সিলেট ০৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
News Title :
‎মাধবপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ‎প্রধান আসামি নাজমুল সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব-৯‎ ‎চট্টগ্রামে শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বিরোধে হত্যাচেষ্টা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার মৌলভীবাজারে নবাগত পুলিশ সুপারের যোগদান হরষপুর পুলিশ ফাঁড়িতে ‘হুমকি’ অভিযোগ মিথ্যা-আলফাজ মহলদারের প্রতিবাদ ‎নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুবিপ্রবি পূর্ব নির্ধারিত স্থানেই হবে : এমপি কয়ছর‎ হবিগঞ্জে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন ‎চুনারুঘাটে নদীভাঙন প্রতিরোধক জিও ব্যাগ কাজের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ ‎চুনারুঘাটে খোয়াই নদীতে গোসল করতে গিয়ে এক  বৃদ্ধ নিখোঁজ

‎​বানিয়াচংয়ে ২ সন্তানের জননীকে অপহরণ ও গণধর্ষণ: থানায় মামলা, আটক ২

ধর্ষণের অভিযোগে ২ জন কে পুলিশ গ্রেফতার করে।




‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে অসুস্থ নিখোঁজ ২ সন্তানের জননী (২৬) কে অপহরণ করে হাওরে রাতভর মাদক সেবন করে ধর্ষণ করে ৬ লম্পট।

পরদিন ঘটনার সাথে জড়িত ২জনকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। ‎এবং নিখোঁজের ২দিনের মাথায় সুবিদপুর ইউনিয়ন থেকে উদ্ধার করা হয় নিখোঁজ নারীকে।

‎পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় থানা পুলিশ।

‎৬ এপ্রিল (সোমবার) গ্রেফতারকৃত দুই আসামীর জামিন চাওয়া হলে আদালতে জামিনের বিরোধীতা করেন ভিকটিমের (আইনজীবী) ‎এডভোকেট তারেক শাওন।

‎পরে বিচারক আসামীদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের করার নির্দেশ প্রদান করেন।

‎এদিকে উদ্ধার হওয়া নিখোঁজ নারীর ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।

‎পরে ভিকটিম নারীকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী এডভোকেট তারেক শাওন।

‎মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা সদরের ২নং উত্তর পশ্চিম ইউনিয়নের পাইকপাড়া মহল্লার পিতা আব্দুল খালেক মিয়ার বাড়ি থেকে ২ এপ্রিল

‎(বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে বোনের বাড়ি চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা বলে মানসিক অসুস্থ ২ সন্তানের জননী বের হয়। পরিবারের লোকজন জানতে পারেন সে বোনের বাড়িতে যায় নাই। তারপর নিখোঁজ নারীকে আত্বীয় স্বজনের বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা মহল্লার ভাঙ্গারপাড় এলাকায় অবস্থিত চট্রগ্রাম যাওয়ার বাস কাউন্টারে যোগাযোগ করেন।

‎এবং অসুস্থ মহিলার বর্ণনা দিয়ে জানতে চান, এরকম কোন মহিলা তাদের এখান থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছেন কিনা,তখন কাউন্টারের একজন জানায়, তাদের এলাকার সোহান নামের টমটম (মিশুক) চালকের (ড্রাইভার) এর গাড়িতে করে যেতে দেখেছেন।

‎পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতা নিয়ে ঐ চালক ও সাথে থাকা আকাশ রবি দাসকে বের করে কুন্ডরপাড় বাস কাউন্টারে নিয়ে আসেন।

‎এবং এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকারোক্তি দিয়ে তাদের সাথে অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন। ‎বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করা হলে,

তাৎক্ষণিক (ওসি) শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে আটককৃতদের উদ্ধার করে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থল  যাত্রাপাশা এলাকার বাসিয়ার হাওরের জনৈক রাজু মিয়ার টমেটো ক্ষেত পাহারা দেওয়ার উরা (ছোপরা) ঘর থেকে নিখোঁজ নারীর কাপড় চোপড় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

‎রাতে তাদেরকে থানা পুলিশ নিখোঁজ নারীকে কোথায় রাখা হয়েছে এবং তার সাথে কি করা হয়েছে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

‎তখন তারা তাদের সাথে থাকা সকল সহযোগীদের নাম ঠিকানা জানিয়ে বলে,৬জন মিলে মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। এবং অনেকেই রাতভর মদ সহ অন্যান্য মাদক সেবন করে (বৃহস্পতিবার) ২ এপ্রিল থেকে ৩ এপ্রিল(শুক্রবার) বিকাল পর্যন্ত ঐ মহিলার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় তারা!
‎পুলিশ তাদের স্বীকারোক্তির পর রাতভর নিখোঁজ নারীকে উদ্ধার করে কোথাও সন্ধান পায়নি।

‎পরদিন জনতার হাতে আটকৃত দুই লম্পট সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ ও একজনকে অঞ্জাত আসামী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ৪ এপ্রিল (শনিবার) ভিকটিম এর আপন মামা আবু ইউসুফ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার নাম্বার (০৪)২০২৬ইং। ‎মামলার রেকর্ডভুক্ত আসামীদের মধ্যে প্রধান আসামী সহ দুইজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

‎আসামীরা হলো বানিয়াচংয়ের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা মহল্লার রজই উল্বার পুত্র প্রধান আসামী সোহান (২৬) ও একই ঠিকানার অর্জুন রবিদাস এর পুত্র আকাশ রবি দাস (৩২) কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন পুলিশ। এবং অন্যান্য বাকি পলাতক আসামীরা হলো বানিয়াচং ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রা পাশা মহল্লার মৃত মখলিছ মিয়ার পুত্র মসিউর রহমান ওরফে মসু মিয়া (২৬) ‎সামছুদ্দীন মিয়ার পুত্র ইয়াহিয়া ওরফে এহিয়া মিয়া (২৫) আহাদ উল্বার পুত্র নুর জামাল (৩৪) সহ অজ্ঞাত একজন।
‎অপরদিকে নিখোঁজ হওয়া অসুস্থ দুই পুত্র সন্তানের জননীকে ৪ এপ্রিল (শনিবার) বিকালে

১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বাঘজুর এলাকায় তার অবস্থান জানতে পেরে সেখান থেকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে তাদের হেফাজতে রাখেন। এবং ৫ এপ্রিল পরদিন (রবিবার) ঐ অসুস্থ নারীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তার ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য। ‎এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভিকটিম ঐ নারীকে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেন থানা পুলিশ।


‎‎এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এসবের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ পরিদর্শক (এসআই)কবির হোসেনকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। ‎তিনি পলাতক থাকা আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎এ ব্যাপারে মামলার এসআই (আইও) কবির হোসেন এর সাথে মুঠোফোন রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মাধবপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার

‎​বানিয়াচংয়ে ২ সন্তানের জননীকে অপহরণ ও গণধর্ষণ: থানায় মামলা, আটক ২

সময় ১১:৩৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
ধর্ষণের অভিযোগে ২ জন কে পুলিশ গ্রেফতার করে।




‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে অসুস্থ নিখোঁজ ২ সন্তানের জননী (২৬) কে অপহরণ করে হাওরে রাতভর মাদক সেবন করে ধর্ষণ করে ৬ লম্পট।

পরদিন ঘটনার সাথে জড়িত ২জনকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। ‎এবং নিখোঁজের ২দিনের মাথায় সুবিদপুর ইউনিয়ন থেকে উদ্ধার করা হয় নিখোঁজ নারীকে।

‎পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানায় থানা পুলিশ।

‎৬ এপ্রিল (সোমবার) গ্রেফতারকৃত দুই আসামীর জামিন চাওয়া হলে আদালতে জামিনের বিরোধীতা করেন ভিকটিমের (আইনজীবী) ‎এডভোকেট তারেক শাওন।

‎পরে বিচারক আসামীদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের করার নির্দেশ প্রদান করেন।

‎এদিকে উদ্ধার হওয়া নিখোঁজ নারীর ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।

‎পরে ভিকটিম নারীকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী এডভোকেট তারেক শাওন।

‎মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা সদরের ২নং উত্তর পশ্চিম ইউনিয়নের পাইকপাড়া মহল্লার পিতা আব্দুল খালেক মিয়ার বাড়ি থেকে ২ এপ্রিল

‎(বৃহস্পতিবার) দুপুরের দিকে বোনের বাড়ি চট্টগ্রাম যাওয়ার কথা বলে মানসিক অসুস্থ ২ সন্তানের জননী বের হয়। পরিবারের লোকজন জানতে পারেন সে বোনের বাড়িতে যায় নাই। তারপর নিখোঁজ নারীকে আত্বীয় স্বজনের বাড়ি-ঘর সহ বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুঁজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা মহল্লার ভাঙ্গারপাড় এলাকায় অবস্থিত চট্রগ্রাম যাওয়ার বাস কাউন্টারে যোগাযোগ করেন।

‎এবং অসুস্থ মহিলার বর্ণনা দিয়ে জানতে চান, এরকম কোন মহিলা তাদের এখান থেকে চট্টগ্রাম গিয়েছেন কিনা,তখন কাউন্টারের একজন জানায়, তাদের এলাকার সোহান নামের টমটম (মিশুক) চালকের (ড্রাইভার) এর গাড়িতে করে যেতে দেখেছেন।

‎পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতা নিয়ে ঐ চালক ও সাথে থাকা আকাশ রবি দাসকে বের করে কুন্ডরপাড় বাস কাউন্টারে নিয়ে আসেন।

‎এবং এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকারোক্তি দিয়ে তাদের সাথে অন্যান্য সহযোগীদের নাম প্রকাশ করেন। ‎বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করা হলে,

তাৎক্ষণিক (ওসি) শরীফ আহমেদ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে আটককৃতদের উদ্ধার করে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনাস্থল  যাত্রাপাশা এলাকার বাসিয়ার হাওরের জনৈক রাজু মিয়ার টমেটো ক্ষেত পাহারা দেওয়ার উরা (ছোপরা) ঘর থেকে নিখোঁজ নারীর কাপড় চোপড় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

‎রাতে তাদেরকে থানা পুলিশ নিখোঁজ নারীকে কোথায় রাখা হয়েছে এবং তার সাথে কি করা হয়েছে জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

‎তখন তারা তাদের সাথে থাকা সকল সহযোগীদের নাম ঠিকানা জানিয়ে বলে,৬জন মিলে মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। এবং অনেকেই রাতভর মদ সহ অন্যান্য মাদক সেবন করে (বৃহস্পতিবার) ২ এপ্রিল থেকে ৩ এপ্রিল(শুক্রবার) বিকাল পর্যন্ত ঐ মহিলার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায় তারা!
‎পুলিশ তাদের স্বীকারোক্তির পর রাতভর নিখোঁজ নারীকে উদ্ধার করে কোথাও সন্ধান পায়নি।

‎পরদিন জনতার হাতে আটকৃত দুই লম্পট সহ ৫ জনের নাম উল্লেখ ও একজনকে অঞ্জাত আসামী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ৪ এপ্রিল (শনিবার) ভিকটিম এর আপন মামা আবু ইউসুফ বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার নাম্বার (০৪)২০২৬ইং। ‎মামলার রেকর্ডভুক্ত আসামীদের মধ্যে প্রধান আসামী সহ দুইজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

‎আসামীরা হলো বানিয়াচংয়ের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রাপাশা মহল্লার রজই উল্বার পুত্র প্রধান আসামী সোহান (২৬) ও একই ঠিকানার অর্জুন রবিদাস এর পুত্র আকাশ রবি দাস (৩২) কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন পুলিশ। এবং অন্যান্য বাকি পলাতক আসামীরা হলো বানিয়াচং ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়নের যাত্রা পাশা মহল্লার মৃত মখলিছ মিয়ার পুত্র মসিউর রহমান ওরফে মসু মিয়া (২৬) ‎সামছুদ্দীন মিয়ার পুত্র ইয়াহিয়া ওরফে এহিয়া মিয়া (২৫) আহাদ উল্বার পুত্র নুর জামাল (৩৪) সহ অজ্ঞাত একজন।
‎অপরদিকে নিখোঁজ হওয়া অসুস্থ দুই পুত্র সন্তানের জননীকে ৪ এপ্রিল (শনিবার) বিকালে

১০নং সুবিদপুর ইউনিয়নের বাঘজুর এলাকায় তার অবস্থান জানতে পেরে সেখান থেকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে তাদের হেফাজতে রাখেন। এবং ৫ এপ্রিল পরদিন (রবিবার) ঐ অসুস্থ নারীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তার ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য। ‎এবং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ভিকটিম ঐ নারীকে তার পরিবারের জিম্মায় দিয়ে দেন থানা পুলিশ।


‎‎এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শরীফ আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি এসবের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ পরিদর্শক (এসআই)কবির হোসেনকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। ‎তিনি পলাতক থাকা আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎এ ব্যাপারে মামলার এসআই (আইও) কবির হোসেন এর সাথে মুঠোফোন রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।