সিলেট ০২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎কবিতা মানুষকে সহমর্মিতা মানবিকতা ও সৌন্দর্যবোধ শেখায়ঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক‎ শায়েস্তাগঞ্জে র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ট্রাকসহ ৯৬ বোতল ইসকফ সিরাপ জব্দ, গ্রেফতার ২ ‎ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো অনলাইন লিটারেচার গ্রুপ’স ইউনিটি এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও লিটারেচার সম্মাননা-২০২৬‎‎ ‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎।

‎বানিয়াচংয়ে বিশ্বনবী কে কটূক্তি: মোবাইল রেকর্ডের পর পাপন ঘোষ পুনরায় পুলিশ হেফাজতে।

হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) নিয়ে কটুক্তি করা সন্দেহ ভাজন পাপন গোপ। (ফাইল ছবি)


বানিয়াচংয়ে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে উত্তাল বানিয়াচংয়ে, প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে একটি মোবাইল ফোন রেকর্ডের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পাপন ঘোষকে আবারও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় বানিয়াচংয়ের ধর্মপ্রাণ মুসমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎কয়েকদিন আগে পাপন গোপ নামের একজন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্মের প্রিয় বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট করা হলে বানিয়াচংয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষেদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দ্রুত পাপন ঘোষকে থানায় ডেকে নেয়, কারণ অভিযোগ ছিল পোস্টটি তার অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে।
‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাপন জানান যে ওই ফেসবুক আইডিটি তার নয় এবং তিনি এই পোস্টের সঙ্গে জড়িত নন। সে সময় কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ না পাওয়ায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।
‎তবে, আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে পাপনকে ওই পোস্ট সম্পর্কে কথা বলতে শোনা যায়। এই রেকর্ড ভাইরাল হওয়ার পর জনমনে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং চাপের মুখে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
‎বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, “আমরা অডিও রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করছি। যদি প্রমাণ হয় যে পাপনই ওই পোস্টের জন্য দায়ী, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
‎এদিকে, প্রশাসন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গুজব বা উসকানিমূলক মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
‎বানিয়াচংয়ের সচেতন মহলের দাবী, কোনো ব্যক্তি বিশেষের অপরাধের জন্য যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত দোষীকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎কবিতা মানুষকে সহমর্মিতা মানবিকতা ও সৌন্দর্যবোধ শেখায়ঃ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক‎

‎বানিয়াচংয়ে বিশ্বনবী কে কটূক্তি: মোবাইল রেকর্ডের পর পাপন ঘোষ পুনরায় পুলিশ হেফাজতে।

সময় ১১:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) নিয়ে কটুক্তি করা সন্দেহ ভাজন পাপন গোপ। (ফাইল ছবি)


বানিয়াচংয়ে বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে উত্তাল বানিয়াচংয়ে, প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হলেও পরবর্তীতে একটি মোবাইল ফোন রেকর্ডের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পাপন ঘোষকে আবারও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় বানিয়াচংয়ের ধর্মপ্রাণ মুসমানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎কয়েকদিন আগে পাপন গোপ নামের একজন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্মের প্রিয় বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে অবমাননাকর পোস্ট করা হলে বানিয়াচংয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষেদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দ্রুত পাপন ঘোষকে থানায় ডেকে নেয়, কারণ অভিযোগ ছিল পোস্টটি তার অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়েছে।
‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাপন জানান যে ওই ফেসবুক আইডিটি তার নয় এবং তিনি এই পোস্টের সঙ্গে জড়িত নন। সে সময় কোনো প্রযুক্তিগত প্রমাণ না পাওয়ায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।
‎তবে, আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে পাপনকে ওই পোস্ট সম্পর্কে কথা বলতে শোনা যায়। এই রেকর্ড ভাইরাল হওয়ার পর জনমনে নতুন করে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং চাপের মুখে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
‎বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, “আমরা অডিও রেকর্ডের সত্যতা যাচাই করছি। যদি প্রমাণ হয় যে পাপনই ওই পোস্টের জন্য দায়ী, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
‎এদিকে, প্রশাসন যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে গুজব বা উসকানিমূলক মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে।
‎বানিয়াচংয়ের সচেতন মহলের দাবী, কোনো ব্যক্তি বিশেষের অপরাধের জন্য যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত দোষীকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।