সিলেট ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

‎

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।


‎
‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।
‎

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

সময় ০৬:১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

‎

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।


‎
‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।
‎

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।
‎