সিলেট ০৬:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন
বিদ্যুৎ মানব আয়নাল মিয়া এক বিস্ময়কর....

‎বানিয়াঙ্গের ‘বিদ্যুৎ মানব’ আয়নাল মিয়া: এক বিস্ময়কর মানুষ!

বিদ্যুৎ মানব আয়নাল মিয়া। ছবি- আয়নাল মিয়ার ফেসবুক থেকে নেয়া।

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বসবাসকারী আয়নাল মিয়া এক বিস্ময়কর মানুষ, যিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে খালি হাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার মতো বিপজ্জনক কাজ করে আসছেন।

‎স্থানীয়ভাবে তিনি ‘বিদ্যুৎ মানব’ নামেই বেশ পরিচিত। তার এই দুঃসাহসিক কাজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে।

বিদ্যুৎতে তারে হাত দিয়ে শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করছেন আয়নাল মিয়া।

‎বিদ্যুৎ নিয়ে ছেলেখেলা

‎একজন সাধারণ মানুষের জন্য খালি হাতে ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করা মানে নিশ্চিত মৃত্যু! অথচ আয়নাল মিয়া কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই মেইন লাইনে হাত দিয়ে বাতি জ্বালান। তার কাছে বিদ্যুতের এই বিপজ্জনক কাজ যেন এক ছেলেখেলা! তিনি যখন তারে হাত দেন, তখন তার পুরো শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। এই সময় তিনি অন্যদের তার থেকে দূরে থাকতে বলেন। তার গায়ে তখন হাত দিলে নির্ঘাত দূর্ঘটনা ঘটবে। তাই সে সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য সবাইকে সর্তক করেন।

‎এই বিপজ্জনক কাজের কারণ জানতে চাইলে আয়নাল মিয়া জানান, বিদ্যুৎ নিয়েই তার ধ্যান-ধারণা। তার এই বিশেষ ক্ষমতা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষকে বিস্মিত করে আসছে। দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও প্রিন্ট মিডিয়া তার এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা নিয়ে প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করেছে। তিনি ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে সরাসরি স্টুডিওতে উপস্থিত থেকে কথা বলেছেন। তাঁকে নিয়ে বিশেষ পর্ব প্রচারিত হয়েছে। এসব কাজে আয়নাল মিয়া কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ক্যামেরার সামনে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারেন তিনি।

‎সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ

‎যদিও আয়নাল মিয়া এই কাজ অনায়াসে করতে পারেন, তিনি সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, “আমি সবাইকে অনুরোধ করব কেউ খালি হাতে বিদ্যুৎতে তারে হাত দিবেন না। এটা কেউ নিজ হাতে চেষ্টা করবেন না। সেফটি নিয়ে প্রয়োজন হলে হাত দিবেন।”

‎আয়নাল মিয়ার চাওয়া

‎আয়নাল মিয়া বর্তমানে তার ছেলেদের সঙ্গে অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তিনি এখন আর নিয়মিত কাজ করেন না, তবে শখের বশে মানুষকে জরুরি সেবা দেন। তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, শুধু সরকারের পক্ষ থেকে একটু স্বীকৃতি পেলে তার আশা পূরণ হবে বলে তিনি জানান।

‎আয়নাল মিয়ার এই ব্যতিক্রমী ক্ষমতা বিজ্ঞানসম্মতভাবে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও তার এই দুঃসাহসিক কাজ তাকে এক রহস্যময় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

বিদ্যুৎ মানব আয়নাল মিয়া এক বিস্ময়কর....

‎বানিয়াঙ্গের ‘বিদ্যুৎ মানব’ আয়নাল মিয়া: এক বিস্ময়কর মানুষ!

সময় ০৪:৫১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
বিদ্যুৎ মানব আয়নাল মিয়া। ছবি- আয়নাল মিয়ার ফেসবুক থেকে নেয়া।

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বসবাসকারী আয়নাল মিয়া এক বিস্ময়কর মানুষ, যিনি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে খালি হাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার মতো বিপজ্জনক কাজ করে আসছেন।

‎স্থানীয়ভাবে তিনি ‘বিদ্যুৎ মানব’ নামেই বেশ পরিচিত। তার এই দুঃসাহসিক কাজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছে।

বিদ্যুৎতে তারে হাত দিয়ে শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করছেন আয়নাল মিয়া।

‎বিদ্যুৎ নিয়ে ছেলেখেলা

‎একজন সাধারণ মানুষের জন্য খালি হাতে ২২০ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার স্পর্শ করা মানে নিশ্চিত মৃত্যু! অথচ আয়নাল মিয়া কোনো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই মেইন লাইনে হাত দিয়ে বাতি জ্বালান। তার কাছে বিদ্যুতের এই বিপজ্জনক কাজ যেন এক ছেলেখেলা! তিনি যখন তারে হাত দেন, তখন তার পুরো শরীরে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। এই সময় তিনি অন্যদের তার থেকে দূরে থাকতে বলেন। তার গায়ে তখন হাত দিলে নির্ঘাত দূর্ঘটনা ঘটবে। তাই সে সময় দূরে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য সবাইকে সর্তক করেন।

‎এই বিপজ্জনক কাজের কারণ জানতে চাইলে আয়নাল মিয়া জানান, বিদ্যুৎ নিয়েই তার ধ্যান-ধারণা। তার এই বিশেষ ক্ষমতা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানুষকে বিস্মিত করে আসছে। দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও প্রিন্ট মিডিয়া তার এই ব্যতিক্রমী প্রতিভা নিয়ে প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করেছে। তিনি ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেলে সরাসরি স্টুডিওতে উপস্থিত থেকে কথা বলেছেন। তাঁকে নিয়ে বিশেষ পর্ব প্রচারিত হয়েছে। এসব কাজে আয়নাল মিয়া কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে ক্যামেরার সামনে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে পারেন তিনি।

‎সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ

‎যদিও আয়নাল মিয়া এই কাজ অনায়াসে করতে পারেন, তিনি সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, “আমি সবাইকে অনুরোধ করব কেউ খালি হাতে বিদ্যুৎতে তারে হাত দিবেন না। এটা কেউ নিজ হাতে চেষ্টা করবেন না। সেফটি নিয়ে প্রয়োজন হলে হাত দিবেন।”

‎আয়নাল মিয়ার চাওয়া

‎আয়নাল মিয়া বর্তমানে তার ছেলেদের সঙ্গে অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তিনি এখন আর নিয়মিত কাজ করেন না, তবে শখের বশে মানুষকে জরুরি সেবা দেন। তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, শুধু সরকারের পক্ষ থেকে একটু স্বীকৃতি পেলে তার আশা পূরণ হবে বলে তিনি জানান।

‎আয়নাল মিয়ার এই ব্যতিক্রমী ক্ষমতা বিজ্ঞানসম্মতভাবে ব্যাখ্যা করা কঠিন হলেও তার এই দুঃসাহসিক কাজ তাকে এক রহস্যময় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।