সিলেট ০১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎সিলেট ওসমানী মেডিকেলে বানিয়াচংয়ের কুখ্যাত দালাল চক্রের মুলহোতা আটক। ‎বানিয়াচংয়ে জমি নিয়ে বিরোধ: ভাইদের আহত প্রবাসীর মৃত্যু, ভাই ও ভাবি গ্রেপ্তার‎ ‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক ‎সিলেটে ও সুনামগঞ্জে র‍্যাব-বিআরটিএ’র যৌথ অভিযান: ১১ চালককে জরিমানা, ৭টি সিএনজি জব্দ‎ ‎বাডসের বৈশাখী উৎসবে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকঃ‎আলোকিত সমাজ গঠনে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা অপরিহার্য জামালপুরে গ্রিন বিজনেস মডেলে ভুট্টা চাষের ফসল চাষ প্রদর্শনী ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত প্রতিটি উপজেলায় হবে ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’: শিক্ষামন্ত্রী ‎ছাতকে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন,ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনে মুখর মেলা প্রাঙ্গণ।‎ সিলেটে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে মুক্তিপণ আদায়কারী ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার জুড়ীতে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।



‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সিলেট ওসমানী মেডিকেলে বানিয়াচংয়ের কুখ্যাত দালাল চক্রের মুলহোতা আটক।

‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের পুনরুজ্জীবন: ইউনুস বয়াতি ও ওয়াসিম বয়াতির মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা

সময় ০৬:১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের আসরে শিল্পীদের পরিবেশনা ।



‎টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, কুমারগাতি গ্রামবাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান কালের বিবর্তনে যখন বিলুপ্তির পথে, ঠিক তখনই টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কুমারগাতিতে অনুষ্ঠিত হলো এক মনোমুগ্ধকর ধুয়া গানের পালা। ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র অনবদ্য পরিবেশনা মুগ্ধ করলো উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের। এই আয়োজন প্রমাণ করলো যে, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা এখনও বিদ্যমান।
‎বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম:
‎ধূয়া গান, যা গ্রামবাংলার মানুষের বিনোদনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে তা প্রায় বিলুপ্ত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এবং প্রযুক্তির প্রসারে এই লোকজ শিল্প তার আবেদন হারাচ্ছে। তবে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে এখনও এর প্রচলন দেখা যায়, যা আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রগতিশীল চিন্তক ইকবাল হোসেন জুপিটার এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতি বছর ধুয়া গান এবং লাঠি খেলার মতো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে থাকেন।

ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গানের শিল্পীরা গানের তালে তালে মত্ত ।

ইকবাল হোসেন জুপিটারের অঙ্গীকার:
‎গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ইকবাল হোসেন জুপিটার বলেন, “আমি চেষ্টা করছি এসব গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে। ধুয়া গান, লাঠি খেলা – এসব আজ বিলুপ্তির পথে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে এই শিল্পকলার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং এর গুরুত্ব বোঝানো অত্যন্ত জরুরি।” তার এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে এবং গ্রামবাংলার লোকসংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন।
‎ইউনুস বয়াতি এবং ওয়াসিম বয়াতি’র মতো শিল্পীদের পরিবেশনা এবং ইকবাল হোসেন জুপিটারের মতো সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের প্রচেষ্টায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ধুয়া গান আবারও নতুন জীবন ফিরে পাচ্ছে, যা আমাদের লোকসংস্কৃতির জন্য এক শুভ বার্তা।