
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার বানিয়াচং উপজেলা প্রতিনিধি শেখ জোবায়ের জসিম এর পিতা মরহুম হাজী শেখ রহমত আলী র ১২ তম মৃত্যু বাষিকী আজ ১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার মরহুম হাজী শেখ রহমত আলীর ১২ তম মৃত্যু বাষিকী।
তিনি ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ সালের এই বিজয়ের মাসেই এই বীর সেনা মুক্তিযুদ্ধা হাজী শেখ রহমত আলী তাহার নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন।
শেখ রহমত আলী ১৯৩২ সালে বানিয়াচং সদরের নন্দীপাড়া গ্রামের শেখ লিবাস উল্লাহ ও খোদেজা বেগমের ঘরে জন্ম গ্রহণ করেন।
১৯৫২ সালে পাকিস্তান পুলিশে ভর্তি হন।সাহসিকতার জন্য ১৯৫৬ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জন্য মনোনীত হয়ে,১৯৬৫ সালের পাক-ইন্দো সম্মূখ যুদ্ধে অংশ নিয়ে বীরত্বের জন্য সেতারা পদক, রনতারকা,জমজমিয়া,আছালং পদকসহ অসংখ্য পদক পান।
১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতার জন্য হাবিলদার শেখ রহমত আলীসহ ক্যাম্পে কয়েকজন বাঙ্গালী মিলে ৪জন পাঠান পাক সেনাকে হত্যাকরে পালিয়ে তেলিয়াপাড়া সীমান্তে যান এবং গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়ে বীরত্বের সহিত দীর্ঘ ৯ মাস যোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন।
পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে হাবিলদার শেখ রহমত আলীকে বীর সেনা মুক্তিযুদ্ধা উপাধিতে ভূষিত করা হয়। শেখ রহমত আলী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ১৯৭৩ সালে হাবিলদার পদে থেকে সুনামের সহিত অবসর আসেন। তিনি ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর নিজ বাড়িতে বাধ্যকজনিত হয়ে ইন্তেকাল করেন।
মৃত্যুর সময় ৫ ছেলে ২ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান। ও পরে এক ছেলে ও স্ত্রী মারা যান। মরহুম হাজী শেখ রহমত আলী ১২তম মৃত্যু বাষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় পুরানবাগ মসজিদে আসরের নামাজ পর দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
শেখ জোবায়ের জসিম,বানিয়াচং। 












