সিলেট ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎করাব ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা মাহবুব আলম মালু বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ মৌলভীবাজারে পিকআপসহ চারজন আটক, চুরি হওয়া দুই গাভী উদ্ধার ‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান পদ্ম হাতে “তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর” প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা‎ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সম্পাদক কে.এম. লিমনকে গ্রাম পুলিশের সংবর্ধনা ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা: দিরাই থেকে ২ আসামি গ্রেফতার মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিতকরণের শুভ উদ্বোধন ‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অঙ্গীকার লাখাইর করাব ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদল নেতা জাকারিয়া চৌধুরী রতন

টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা: নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় নতুন পদক্ষেপ

সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে প্রতিটি কেন্দ্রে


‎
‎আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদীয় আসনে বইছে ভোটের হাওয়া। তবে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জেলাজুড়ে এক হাজার ৬৩টি ভোটকেন্দ্রে সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।
‎
‎জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার প্রয়োগ নির্বিঘ্ন করতে জেলাজুড়ে ১,০৬৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৬,৩৪১টি বুথ (কক্ষ) প্রস্তুত করা হয়েছে।
‎
‎নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১,০৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬০টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ৯০৩টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এই সিসি ক্যামেরা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা আনতে ‘ওষুধের’ মতো কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‎
‎ভোটের দিন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং ভোট জালিয়াতি রোধে পুরো জেলাজুড়ে ২,৩৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বুথ ও কেন্দ্রের প্রবেশপথে এই ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে এই ফুটেজগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
‎
‎অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, যে কোন পরিস্থিতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি কোনো কেন্দ্রে গোলযোগ বা অনিয়মের আভাস পাওয়া যায়, তবে ফুটেজ দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোট গ্রহণ স্থগিত করার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে তিনি জানান।
‎
‎
‎স্থানীয় ভোটাররা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সাধারণ ভোটারদের মতে,সিসি ক্যামেরা থাকায় কেন্দ্র দখল বা জাল ভোটের ভয় অনেকটাই কমে যাবে। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রযুক্তির এই ব্যবহার কেবল অপরাধ দমন নয়, বরং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
‎ডিজিটাল এই পাহারায় ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা জেলা প্রশাসনের।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎করাব ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা মাহবুব আলম মালু

টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা: নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় নতুন পদক্ষেপ

সময় ০৭:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে প্রতিটি কেন্দ্রে


‎
‎আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদীয় আসনে বইছে ভোটের হাওয়া। তবে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত দিক হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রযুক্তির ব্যবহার। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জেলাজুড়ে এক হাজার ৬৩টি ভোটকেন্দ্রে সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ ভোটাররা।
‎
‎জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন। বিশাল এই জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার প্রয়োগ নির্বিঘ্ন করতে জেলাজুড়ে ১,০৬৩টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৬,৩৪১টি বুথ (কক্ষ) প্রস্তুত করা হয়েছে।
‎
‎নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১,০৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬০টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি ৯০৩টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এই সিসি ক্যামেরা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা আনতে ‘ওষুধের’ মতো কাজ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‎
‎ভোটের দিন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং ভোট জালিয়াতি রোধে পুরো জেলাজুড়ে ২,৩৬০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি বুথ ও কেন্দ্রের প্রবেশপথে এই ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছে। রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে এই ফুটেজগুলো সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
‎
‎অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, যে কোন পরিস্থিতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যদি কোনো কেন্দ্রে গোলযোগ বা অনিয়মের আভাস পাওয়া যায়, তবে ফুটেজ দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ভোট গ্রহণ স্থগিত করার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে তিনি জানান।
‎
‎
‎স্থানীয় ভোটাররা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সাধারণ ভোটারদের মতে,সিসি ক্যামেরা থাকায় কেন্দ্র দখল বা জাল ভোটের ভয় অনেকটাই কমে যাবে। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, প্রযুক্তির এই ব্যবহার কেবল অপরাধ দমন নয়, বরং নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
‎ডিজিটাল এই পাহারায় ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে জয়ী করতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা জেলা প্রশাসনের।

‎