সিলেট ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ২৬ বোতল ইসকফসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার‎ ‎মাধবপুরের শাহপুরে রাস্তা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৪ ‎মাধবপুরে রাতের আঁধারে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা ‎টাঙ্গাইলে নদী উদ্ধার প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হুমকি ও অপপ্রচার ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা। সিলেটে গোয়াইনঘাটে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফরিদ মিয়া র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমায় ৫ লক্ষ টাকার ভারতীয় ফুসকাসহ গ্রেফতার ২, কাভার্ডভ্যান জব্দ ‎ধনবাড়ীতে গাঁজার গাছসহ নারী গ্রেফতার,‎ স্বামী পলাতক! ‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

‎মোগলাবাজার থানা পুলিশের সাফল্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার, ৩ ডাকাত গ্রেফতার

মালামাল সহ ডাকাতদল। ছবি- এসএমপি পুলিশের সৌজন্যে।



‎সিলেট মহানগরীর মোগলাবাজার থানা পুলিশের দ্রুত ও পেশাদারী অভিযানে ডাকাতির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

‎গতকাল ১ ডিসেম্বর,গভীর রাতে মোগলাবাজার থানাধীন লালমাটিয়া, রয়েল সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন সিলেট–ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেড-এর একটি কাভার্ড ভ্যানকে একটি সাদা নোহা গাড়ি ব্যারিকেড দেয়। এ সময় নোহা ও একটি সাদা প্রাইভেট কার থেকে আসা ৬/৭ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল চালক ও হেলপারকে মারধর করে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে।

‎ডাকাতেরা হেলপারদের কাছ থেকে ২টি মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নিয়ে সিলেট শহরের দিকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোগলাবাজার থানায় ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-০১/১৫২,তারিখ-০১/১২/২০২৫ খ্রিঃ) রুজু হয়।

‎মামলা রুজু হওয়ার পর মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামছুল হাবিব-এর সার্বিক নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী তোবারক হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ তাৎক্ষণিক অভিযানে নামেন। তথ্য প্রযুক্তি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর রাত ৩:১০ মিনিটে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
‎পশ্চিমভাগ আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত সাকেল আহমদের (৩৩) শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রথমে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎সাকেল আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৩:৪০ মিনিটে পূর্ব শ্রীরামপুর এলাকা থেকে আক্তার হোসেনকে (৩৪) এবং ভোর ৫:২৫ মিনিটে সুলতানপুর এলাকা থেকে রিহাদ আহমেদকে (৩৭) গ্রেফতার করা হয়।
‎তিনজন ডাকাতই মোগলাবাজার থানাধীন এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ও ৪২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

‎গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে, ভোর ০৫:৪৫ ঘটিকায় আসামী রিহাদ আহমেদের বাড়ির বাউন্ডারির ভেতরে কচুর ঝোপের ভিতর লুকানো অবস্থা থেকে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে ছিল ০৩টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা, ০২টি কালো পলিথিনের বস্তা এবং ০২টি খাকি রঙের কার্টুন। গ্রেফতারের পর তিন ডাকাতই ডাকাতির ঘটনাটি অকপটে স্বীকার করে। তারা জানায় যে তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং সিলেট মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ডাকাতি করে আসছিল।

‎গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং এই সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান

‎মোগলাবাজার থানা পুলিশের সাফল্যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার, ৩ ডাকাত গ্রেফতার

সময় ১০:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

মালামাল সহ ডাকাতদল। ছবি- এসএমপি পুলিশের সৌজন্যে।



‎সিলেট মহানগরীর মোগলাবাজার থানা পুলিশের দ্রুত ও পেশাদারী অভিযানে ডাকাতির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

‎গতকাল ১ ডিসেম্বর,গভীর রাতে মোগলাবাজার থানাধীন লালমাটিয়া, রয়েল সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন সিলেট–ফেঞ্চুগঞ্জ রোডে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেড-এর একটি কাভার্ড ভ্যানকে একটি সাদা নোহা গাড়ি ব্যারিকেড দেয়। এ সময় নোহা ও একটি সাদা প্রাইভেট কার থেকে আসা ৬/৭ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল চালক ও হেলপারকে মারধর করে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে।

‎ডাকাতেরা হেলপারদের কাছ থেকে ২টি মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নিয়ে সিলেট শহরের দিকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোগলাবাজার থানায় ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০ ধারায় একটি মামলা (মামলা নং-০১/১৫২,তারিখ-০১/১২/২০২৫ খ্রিঃ) রুজু হয়।

‎মামলা রুজু হওয়ার পর মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামছুল হাবিব-এর সার্বিক নির্দেশনায় এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী তোবারক হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ তাৎক্ষণিক অভিযানে নামেন। তথ্য প্রযুক্তি ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে গভীর রাত ৩:১০ মিনিটে অভিযান শুরু করে পুলিশ।
‎পশ্চিমভাগ আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত সাকেল আহমদের (৩৩) শ্বশুরবাড়ি থেকে প্রথমে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎সাকেল আহমদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৩:৪০ মিনিটে পূর্ব শ্রীরামপুর এলাকা থেকে আক্তার হোসেনকে (৩৪) এবং ভোর ৫:২৫ মিনিটে সুলতানপুর এলাকা থেকে রিহাদ আহমেদকে (৩৭) গ্রেফতার করা হয়।
‎তিনজন ডাকাতই মোগলাবাজার থানাধীন এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪১ ও ৪২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

‎গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে, ভোর ০৫:৪৫ ঘটিকায় আসামী রিহাদ আহমেদের বাড়ির বাউন্ডারির ভেতরে কচুর ঝোপের ভিতর লুকানো অবস্থা থেকে লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে ছিল ০৩টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা, ০২টি কালো পলিথিনের বস্তা এবং ০২টি খাকি রঙের কার্টুন। গ্রেফতারের পর তিন ডাকাতই ডাকাতির ঘটনাটি অকপটে স্বীকার করে। তারা জানায় যে তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং সিলেট মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত ডাকাতি করে আসছিল।

‎গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং এই সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।