সিলেট ০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ ‎প্রশাসন ক্যাডারের ২৭ উপসচিবকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পদায়ন ‎বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ইন স্পেনের আংশিক কমিটি ঘোষণা, সভাপতি বকুল খান সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষ।। আহত শতাধিক: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টিয়ারশেল ‎হবিগঞ্জ সীমান্তে চোরাকারবারিদের গুলিতে বাংলাদেশি এক যুবক নিহত: বিজিবি‎

‎আলোকিত মানুষ গড়ার আন্দোলনে বইয়ের আলো — মৌলভীবাজারে ভ্রাম্যমাণ বইমেলা‎




‎বই— যে শব্দের ভেতর লুকিয়ে থাকে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আলোর উৎস। মানুষের চিন্তা, দর্শন ও সৃজনশীলতার চাবিকাঠি এই বই। সেই বইকেই নাগালের ভেতর এনে দিতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বছরজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের “আলোকিত মানুষ গড়ার আন্দোলন”। তারই অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারে আয়োজন করা হয়েছে চারদিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলার।

‎২৫ অক্টোবর, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উদ্বোধন হয় বইমেলার। উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসমা সুলতানা নাসরীন। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীরা।

‎বইমেলায় স্থান পেয়েছে দশ হাজারেরও বেশি বই— বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রকাশনার পাশাপাশি দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনী এবং বিদেশি লেখকদের অনুবাদগ্রন্থও রয়েছে এতে। মেলায় পাওয়া যাচ্ছে উপন্যাস, গল্প, রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনি, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, জীবনী, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব, স্বাস্থ্য, রান্না, কম্পিউটার ও ভাষা শেখার বইসহ প্রায় সব বিষয়ের বই।

‎পাঠকদের আকৃষ্ট করতে মেলায় রাখা হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে বই কেনার সুযোগ। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমাচ্ছেন বইপ্রেমী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ।

‎ভ্রাম্যমাণ বইমেলার মূল উদ্দেশ্য— “বইকে মানুষের জীবনের অংশ করে তোলা।” তাই কেন্দ্রটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বইয়ের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, গড়ে তুলছে পাঠাভ্যাস এবং আলোকিত নাগরিকত্বের বোধ।

‎বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, যে জাতি বই পড়ে, সেই জাতি কখনও পথ হারায় না। এই মেলাগুলো আমাদের সমাজে জ্ঞানের আলো আরও গভীরভাবে ছড়িয়ে দেবে।”

‎মৌলভীবাজারে শুরু হওয়া এই চারদিনব্যাপী মেলা চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত, প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
‎বইয়ের এই উৎসব কেবল মেলা নয়— এটি এক চলমান আন্দোলন, জ্ঞানের আলোকশিখা ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্ত যাত্রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড

‎আলোকিত মানুষ গড়ার আন্দোলনে বইয়ের আলো — মৌলভীবাজারে ভ্রাম্যমাণ বইমেলা‎

সময় ০৬:০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫




‎বই— যে শব্দের ভেতর লুকিয়ে থাকে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আলোর উৎস। মানুষের চিন্তা, দর্শন ও সৃজনশীলতার চাবিকাঠি এই বই। সেই বইকেই নাগালের ভেতর এনে দিতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বছরজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের “আলোকিত মানুষ গড়ার আন্দোলন”। তারই অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারে আয়োজন করা হয়েছে চারদিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলার।

‎২৫ অক্টোবর, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উদ্বোধন হয় বইমেলার। উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসমা সুলতানা নাসরীন। উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীরা।

‎বইমেলায় স্থান পেয়েছে দশ হাজারেরও বেশি বই— বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রকাশনার পাশাপাশি দেশের স্বনামধন্য প্রকাশনী এবং বিদেশি লেখকদের অনুবাদগ্রন্থও রয়েছে এতে। মেলায় পাওয়া যাচ্ছে উপন্যাস, গল্প, রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনি, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, জীবনী, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান, ইতিহাস, সমাজতত্ত্ব, স্বাস্থ্য, রান্না, কম্পিউটার ও ভাষা শেখার বইসহ প্রায় সব বিষয়ের বই।

‎পাঠকদের আকৃষ্ট করতে মেলায় রাখা হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে বই কেনার সুযোগ। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমাচ্ছেন বইপ্রেমী শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ।

‎ভ্রাম্যমাণ বইমেলার মূল উদ্দেশ্য— “বইকে মানুষের জীবনের অংশ করে তোলা।” তাই কেন্দ্রটি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বইয়ের আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে, গড়ে তুলছে পাঠাভ্যাস এবং আলোকিত নাগরিকত্বের বোধ।

‎বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, যে জাতি বই পড়ে, সেই জাতি কখনও পথ হারায় না। এই মেলাগুলো আমাদের সমাজে জ্ঞানের আলো আরও গভীরভাবে ছড়িয়ে দেবে।”

‎মৌলভীবাজারে শুরু হওয়া এই চারদিনব্যাপী মেলা চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত, প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
‎বইয়ের এই উৎসব কেবল মেলা নয়— এটি এক চলমান আন্দোলন, জ্ঞানের আলোকশিখা ছড়িয়ে দেওয়ার এক অনন্ত যাত্রা।