সিলেট ০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান পদ্ম হাতে “তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর” প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা‎ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সম্পাদক কে.এম. লিমনকে গ্রাম পুলিশের সংবর্ধনা ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা: দিরাই থেকে ২ আসামি গ্রেফতার মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিতকরণের শুভ উদ্বোধন ‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অঙ্গীকার লাখাইর করাব ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদল নেতা জাকারিয়া চৌধুরী রতন বড়লেখায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। ‎বালাগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন চাচা হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ভুয়া চিকিৎসক আরিফ আটক

‎সিলেটে কথা সাহিত্যিক সৈয়দা আয়েশা আহমেদকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান

বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপক ড.জহিরুল হক শাকিল ও দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী।


‎

‎

‎

‎সিলেটের বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দা আয়েশা আহমেদকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) ভবনের হলরুমে ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‎

‎ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও লোক গবেষক আবু সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে এবং নাহিদা খান সুর্মির প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেক বক্তব্য রাখেন, স্কলার্স হোম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, গবেষক ও সাহিত্যিক কেমুসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, এফআই ডি ভি এডুকেশন প্রোগ্রামের পরিচালক শিরিন আক্তার।

‎

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. জহিরুল হক শাকিল বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,আমরা বর্তমান সময়ে বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছি। আমরা এখন অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউব এবং ফেসবুক নির্ভর হয়ে পড়েছি। লেখকরা অনেক কষ্ট ও সাধনা করে বই লেখেন, কিন্তু আমাদের পড়ার অনীহা বাড়ছে। তিনি লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদের সাহিত্যকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

সংবর্ধিত লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।


‎বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে, সৈয়দা আয়েশা আহমেদের লেখনশৈলী ও সাহিত্যের গভীরতা নিয়ে চমৎকার আলোচনা করেন।

‎অনুষ্ঠানে ফোরামের হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলা শাখা থেকে আগত নেতৃবৃন্দও সংবর্ধিত লেখকের সাহিত্যিক অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন।

অতিথিদের বরণ।

‎অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আয়োজক কমিটি ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

‎সংবর্ধনার জবাবে লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদ আয়োজক কমিটি ও উপস্থিত অতিথিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

‎তিনি আগামী দিনে আরও মানসম্মত সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান

‎সিলেটে কথা সাহিত্যিক সৈয়দা আয়েশা আহমেদকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান

সময় ০৪:৪৩:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপক ড.জহিরুল হক শাকিল ও দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী।


‎

‎

‎

‎সিলেটের বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দা আয়েশা আহমেদকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস) ভবনের হলরুমে ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‎

‎ইউএস-বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরামের সভাপতি ও লোক গবেষক আবু সালেহ আহমদের সভাপতিত্বে এবং নাহিদা খান সুর্মির প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেক বক্তব্য রাখেন, স্কলার্স হোম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন, গবেষক ও সাহিত্যিক কেমুসাস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাহমুদ রাজা চৌধুরী, এফআই ডি ভি এডুকেশন প্রোগ্রামের পরিচালক শিরিন আক্তার।

‎

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. জহিরুল হক শাকিল বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,আমরা বর্তমান সময়ে বই পড়া থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছি। আমরা এখন অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউব এবং ফেসবুক নির্ভর হয়ে পড়েছি। লেখকরা অনেক কষ্ট ও সাধনা করে বই লেখেন, কিন্তু আমাদের পড়ার অনীহা বাড়ছে। তিনি লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদের সাহিত্যকর্মের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নতুন প্রজন্মকে বইমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

সংবর্ধিত লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।


‎বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে, সৈয়দা আয়েশা আহমেদের লেখনশৈলী ও সাহিত্যের গভীরতা নিয়ে চমৎকার আলোচনা করেন।

‎অনুষ্ঠানে ফোরামের হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলা শাখা থেকে আগত নেতৃবৃন্দও সংবর্ধিত লেখকের সাহিত্যিক অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন।

অতিথিদের বরণ।

‎অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আয়োজক কমিটি ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ সৈয়দা আয়েশা আহমেদের হাতে সম্মাননা মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

‎সংবর্ধনার জবাবে লেখক সৈয়দা আয়েশা আহমেদ আয়োজক কমিটি ও উপস্থিত অতিথিদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

‎তিনি আগামী দিনে আরও মানসম্মত সাহিত্য সৃষ্টির মাধ্যমে পাঠকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

‎