সিলেট ০২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, ফাঁসলেন অভিযোগকারী নিজেই।

প্রতারণাকারী রিপন মিয়া ।


সিলেটে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করে নিজেই ফেঁসে গেলেন এক ব্যক্তি। আজ সকালে সিলেটের শাহপরাণ (রহঃ) থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল আনুমানিক ৭:৩০ ঘটিকায় রিপন মিয়া (৩৩) নামের এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, টিলাগড় সরকারি কলেজের সামনে আফজল ও তার সঙ্গীরা তার মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ পেয়ে শাহপরাণ থানার ডিউটিরত অফিসার পিএসআই মেহেদী আহমেদ দ্রুত সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
‎রিপনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়ে একটি গ্যারেজের সামনে সিকিউরিটি গার্ড জুনেদ মিয়াকে খুঁজে পায়। অভিযোগকারী রিপন জুনেদকে দেখেই আক্রমণ করে মারধর শুরু করলে পুলিশ তাকে নিবৃত্ত করে এবং দু’জনকেই থানায় নিয়ে আসে।
‎থানায় এসে রিপন মিয়া, জুনেদ মিয়া, আফজল এবং আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করেন। তবে তার বক্তব্য সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
‎তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পারে, রিপন এবং আফজল ঘটনাস্থলে মোবাইল ফোনে জুয়া খেলছিলেন। পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে সেখানকার সিকিউরিটি গার্ড জুনেদ তাদের সরিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিপন প্রতিশোধমূলকভাবে ৯৯৯-এ মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন।
‎পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন স্বীকার করেন যে, কোনো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই তিনি এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছিল।
‎ফলস্বরূপ, মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার অপরাধে ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, ফাঁসলেন অভিযোগকারী নিজেই।

সময় ০৫:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
প্রতারণাকারী রিপন মিয়া ।


সিলেটে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করে নিজেই ফেঁসে গেলেন এক ব্যক্তি। আজ সকালে সিলেটের শাহপরাণ (রহঃ) থানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল আনুমানিক ৭:৩০ ঘটিকায় রিপন মিয়া (৩৩) নামের এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, টিলাগড় সরকারি কলেজের সামনে আফজল ও তার সঙ্গীরা তার মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ছিনিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ পেয়ে শাহপরাণ থানার ডিউটিরত অফিসার পিএসআই মেহেদী আহমেদ দ্রুত সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
‎রিপনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়ে একটি গ্যারেজের সামনে সিকিউরিটি গার্ড জুনেদ মিয়াকে খুঁজে পায়। অভিযোগকারী রিপন জুনেদকে দেখেই আক্রমণ করে মারধর শুরু করলে পুলিশ তাকে নিবৃত্ত করে এবং দু’জনকেই থানায় নিয়ে আসে।
‎থানায় এসে রিপন মিয়া, জুনেদ মিয়া, আফজল এবং আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত ছিনতাইয়ের অভিযোগ দায়ের করেন। তবে তার বক্তব্য সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
‎তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ জানতে পারে, রিপন এবং আফজল ঘটনাস্থলে মোবাইল ফোনে জুয়া খেলছিলেন। পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে সেখানকার সিকিউরিটি গার্ড জুনেদ তাদের সরিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিপন প্রতিশোধমূলকভাবে ৯৯৯-এ মিথ্যা ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন।
‎পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রিপন স্বীকার করেন যে, কোনো ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই তিনি এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছিল।
‎ফলস্বরূপ, মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করার অপরাধে ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে শাহপরাণ (রহঃ) থানা পুলিশ।