সিলেট ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন ‎চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান ‎মাধবপুরে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস ‎ভোরের নীরবতা ভেঙে পুলিশের অভিযান, ৭.৫ কেজি গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি ‎হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ‘আমার আব্বা’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বানিয়াচং সাহিত্য পরিষদ পুনর্গঠন: সভাপতি জসিম, সম্পাদক শাহাব ‎মাধবপুরে পানির ফিল্টারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১৯২ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার ‎সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন আর নেই

‎ওসমানীনগরে সাদিপুর নদীতে অবৈধ টোকেন বিক্রি নিষিদ্ধ, বরশি দিয়ে মাছ ধরা উন্মুক্ত‎


‎ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর নদীতে বরশি দিয়ে মাছ ধরার জন্য অবৈধভাবে টোকেন বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সাদিপুর নদীতে বরশী দিয়ে মাছ ধরতে কোনো ধরনের টোকেনের প্রয়োজন নেই।
‎ইউএনও জানান, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ‘মাছ ধরার টোকেন’ তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।
‎প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসার পর অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ টোকেন জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
‎তিনি আরও বলেন, সাদিপুর নদী একটি সরকারি জলাশয়।



‎এখানে সাধারণ জনগণ বরশি দিয়ে অবাধে মাছ ধরতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী টোকেন বা অনুমতির নামে অর্থ আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎ইউএনও আরও বলেন, এটি একটি সরকারি জলমহাল। নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র নিবন্ধিত মৎস্যজীবী দল বা সমিতির জন্য টোকেন দেওয়া হয়। তবে যারা ব্যক্তিগতভাবে বরশি দিয়ে মাছ ধরেন, তাদের জন্য কোনো টোকেনের প্রয়োজন নেই।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার সুযোগের বিনিময়ে টোকেন বিক্রি শুরু করে। এতে সাধারণ জেলেরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
‎প্রশাসনের এ পদক্ষেপে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন নদী সবার,মাছ ধরার জন্য কোনো টোকেন বা অনুমতি লাগবে না-এটা জানিয়ে উপজেলা প্রশাসন খুব ভালো কাজ করেছে।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে— ভবিষ্যতে কেউ অবৈধভাবে টোকেন বিক্রি বা বিতরণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

‎ওসমানীনগরে সাদিপুর নদীতে অবৈধ টোকেন বিক্রি নিষিদ্ধ, বরশি দিয়ে মাছ ধরা উন্মুক্ত‎

সময় ০৪:১৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫


‎ওসমানীনগর উপজেলার সাদিপুর নদীতে বরশি দিয়ে মাছ ধরার জন্য অবৈধভাবে টোকেন বিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সাদিপুর নদীতে বরশী দিয়ে মাছ ধরতে কোনো ধরনের টোকেনের প্রয়োজন নেই।
‎ইউএনও জানান, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ‘মাছ ধরার টোকেন’ তৈরি ও বিক্রির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছিল।
‎প্রশাসনের নজরে বিষয়টি আসার পর অভিযান পরিচালনা করে এসব অবৈধ টোকেন জব্দ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
‎তিনি আরও বলেন, সাদিপুর নদী একটি সরকারি জলাশয়।



‎এখানে সাধারণ জনগণ বরশি দিয়ে অবাধে মাছ ধরতে পারবেন। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী টোকেন বা অনুমতির নামে অর্থ আদায় করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‎ইউএনও আরও বলেন, এটি একটি সরকারি জলমহাল। নিয়ম অনুযায়ী শুধুমাত্র নিবন্ধিত মৎস্যজীবী দল বা সমিতির জন্য টোকেন দেওয়া হয়। তবে যারা ব্যক্তিগতভাবে বরশি দিয়ে মাছ ধরেন, তাদের জন্য কোনো টোকেনের প্রয়োজন নেই।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার সুযোগের বিনিময়ে টোকেন বিক্রি শুরু করে। এতে সাধারণ জেলেরা ভোগান্তিতে পড়েন এবং বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।
‎প্রশাসনের এ পদক্ষেপে স্থানীয়রা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন নদী সবার,মাছ ধরার জন্য কোনো টোকেন বা অনুমতি লাগবে না-এটা জানিয়ে উপজেলা প্রশাসন খুব ভালো কাজ করেছে।

‎উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে— ভবিষ্যতে কেউ অবৈধভাবে টোকেন বিক্রি বা বিতরণের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।