
বানিয়াচং উপজেলার প্রথম রেখ,মিয়াখানী, ত্রিকর মহল্লা, রায়ের পাড়া নিয়ে গঠিত চারি মহল্লা চান্দের আওতাধীন, দিঘবাগ,খৈয়াজুড়া ও রায়লা সেচ প্রকল্প নিয়ে এ বছর দু’পক্ষের মধ্যে বেশকিছু দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
উক্ত সেচ প্রকল্প গুলোর এক পক্ষে ম্যানেজার হিসাবে আবেদন করেছে, কামরুল ইসলাম, আলমগীর মিয়া ও আবুল হাসান।
অপর পক্ষে আবেদন করেছে মোস্তফা মিয়া, জলিল মিয়া, ছাইদুল হক। তাদের মধ্যে চরম বিরোধ সৃষ্টি হলে হবিগঞ্জের জেলা প্রসাশক এর নির্দেশে ১/১২/২০২৫ ইং সকাল ১১.০০ ঘটিকায় বানিয়াচং উপজেলার সেচ কমিটির এক বিষেশ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় এক পক্ষে, আলমগীর, আবুল হাসান ও কামরুল ইসলাম এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কামরুল ইসলাম এবং অপর পক্ষের মোস্তফা, জলিল,ছাইদুল হক উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও সদস্য সচিব এ এম রাকিবুল হক এর উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ হতে গোপন ” দর” আহবান করা হয়।
উভয় পক্ষ গোপন “দর” দাখিল করিলে দেখা যায় যে দিঘবাগ সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার আলমগীর মিয়া পক্ষে কামরুল ইসলাম শতক প্রতি ২৭ ( সাতাইশ) টাকা দর দাখিল করেন এবং খৈয়াজুরা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার আবুল হাসানের পক্ষে কামরুল ইসলাম শতক প্রতি ২৭( সাতাইশ) টাকা দর দাখিল করেন এবং রায়লা সেচ প্রকল্পে কামরুল ইসলাম নিজেই ম্যানেজার হিসাবে শতক প্রতি ২১ ( একুশ) টাকা দর দাখিল করেন।
অপর পক্ষ দিঘবাগ সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার হিসাবে জলিল মিয়া শতক প্রতি ১(এক) টাকা দর দাখিল করেন, খেয়াজুড়া সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার হিসাবে ছাইদুল হক শতক প্রতি ১(এক) টাকা দর দাখিল করেন এবং রায়লা সেচ প্রকল্পের ম্যানেজার মোস্তফা মিয়া শতক প্রতি ১(এক)টাকা দর দাখিল করেন। সেচ কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব এ এম রাকিবুল হক নিম্ন দরদাতা হিসাবে রায়লা সেচ প্রকল্পে শতক প্রতি ১(এক) টাকা আদায়ে কৃষক দের সেচ সুবিধা দিতে মোস্তফা মিয়া কে ম্যানোজার হিসাবে ঘোষণা করেন।
একই ভাবে শতক প্রতি এক টাকা করে সেচ কর আদায় করে কৃষক দের সেচ দিতে দিঘবাগ সেচ প্রকল্পের জলিল মিয়া কে ম্যানেজার ও খৈয়াজুড়া সেচ প্রকল্পের শতক প্রতি এক টাকা করে কর আদায় করে কৃষক দের সেচ সুবিধা দিতে ছাইদুল হক কে ম্যানেজার ঘোষণা করা হয়। ম্যানোজার, মোস্তফা মিয়া, জলিল মিয়া, ছাইদুল হক কৃষক হতে কেদার প্রতি ২৮ টাকা আদায় করে পুরো বোর মৌসুমে সেচ সুবিধা দিতে হবে।
এই মর্মে সেচ কমিটি একটি রেজুলেশন গৃহীত হয়। কোন অবস্থায় ই কৃষক হতে কের প্রতি ২৮ টাকার অতিরিক্ত আদায় করিতে পারিবেন না। করিলে অভিযোগ পাওয়া গেলে মেবাইল কোটের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়।
উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ইউএনও মাহমুদা বেগম সাথী মুঠোফোনে এ বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেন।
বানিয়াচং প্রতিনিধি 













