সিলেট ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা! বড়লেখায় নিসচার উদ্যোগে সড়কে ঝোপঝাড় পরিষ্কার, মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন

‎সারাদেশে কওমী মাদ্রাসায় ভর্তি শুরু: ভর্তি,পরিক্ষা পদ্ধতির উন্নয়নসহ নানান বিষয়ে কিছু পরামর্শ –

‎


‎

‎গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ৪৯তম কওমী মাদ্রাসার বৃহত্তম বোর্ড বেফাকের কেন্দ্রীয় পরিক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। গড় পাসের হার ৮০.৯৫ শতাংশ এবং কওমী মাদরাসা সর্বোচ্চ বোর্ড আল-হাইয়ায়াতুল উলইয়ার রেজাল্ট ২৪ মার্চ -২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে। পাসের হার প্রায় ৬৭% ।

‎সারাদেশে কওমী মাদ্রাসার ভর্তি চলছে। সকল ভর্তিকৃত ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের কে অভিনন্দন।।

‎সাম্প্রতিক বেফাকসহ বিভিন্ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরিক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। কৃতকার্যদের অভিনন্দন। যারা অকৃতকার্য হয়েছেন তাদের সামনে আরো ভালো করবে আশা পূষণ করছি।

‎সার্বিক উন্নয়নে কিছু পরামর্শ –

‎(১)-অনেকেই একের অধিক রাসিব/Failed করেছেন তাদের কে উক্ত বিষয়ে  কৃতকার্য হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে কৃতকার্য হয়েই আপার ক্লাসে ভর্তি হতে পরামর্শ দিচ্ছি। যদিও কেউই হয়তো নাও মানতে পারেন। তারপরও ভবিষ্যত ইলম-আমল ও জীবনে সকল ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য এটি খুবই জরুরি।

‎(২)-অনেকেই এক বা একাধিক ক্লাস উত্তীর্ণ না হয় আপার ক্লাসে ভর্তি হতে চেষ্টা করে । তাও এক বা একাধিক সাবজেক্ট ফেইল করে। অথচ আমাদের সময় ক্লাসে/বোর্ডে বার্ষিক/কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় ফার্স্ট হয়েও উপর ক্লাসে ভর্তির সুযোগ দেয়া হতো না।

‎এখন অনেক ছাত্র হেদায়েতুন্নাহু/কাফিয়া পড়ে সরাসরি মুখতাসরে। আবার মুখতাসর পড়ে মিশকাতে ভর্তি হয়ে যায়। এমনকি গতবছর একজন ছাত্র কাফিয়ায় পরীক্ষায় রাসিব হয়েও এক মাদ্রাসায় মিশকাতে ভর্তি হয়েছে তথ্য আছে। এগুলো একমাত্র কওমী ছাড়া অন্য কোথাও আছে বলে জানা নেই। এ থেকে বের হয়ে না আসলে ভবিষ্যত কিতাবি যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম পাওয়া দুষ্কর হবে।

‎ (৩)-আবার কোন কোন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মিশকাত/দাওরার শিক্ষার্থী বেশি দেখাতে/বা উক্ত ক্লাস ধরে রাখতে দূর্নীতির সুযোগ দেন । যার ফলে যোগ্য আলেম তৈরির পথ রুদ্ধ হয় । এর দায় যেমন শিক্ষার্থীদের তেমনি উক্ত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের । বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও দায় এড়াতে পারে না। কেননা ওরা বোর্ড পরিক্ষায় ও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে যায় প্রমাণ আছে।

‎তাই বোর্ড/প্রতিষ্ঠান নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নিচের পঠিত শ্রেণীর উত্তীর্ণের যাবতীয় প্রমাণসহ ইত্যাদি ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করে ভর্তি করলেই ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠান/বোর্ড/শিক্ষার্থী সকলের কল্যাণ হবে। না হয় একসময় এভাবে চললে আগামীর ভবিষ্যতে কওমী মাদ্রাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন বর্তমান আলীয়ার চেয়েও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে!

‎(বোর্ড কর্তৃক পক্ষের নিকট পরামর্শ:

‎(১)-এক বিষয়ে ফেইল হলেই তাকে অকৃতকার্য হিসেবে গণ্য করা। অনেক বোর্ড দুই সাবজেক্টে ফেইল হলে পাস হয়েছে হিসেবে গণ্য করেন। আর দুয়ের অধিক ফেইল হলে অকৃতকার্য হিসেবে দেখিয়ে থাকেন। এটির দ্বারা পড়ালেখার প্রতি ছাত্রদের অমনোযোগী হতে সাহায্য করে। এছাড়া সরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষায় তাদের কে কৃতকার্য গণ্য করে না। তাই কওমী মাদ্রাসা বোর্ডের সুনাম বৃদ্ধির জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।

‎ বোর্ড পরিক্ষার প্রশ্নের মানোন্নয়নে মনোযোগ দেয়া জরুরি। প্রশ্নোত্তর তিনটি বাধ্যতামূলক না রেখে ৭-১০টি প্রশ্নোত্তর বাধ্যতামূলক করেন। প্রশ্নোত্তরের মান ৩৩ এর পরিবর্তে ১০-১২ এর ভিতরেই রাখেন।

‎এতে শিক্ষার্থী বেশি প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি আত্মস্থ করবে এবং সম্পুর্ন কিতাব মুতায়ালায় মনোযোগ দিবে যারা ভালো রেজাল্ট করতে চান।

‎(২)-তিনটি প্রশ্নোত্তরের মান ১০০। এটি বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক মানের আলোকে শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধা যাচাই যোগ্য মনে হয়না।

‎(৩)- সরকারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নোত্তর মান, প্রশ্ন প্রণয়ন পদ্ধতি সামনে রাখতে পারেন।

‎সরকারী, বিশ্ববিদ্যালয় ও কিছু কওমী মাদ্রাসার আঞ্চলিক বোর্ড এ ৭-১০ টি প্রশ্নোত্তর বাধ্যতামূলক করলেই লিখলেই ১০০মার্ক প্রাপ্য, সেখানে বেফাক বোর্ড কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় তিনটি প্রশ্নোত্তর লিখতে পারলেই প্রাপ্য নম্বর ১০০ নির্ধারিত। এটি সংস্করণ করা প্রয়োজন বলে মনে করি।

‎(৪)-বোর্ড পরিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজালট পাবলিশ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করা। মেধাতালিকা নির্ধারণে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইকরণ জরুরি। অনেকেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন দেখেছি যে মেধাতালিকায় নাম আসেনি। পরে নজরে সানির পর মেধাতালিকায় নাম এসেছে। এতে বোর্ড কর্তৃপক্ষের গাফিলতি দিকে আঙুল ওঠে।

‎(৫)-সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠা তাখাচ্ছুছের কোর্সগুলো যেমন : (ইফতা,আদব, তাফসির ও উলুমুল হাদীস)কে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা এবং সিলেবাস, ভর্তির যোগ্যতা নির্ধারণ,কেন্দ্রীয় পরিক্ষা এবং কোর্সের সময় একি পদ্ধতি অবলম্বন করা।

‎যত্রতত্র যে কেউ তাখাচ্ছুছ খোলে যেন ব্যবসা না করতে পারে সেইজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

‎এর সবচেয়ে বড়ো ক্ষতি হবে যখন বড়োদের জায়গা একসময় এই অযোগ্য লোকেরাই দখল করবে তখন দ্বীনের অবস্থা কেমন হবে?

‎এসকল বিষয়ে মনোযোগ দিলে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার উন্নতি বিশ্বমানের হবে বলে মনে করি।

‎লেখক;-শিক্ষক ও সাংবাদিক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার

‎সারাদেশে কওমী মাদ্রাসায় ভর্তি শুরু: ভর্তি,পরিক্ষা পদ্ধতির উন্নয়নসহ নানান বিষয়ে কিছু পরামর্শ –

সময় ০৮:৪০:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

‎


‎

‎গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে ৪৯তম কওমী মাদ্রাসার বৃহত্তম বোর্ড বেফাকের কেন্দ্রীয় পরিক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। গড় পাসের হার ৮০.৯৫ শতাংশ এবং কওমী মাদরাসা সর্বোচ্চ বোর্ড আল-হাইয়ায়াতুল উলইয়ার রেজাল্ট ২৪ মার্চ -২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে। পাসের হার প্রায় ৬৭% ।

‎সারাদেশে কওমী মাদ্রাসার ভর্তি চলছে। সকল ভর্তিকৃত ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের কে অভিনন্দন।।

‎সাম্প্রতিক বেফাকসহ বিভিন্ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরিক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে। কৃতকার্যদের অভিনন্দন। যারা অকৃতকার্য হয়েছেন তাদের সামনে আরো ভালো করবে আশা পূষণ করছি।

‎সার্বিক উন্নয়নে কিছু পরামর্শ –

‎(১)-অনেকেই একের অধিক রাসিব/Failed করেছেন তাদের কে উক্ত বিষয়ে  কৃতকার্য হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে কৃতকার্য হয়েই আপার ক্লাসে ভর্তি হতে পরামর্শ দিচ্ছি। যদিও কেউই হয়তো নাও মানতে পারেন। তারপরও ভবিষ্যত ইলম-আমল ও জীবনে সকল ক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য এটি খুবই জরুরি।

‎(২)-অনেকেই এক বা একাধিক ক্লাস উত্তীর্ণ না হয় আপার ক্লাসে ভর্তি হতে চেষ্টা করে । তাও এক বা একাধিক সাবজেক্ট ফেইল করে। অথচ আমাদের সময় ক্লাসে/বোর্ডে বার্ষিক/কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় ফার্স্ট হয়েও উপর ক্লাসে ভর্তির সুযোগ দেয়া হতো না।

‎এখন অনেক ছাত্র হেদায়েতুন্নাহু/কাফিয়া পড়ে সরাসরি মুখতাসরে। আবার মুখতাসর পড়ে মিশকাতে ভর্তি হয়ে যায়। এমনকি গতবছর একজন ছাত্র কাফিয়ায় পরীক্ষায় রাসিব হয়েও এক মাদ্রাসায় মিশকাতে ভর্তি হয়েছে তথ্য আছে। এগুলো একমাত্র কওমী ছাড়া অন্য কোথাও আছে বলে জানা নেই। এ থেকে বের হয়ে না আসলে ভবিষ্যত কিতাবি যোগ্যতা সম্পন্ন আলেম পাওয়া দুষ্কর হবে।

‎ (৩)-আবার কোন কোন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মিশকাত/দাওরার শিক্ষার্থী বেশি দেখাতে/বা উক্ত ক্লাস ধরে রাখতে দূর্নীতির সুযোগ দেন । যার ফলে যোগ্য আলেম তৈরির পথ রুদ্ধ হয় । এর দায় যেমন শিক্ষার্থীদের তেমনি উক্ত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের । বোর্ড কর্তৃপক্ষ ও দায় এড়াতে পারে না। কেননা ওরা বোর্ড পরিক্ষায় ও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে যায় প্রমাণ আছে।

‎তাই বোর্ড/প্রতিষ্ঠান নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নিচের পঠিত শ্রেণীর উত্তীর্ণের যাবতীয় প্রমাণসহ ইত্যাদি ডকুমেন্ট যাচাই-বাছাই করে ভর্তি করলেই ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠান/বোর্ড/শিক্ষার্থী সকলের কল্যাণ হবে। না হয় একসময় এভাবে চললে আগামীর ভবিষ্যতে কওমী মাদ্রাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন বর্তমান আলীয়ার চেয়েও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে!

‎(বোর্ড কর্তৃক পক্ষের নিকট পরামর্শ:

‎(১)-এক বিষয়ে ফেইল হলেই তাকে অকৃতকার্য হিসেবে গণ্য করা। অনেক বোর্ড দুই সাবজেক্টে ফেইল হলে পাস হয়েছে হিসেবে গণ্য করেন। আর দুয়ের অধিক ফেইল হলে অকৃতকার্য হিসেবে দেখিয়ে থাকেন। এটির দ্বারা পড়ালেখার প্রতি ছাত্রদের অমনোযোগী হতে সাহায্য করে। এছাড়া সরকারি স্কুল কলেজ মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষায় তাদের কে কৃতকার্য গণ্য করে না। তাই কওমী মাদ্রাসা বোর্ডের সুনাম বৃদ্ধির জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি।

‎ বোর্ড পরিক্ষার প্রশ্নের মানোন্নয়নে মনোযোগ দেয়া জরুরি। প্রশ্নোত্তর তিনটি বাধ্যতামূলক না রেখে ৭-১০টি প্রশ্নোত্তর বাধ্যতামূলক করেন। প্রশ্নোত্তরের মান ৩৩ এর পরিবর্তে ১০-১২ এর ভিতরেই রাখেন।

‎এতে শিক্ষার্থী বেশি প্রশ্নের উত্তর দিতে বেশি আত্মস্থ করবে এবং সম্পুর্ন কিতাব মুতায়ালায় মনোযোগ দিবে যারা ভালো রেজাল্ট করতে চান।

‎(২)-তিনটি প্রশ্নোত্তরের মান ১০০। এটি বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক মানের আলোকে শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধা যাচাই যোগ্য মনে হয়না।

‎(৩)- সরকারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নোত্তর মান, প্রশ্ন প্রণয়ন পদ্ধতি সামনে রাখতে পারেন।

‎সরকারী, বিশ্ববিদ্যালয় ও কিছু কওমী মাদ্রাসার আঞ্চলিক বোর্ড এ ৭-১০ টি প্রশ্নোত্তর বাধ্যতামূলক করলেই লিখলেই ১০০মার্ক প্রাপ্য, সেখানে বেফাক বোর্ড কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় পরিক্ষায় তিনটি প্রশ্নোত্তর লিখতে পারলেই প্রাপ্য নম্বর ১০০ নির্ধারিত। এটি সংস্করণ করা প্রয়োজন বলে মনে করি।

‎(৪)-বোর্ড পরিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজালট পাবলিশ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করা। মেধাতালিকা নির্ধারণে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইকরণ জরুরি। অনেকেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন দেখেছি যে মেধাতালিকায় নাম আসেনি। পরে নজরে সানির পর মেধাতালিকায় নাম এসেছে। এতে বোর্ড কর্তৃপক্ষের গাফিলতি দিকে আঙুল ওঠে।

‎(৫)-সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠা তাখাচ্ছুছের কোর্সগুলো যেমন : (ইফতা,আদব, তাফসির ও উলুমুল হাদীস)কে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা এবং সিলেবাস, ভর্তির যোগ্যতা নির্ধারণ,কেন্দ্রীয় পরিক্ষা এবং কোর্সের সময় একি পদ্ধতি অবলম্বন করা।

‎যত্রতত্র যে কেউ তাখাচ্ছুছ খোলে যেন ব্যবসা না করতে পারে সেইজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

‎এর সবচেয়ে বড়ো ক্ষতি হবে যখন বড়োদের জায়গা একসময় এই অযোগ্য লোকেরাই দখল করবে তখন দ্বীনের অবস্থা কেমন হবে?

‎এসকল বিষয়ে মনোযোগ দিলে কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার উন্নতি বিশ্বমানের হবে বলে মনে করি।

‎লেখক;-শিক্ষক ও সাংবাদিক।