএ’র যৌথ অভিযান: ১১ চালককে জরিমানা, ৭টি সিএনজি জব্দ‎ ‎বাডসের বৈশাখী উৎসবে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকঃ‎আলোকিত সমাজ গঠনে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা অপরিহার্য জামালপুরে গ্রিন বিজনেস মডেলে ভুট্টা চাষের ফসল চাষ প্রদর্শনী ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত প্রতিটি উপজেলায় হবে ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’: শিক্ষামন্ত্রী ‎ছাতকে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন,ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনে মুখর মেলা প্রাঙ্গণ।‎ সিলেটে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে মুক্তিপণ আদায়কারী ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার জুড়ীতে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উদযাপিত ‎কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস: এমপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম‎ জুড়ীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার কৃষক কার্ড পেলেন ৮২১ জন কৃষক

‎কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস: এমপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম‎

কানাডায় নব নির্বাচিত এমপি ডলি বেগম (ফাইল ছবি)


‎কানাডার ফেডারেল রাজনীতিতে এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। দেশটির সংসদীয় উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়ে চমক দেখিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৪ এপ্রিল, ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।

‎ডলি বেগমের এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং কানাডার জাতীয় রাজনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার হাউজ অব কমন্সে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
‎উল্লেখ্য,অন্টারিওর ইউনিভার্সিটি-রোজডেল ও স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এবং কুইবেকের তেরেবোন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে সোমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকার পরিচালনার জন্য লিবারেল পার্টির কেবল একটি আসনে জয়ের প্রয়োজন ছিল। ডলি বেগমের বিজয় সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করেছে। তাদের আগের আসন সংখ্যা ছিল ১৭১ বর্তমান আসন সংখ্যা ১৭৪ (ডলি বেগমের জয়সহ)। এখন সরকারের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
‎এই স্থিতিশীলতার ফলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত কোনো বাধা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বিলগুলো পাস করতে পারবেন।

‎ডলি বেগমের এই সাফল্য কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নতুন প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কমিউনিটি নেতারা।
‎ফেডারেল রাজনীতিতে আসার আগে ডলি বেগম অন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টে টানা তিনবার এমপিপি (মেম্বার অব প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট) হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন। তিনি ২০১৮ নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার এমপিপি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। ২০২২ ও ২০২৪ বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় প্রাদেশিক পার্লামেন্টে আসন ধরে রাখেন ডলি বেগম।

‎ডলি বেগমের জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার মনু নদের তীরে। মাত্র ১২ বছর বয়সে বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের সঙ্গে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (UCL) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
‎তার এই বিজয় প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে এবং কানাডার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক

‎কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস: এমপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম‎

সময় ১২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
কানাডায় নব নির্বাচিত এমপি ডলি বেগম (ফাইল ছবি)


‎কানাডার ফেডারেল রাজনীতিতে এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। দেশটির সংসদীয় উপনির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়ে চমক দেখিয়েছেন তিনি। সোমবার (১৪ এপ্রিল, ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।

‎ডলি বেগমের এই জয় কেবল তার ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং কানাডার জাতীয় রাজনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি কানাডার হাউজ অব কমন্সে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
‎উল্লেখ্য,অন্টারিওর ইউনিভার্সিটি-রোজডেল ও স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট এবং কুইবেকের তেরেবোন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে সোমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকার পরিচালনার জন্য লিবারেল পার্টির কেবল একটি আসনে জয়ের প্রয়োজন ছিল। ডলি বেগমের বিজয় সেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পূরণ করেছে। তাদের আগের আসন সংখ্যা ছিল ১৭১ বর্তমান আসন সংখ্যা ১৭৪ (ডলি বেগমের জয়সহ)। এখন সরকারের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
‎এই স্থিতিশীলতার ফলে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত কোনো বাধা ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী বিলগুলো পাস করতে পারবেন।

‎ডলি বেগমের এই সাফল্য কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নতুন প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কমিউনিটি নেতারা।
‎ফেডারেল রাজনীতিতে আসার আগে ডলি বেগম অন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টে টানা তিনবার এমপিপি (মেম্বার অব প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট) হিসেবে নির্বাচিত হয়ে নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন। তিনি ২০১৮ নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার এমপিপি নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন। ২০২২ ও ২০২৪ বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় প্রাদেশিক পার্লামেন্টে আসন ধরে রাখেন ডলি বেগম।

‎ডলি বেগমের জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার মনু নদের তীরে। মাত্র ১২ বছর বয়সে বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের সঙ্গে তিনি কানাডায় পাড়ি জমান। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং লন্ডনের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (UCL) থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
‎তার এই বিজয় প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে এবং কানাডার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।