
ঘাতক রাজন বায়ে, নিহত শাপলা বেগমের (ফাইল ছবি)
হবিগঞ্জের মাধবপুরে পরকীয়ার জের ধরে স্বামীর হাতে খুন হয়েছেন এক গৃহবধূ। ঘাতক স্বামী রাজন মিয়া তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আত্মসমর্পণ করতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরিত্যক্ত জমি থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ৩রা নভেম্বর (সোমবার) রাতে মাধবপুরে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। ঘাতক স্বামী রাজন মিয়া তার স্ত্রী শাপলা বেগমকে (১৯) শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং পরে লাশটি কররা গ্রামের একটি পরিত্যক্ত জমিতে বালির নিচে চাপা দিয়ে রাখে।
স্ত্রীকে হত্যার পরদিন ৪ঠা নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে ঘাতক স্বামী রাজন মিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করতে যায়। সেসময় কর্তব্যরত পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
থানা পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পর রাজন মিয়া হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, পুলিশ তাকে সঙ্গে নিয়ে করড়া গ্রামের ওই পরিত্যক্ত জমির বালির নিচ থেকে নিহত শাপলা বেগমের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত শাপলা বেগম (১৯)। তিনি নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা গ্রামের সুমন মিয়ার কন্যা।
ঘাতক রাজন মিয়া বাহুবল উপজেলার পুটিজুড়ি এলাকার কাজল মিয়ার পুত্র।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত শাপলা বেগম দীর্ঘদিন ধরে অন্য পুরুষের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলে তার স্বামীর অভিযোগ ছিল, এই পরকীয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ ও দাম্পত্য কলহ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জের ধরে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সোমবার রাতে রাজন মিয়া তার স্ত্রী শাপলা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।
এ ব্যাপারে মাধবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং ঘাতক রাজন বর্তমানে আমাদের পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
এ আর রুমন, হবিগঞ্জ। 














